Friday, 19 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’
সব ক্যাটাগরি

দারিদ্র্য বিমোচনে জাতিসংঘের ভূমিকা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 58 বার

প্রকাশিত: October 23, 2013 | 1:57 PM

আফতাব চৌধুরী : জাতিসংঘের সেক্রেটারী জেনারেল বান কি মুন দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ ও নিরক্ষরতা দূর করার জন্য বিশ্ববাসীকে সংকল্পবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এবং এ কাজ ২০১৫ সালের মধ্যেই সম্পন্ন করার কথা বলেছেন। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এখন সম্মিলিত কণ্ঠে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে উঠে দাঁড়াবার ব্যাপারে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। তাদের সঙ্গে এক জোট হয়ে এখন বিশ্ববাসীকে কাজে নামতে হবে।

বান বলেছেন, আজ বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ তাদের নেতৃবর্গের কাছে বার্তা ও আবেদনের মাধ্যমে তাদের প্রতিশ্রুতি পালনের আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা প্রতিটি দেশের নাগরিকদের কাছে, বিশেষ করে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের, এ মুহূর্তে দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূরীকরণের সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিভিন্ন ধরনের কর্মপ্রকল্প গ্রহণের আবেদনও জানিয়েছেন। চরম দারিদ্র্য ও সামাজিক বিভিন্ন ব্যাধি দূর করার যে সর্বসম্মত প্রস্তাব ‘মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস (এমডিজিসি)’ গ্রহণ করা হয়েছে সেটি বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রয়াস এখনই শুরু হোক।
সেক্রেটারী জেনারেল আরও উল্লেখ করেছেন, ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজিসি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যাপারে বিশ্বের অগ্রগতির সমতা ঘটেনি এখনও। বিশেষ করে আফ্রিকার সাহারা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলো এখনও এ লক্ষ্যের পথে হাঁটতে শেখেনি। সে জন্যই আমাদের প্রচেষ্টাকে যেমন দ্বিগুণ করতে হবে তেমনই ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোকে উন্নয়নের জন্য সত্যিকারের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে। বান আহ্বান জানান, চলুন এ ব্যাপারে আমরা সবাই কাজে নামি এবং দারিদ্র্যের এ কলঙ্ক চিরকালের জন্য মুছে ফেলতে রাজনৈতিক সদিচ্ছার নিশ্চিত প্রমাণ রাখি।
জাতিসংঘের সাধারণ সভার বিশ্বের প্রতিটি পুরুষ, মহিলা ও শিশুকে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণে আন্তর্জাতিক দিবস পালন করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অধিকতর মনোযোগ আকর্ষণের জন্য আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সভাপতি তার বক্তব্যে বিশ্বের সব দেশের কাছে বিশেষ অনুরোধ রেখেছেন জাতিসংঘের চলিত সাধারণ সভাতেই ঐকমত্য গড়ে তোলার যাতে শতাব্দীর লক্ষ্যে (মিলেনিয়াম গোলস) পূরণ করা যায়।
জাতিসংঘ চরম দারিদ্র্যে ভুগছে এমন মানুষদের একটি সমীক্ষামূলক তালিকা প্রস্তুত করেছে। এছাড়া এ ব্যাপারে একটি সঙ্গীত তৈরি ছাড়াও দারিদ্র্য বিলোপের ওপর ছবি আঁকার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী পাঁচজন শিশুকে পুরস্কৃতও করেছে। এ প্রতিযোগিতায় ১২হাজার-এর বেশি শিশু অংশ গ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে প্রথম ছয়জন বিজয়ীর আঁঁকা ছবি ২০০৮ সালে জাতিসংঘের স্ট্যাম্প হিসেবে প্রকাশ করা হবে। এ প্রতিযোগিতা ছিল বিশ্বব্যাপী ‘উঠে দাঁড়াও এবং দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোল’ (স্ট্যান্ড আপ অ্যান্ড স্পিক আউট এগেইনস্ট পোভার্টি) অভিযানের অঙ্গ যাতে বিশ্বের বহু দেশের মানুষ দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সত্যি সত্যি ২৪ ঘণ্টা প্রতীকী বিরোধিতায় সামিল হয়েছিল। জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী একটি সংস্থা মিলেনিয়াম ক্যাম্পেইনের উদ্যোগে এ অভিযান শুরু হয় এবং বহু বেসরকারি সংগঠন এতে অংশগ্রহণ করে। গত বছর এতে বিশ্বময় প্রায় ২৩০ লক্ষ মানুষ যোগদান করে যা গিনেস বিশ্ব রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছে। এবারের অভিযানে আশা করা হচ্ছে আরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করবেন।
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ভারত ও চীনে দারিদ্র্যের হার যথেষ্ট কমেছে। আফ্রিকাতেও অর্থনৈতিক উন্নয়ন পাঁচ শতাংশে পৌঁছেছে যা অবশ্যই উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া সেখানে দারিদ্র্যের হারও কমতে শুরু করেছে। তবে সেখানে এ হরাসের গতি খুবই ধীর। মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলসকে সার্থক করে তুলতে হলে আফ্রিকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের হার সাত শতাংশে পৌঁছা আবশ্যক।
তিনি আরও বলেন, এ অভিযানকে সফল করে তুলতে হলে প্রতিটি দেশকেই আরও বেশি সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকমহলকেও এ ব্যাপারে তত্পর হতে হবে। উঠে দাঁড়াবার এ জন-আহ্বান প্রতিটি দেশের সরকারের কাছেও। এ অভিযানের অন্য উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি সরকারকেই মনে করিয়ে দেয়া দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিশ্রুত কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করা।ইত্তেফাক 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV