নিউইয়র্কের বাংলাদেশি ডা. ফেরদৌস খন্দকার হঠাৎ আলোচনায়, নানা কথা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : হঠাৎ করে আলোচনায় নিউইয়র্কের বাংলাদেশি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার। গত এক মাস ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নানা কর্মসূচিতে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেয়ার কারণে আলোচনায় এসেছেন। ইতোমধ্যে তাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে।
গত ১ আগস্ট জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই মূলত আলোচনায় আসেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মেডিসন স্কয়ার গার্ডেনে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধের সময় আয়োজিত বাংলাদেশ কনসার্ট স্মরণ অনুষ্ঠানের কনভেনর ছিলেন ফেরদৌস খন্দকার। এ অনুষ্ঠানেই প্রথমে তাকে দেখা যায় সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে। এ অনুষ্ঠানে ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কের কনসাল জেনালের সাদিয়া ফয়জুননেসা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ।
এর পর গত ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ফেরদৌস খন্দকারকে দেখা যায় অগ্রবর্তী অংশ নেতৃত্ব দিতে। এ দিন এলমাহস্ট হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করেছিলেন তিনি।
পরে গত ১৫ আগস্ট জাতিসংঘের উদ্যোগে বাংলাদেশের জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের ফেরদৌস খন্দকারকে অতিথিদের সঙ্গে সামনের সারিতে দেখা যায়। এছাড়া তিনি ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় রয়েছেন আওয়ামী লীগের পক্ষে। গণমাধ্যগুলোতে ডা. ফেরদৌস খন্দকারের ছবি প্রকাশিত হচ্ছে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে।
ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার হঠাৎ সক্রিয় হওয়া নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। চায়ের দোকান থেকে তার নিয়মিত রোগি সবাই আলাপ করছেন।
গত ১৬ আগস্ট ফেইসবুকে তিনি একটি স্ট্যাটাস দেন। এতে তিনি লিখেন, ইতিহাসের অংশ হলাম। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ছিল গত বৃহস্পতিবার। ইতিহাসে এবারই প্রথম বাঙালি জাতির শোকের দিনে একটি স্মরণ অনুষ্ঠান হয়ে গেল জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ভেতরে। এটি আমাদের ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য দিন হয়ে থাকবে। এই দিনে আমরা জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, দেশের মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা, পররাষ্ট্রনীতিসহ নানান দিক সম্পর্কে যেমন বিশ্ববাসীকে জানাতে পেরেছি, তেমনি ঘৃণ্য চক্রান্তের মাধ্যমে জাতির পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকান্ডের কথাও তুলে ধরতে পেরেছি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে। এমন নেতার জন্ম হয়েছিল বলেই বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। গৌরবের একটি জাতি হিসেবে জাতিসংঘে কথা বলতে পেরেছি আমরা। জাতীয় শোকদিবসের এমন আয়োজন জাতিসংঘের ভেতরে করার পুরো কৃতিত্ব পাবেন আমাদের প্রিয় মানুষ, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। সেই সাথে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং অন্যান্য নেতাদেরও ধন্যবাদ সব ধরণের সহযোগিতার জন্যে। ইতিহাসের অংশ হলাম আমি নিজেও। আরও একবার শপথ নিলাম জাতির পিতা আপনার আদর্শ বাস্তবায়ন করতে কাজ করে যাবো আমৃত্যু। আজকাল
- হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections