Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

দাম্পত্যে বেশি অনুযোগ নারীর

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 135 বার

প্রকাশিত: May 28, 2013 | 2:19 AM

                                            অনলাইন ডেস্ক : দাম্পত্য জীবনে পুরুষদের চেয়ে নারীরা অভিযোগ করেন বেশি। সম্প্রতি এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, অধিকাংশ সময় নারীরা অভিযোগ করেন, তাঁদের পুরুষ সঙ্গীরা অন্য কারও প্রেমে পড়েছেন। ‘ডেইলি মেইল’-এর এক প্রতিবেদনে গতকাল সোমবার বলা হয়েছে, গবেষকদের মতে, অসুখী দম্পতিরা বেশির ভাগ সময় এটা ভেবে পার করেন যে তাঁরা কত বেশি রাগী ও হতাশ। অথচ সুখী দম্পতিরা বেশির ভাগ সময় তাঁদের চিন্তার সমন্বয় করতে ব্যয় করেন। দেখা গেছে, একটি সুখী দম্পতির একজন বেশি আবেগী হয়ে পড়লে, আরেকজন সেটিকে সামাল দেন। টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক দলের প্রধান ড. অনিতা ভ্যানজেলিসটি বলেন, ‘সুখী দম্পতিদের একজন যখন অসন্তুষ্ট থাকেন বা রাগ করেন, তখন অপরজন ভাবেন তাঁর সঙ্গী কী চান বা কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়।’ ড. অনিতা বলেন, গবেষণা থেকে তাঁরা জানতে পেরেছেন একটি সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিতে ব্যক্তি কী করেন এবং সম্পর্ক বিষয়ে তাঁদের সন্তুষ্টি কী মাত্রায় থাকে। ব্যক্তির সুখ তাঁর সঙ্গীকে কতটুকু প্রভাবিত করে, তাও এ গবেষণা থেকে জানা গেছে। ড. অনিতা ও তাঁর গবেষক দল ৭১টি তরুণ অবিবাহিত দম্পতির ওপরে গবেষণা চালিয়েছে। তাঁরা কমপক্ষে তিন বছর ধরে একসঙ্গে জীবন যাপন করছেন। গবেষণার সময় নারী ও পুরুষটিকে পৃথক কক্ষে বসিয়ে সাক্ষাত্কার নেওয়া হয়। এ সময় প্রত্যেকের সঙ্গে একজন করে গবেষকও থাকতেন। তবে দম্পতিরা ইন্টারনেট বা ফোনে কোনো একটি বিষয়ে নিজেদের মতবিরোধ নিয়ে আলোচনা করতেন। গবেষক তাঁদের আলোচনা শুনে সিদ্ধান্ত নিতেন। দেখা গেছে, অধিকাংশ সময় দম্পতিরা অর্থ, অতীতের প্রেমের সম্পর্ক, মদপান বা আত্মীয়-সজ্জনদের নিয়ে তর্ক করেন। অসুখী দম্পতির মধ্যে যাঁরা অন্যের মতামত শুনতে চান না, তাঁরা সাধারণত বারবার আলোচনার বিষয় ঠিক বদলাতে পছন্দ করেন। আলোচনার সময় তাঁরা ভাবেন, তাঁদের দুজনের মধ্যে কার ক্ষমতা কত বেশি। ড. অনিতা বলেন, নারী ও পুরুষের চিন্তাগত পার্থক্যের যে প্রচলিত মত, এ গবেষণার ফল থেকে তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। কারণ, গবেষণার সময় অধিকাংশ সময় নারী ও পুরুষেরা একই ধরনের চিন্তা করেছেন। গবেষণাপত্রটি অল্প কয়েক দিনের মধ্যে অনলাইন সাময়িকী ‘কমিউনিকেশন মনোগ্রাফে’ প্রকাশিত হবে।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV