Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে প্রতিবাদ : গ্রামীণ ব্যাংককে তছনছ করছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 131 বার

প্রকাশিত: June 23, 2013 | 8:04 AM

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
গ্রামীণ ব্যাংককে তছনছ করছে সরকার নিউইয়র্কে প্রতিবাদ

নিউইয়র্ক: গ্রামীণ ব্যাংক ভেঙ্গে দেওয়ার চরম ষড়যন্ত্র করছে সরকার এই অভিযোগ এনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক সমাজ বলেছে, যে কোনো মূল্যে এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে।

প্রবাসী নাগরিক সমাজের ব্যানারে নিউইয়র্কে শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, কমিউনিটি নেতৃত্বসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই প্রতিবাদ সভায় অংশ নেন।

বক্তারা গ্রামীণ ব্যাংক তছনছ করে ফেলা হচ্ছে এই অভিযোগ এনে বলেন, সরকার গ্রামীণ ব্যাংককে ধংস করার লক্ষেই শিল্প ব্যাংকের আদলে খ- খ- করার প্রস্তাব করেছে। সরকারের এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে গ্রামীণ ব্যাংক ধীরে ধীরে তার অস্তিত্ব হারাবে বলেও মত দেন তারা।

বক্তারা বলেন, সরকার ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে বিতাড়িত করেই ক্ষান্ত হয়নি। এবার ব্যাংকটির অস্তিত্ব মুছে ফেলতেই নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে।

ড. ইউনূসের সরাসরি ছাত্র ড. শওকত আলীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভা পরিচালনা করেন সাংবাদিক শেখ সিরাজুল ইসলাম। সভায় অংশ নিয়ে বাংলাপত্রিকার সম্পাদক আবু তাহের বলেন, সারা বিশ্বে গ্রামীণ ব্যাংকের দারিদ্র বিমোচনের মডেল সমাদৃত হলেও বাংলাদেশে যেনো এটি অপাংতেয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

তবে সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হবে না। অনেক সহ্য করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসও এখন প্রতিবাদী হয়েছেন। তিনি এই প্রথমবার সরকারের সিদ্ধান্তের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন সাধারণ মানুষই গ্রামীণ ব্যাংককে রক্ষায় এগিয়ে আসবে।

সভাপতির বক্তব্যে ড. শওকত আলী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থানের ঘোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে প্রায় এক কোটি নারীর ভাগ্য জড়িত। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকটি নিয়ে সরকার যেভাবে ছিনিমিনি খেলছে তার জন্য সরকারকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে এর বিচার চাওয়া হবে।

কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন বলেন, ভাবতে অবাক লাগে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী ড. ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে বিতাড়িত করেই ক্ষান্ত হননি। এবার ব্যাংকটিকে খ- খ- করে দিতে চান।

তিনি বলেন, ডক্টরেট পেতে শেখ হাসিনা মিলিয়ন ডলার খরচ করে লবি করছেন, কিন্তু পাচ্ছেন না সে কারণেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি তার ক্ষোভ। এ ঘটনায় আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

ড. এহতেশামুল হক বলেন, সরকারের এই উদ্যোগকে যে কোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের এই ষড়যন্ত্র দীর্ঘ দিন ধরেই চলছে। এমনকি বিদেশ থেকে দেশে গিয়েও অনেক প্রবাসী ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারছেন না। সাংবাদিক মাহমুদ খান তাসের বলেন, পরিস্থিতি যে পর্যন্ত গড়িয়েছে তাতে আর বসে থাকার সময় নেই। গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূসের সম্মান রক্ষায় স্বাক্ষর সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিসহ সিনেটর, কংগ্রেস ম্যানদের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে।

শেখ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান পৃথিবীর সব দেশেই সরকারের কাছে গুরুত্ব পায়। কেবল বাংলাদেশ সরকারই হয়তো পৃথিবীর একমাত্র সরকার যেখানে ব্যক্তি উদ্যোগের প্রতিষ্ঠানকে ধংস করতে উঠে পড়ে লাগতে দেখছি। তিনি জানান প্রবাসী নাগরিক সমাজের ব্যানারে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। তবে কোনো কিছুতেই সরকার তার অবস্থান থেকে সড়ছে না। ব্যাংকটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

সাংবাদিক রিমন ইসলাম বলেন, নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তিকে বিশ্বের যে কোনো দেশ ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করে। কেবল বাংলাদেশের বর্তমান সরকারই তার মূল্যায়ণ করতে পারছে না। গ্রামীণ ব্যাংকটিকে নিজের সন্তানের মতো করে তিল তিল করে গড়ে তুলেন ড. ইউনূস। কিন্তু আজ সেখান থেকে তার নামটিউ মুছে দেওয়া চেষ্টা চলছে। আমরা সেটা হতে দেবো না। গ্রামীণ ব্যাংককে বাঁচাতে যে কোনো উদ্যোগ আমাদের নিতে হবে।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ড. আবুল কাশেম, ড. এস এ শেলি, অ্যাডভোকেট আবদুল কাইউম, জীবন শফিক, আবু সাঈদ, নিরা রব্বানি প্রমুখ।বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV