Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ২০১৪ : শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে অবতীর্ণ কামাল-সানি ও কুনু-রহিম পরিষদ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 113 বার

প্রকাশিত: October 12, 2014 | 1:30 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের অন্যতম সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৬ অক্টোবর রোববার। এবার নির্বাচনের মাঝখানে ঈদ পড়ায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কামাল-সানি এবং কুনু-রহিম প্যানেল নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। ঈদ আমেজে গণসংযোগের মাধ্যমে উভয় প্যানেল চালিয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই নির্বাচনকে নিয়ে বেড়ে গেছে নানা জল্পনা-কল্পনা। নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ উভয় পক্ষই তাদের প্যানেলের সদস্য এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে রয়েছেন নিরলস ভোট প্রার্থনায়। প্যানেল দুটির পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে নানা পরিকল্পনা। উভয় প্যানেলই সমান তালে ভোটারদের সাথে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটারদের নিজ প্যানেলে টানার অভিনব কৌশল গ্রহণ করছেন তারা। দুই প্যানেলের ৩৮ প্রার্থীই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। জমে ওঠা এ নির্বাচনকে ঘিরে অনেকটা বিভক্ত হয়ে পড়ছে বাঙালী কমিউনিটি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ উত্থাপনের মধ্য দিয়ে চলছে দুই প্যানেলের প্রচারণা। নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি। কামাল-সানি এবং কুনু-রহিম প্যানেল বিজয়ের প্রত্যাশায় শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে অবতীর্ণ থাকলেও সাধারণ ভোটাররা দিচ্ছেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস।
এদিকে, ‘ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গড়াই আমাদের প্রত্যয়’ সেøাগান নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ‘কামাল-সানী’ প্যানেলের প্রার্থীরা। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং ‘গড ফাদার’ মুক্ত প্রতিনিধিত্বশীল বাংলাদেশ সোসাইটির প্রত্যাশায় তারা তাদের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার আবেদন জানিয়েছেন ভোটারদের প্রতি। ‘কামাল-সানী’ পরিষদ ইতোমধ্যে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে।

কামাল-সানী পরিষদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে কামাল-সানী পরিষদ তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। নির্বাচনী ইশতেহার নি¤œরূপ :
প্রবাসীদের কল্যাণ ও অধিকার আদায়ে এদেশের মূলধারায় বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ত করার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
বাংলাদেশী কমিউনিটির জন্য ফেডারেল, স্টেট ও সিটি প্রশাসন থেকে চাকুরী, কর্মসংস্থান, চিকিৎসা ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় সুযোগ সুবিধা আদায়, স্পোকেন ইংলিশ, কম্পিউটার ট্রের্নিংসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
প্রবাসে গড়ে ওঠা সকল আঞ্চলিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে “প্রবাসী কল্যাণ ফান্ড” নামে একটি বিশেষ তহবিল গঠন করার ব্যাপারে বাস্তবমুখি পদক্ষেপ গ্রহণ করে প্রবাসীদের জন্য “একটি লিগ্যাল এইড সেন্টার” প্রতিষ্ঠা করার ব্যবস্থা করা।
প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের বাংলাদেশের স্থায়ী রেসিডেন্সীসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য এবং বাংলাদেশে প্রবাসীদের সহায় সম্পত্তি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ফলপ্রসূ আলাপ-আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করা।
জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইস বিমান বাংলাদেশ “নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে” পুনরায় ফ্লাইট চালু করার ব্যাপারে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত মানুষের সেবা ও কল্যাণে গ্লোবাল ওয়ার্মিং ও বাংলাদেশের আর্সেনিকযুক্ত পানি সংকট নিরসনে জাতিসংঘসহ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাথে জোরালো লবিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাংলাদেশের সকল জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সহযোগিতা করা।
আমেরিকায় বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট করতে নিউইয়র্কে একটি বাংলাদেশ লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠাসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা।
বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামুলক বৃত্তি প্রদান করে তাদের মেধা বিকাশে উৎসাহিত করা।
অনলাইনে সদস্যপদ সংগ্রহসহ সকল বাংলাদেশীদের জন্য সোসাইটির সদস্যপদ গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজতর ও সদস্যপদ সবসময়ের জন্য বহাল রাখার ব্যবস্থা করা এবং সোসাইটির আধুনিকীকরণ।
সোসাইটির প্রাক্তন কর্মকর্তাদেরকে সংগঠনের সকল কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত করার ব্যবস্থা করা। প্রাক্তন কর্মকর্তাদের সোসাইটিতে তাদের অবদানের ধারাবাহিকতা সংগঠনের অফিসে সংরক্ষণ করা। সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশ সম্মেলনসহ সকল জাতীয় অনুষ্ঠান ও নিউইয়র্কে বাংলাদেশ প্যারেডের আয়োজনে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা। নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষের সাথে সমম্বয় করে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও সময়ের প্রয়োজনে সোসাইটির গঠনতন্ত্রকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে সত্যিকার অর্থে সোসাইটিকে জবাবদিহিতামূলক প্রবাসী বাংলাদেশী পার্লামেন্টে রূপান্তরিত করা।
কামাল-সানি প্যানেলের প্রার্থীরা হচ্ছেন- সভাপতি কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ-সভাপতি সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক জে মোল্লা সানি, সহ-সাধারণ সম্পাদক আহবার এইচ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদী মিন্টু, কালচারাল সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ার সম্পাদক কাজী তোফায়েল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক কাজী ওয়াহিদ এলিন, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ এনায়েত আলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফারহানা চৌধুরী এবং কার্যকরী সদস্য সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, শাহ মিজানুর রহমান, এয়াকুত রহমান, নাসির উদ্দিন আহমেদ, শেখ ফারুকুল ইসলাম ও নাদির এ আইয়ুব।

কুনু-রহিম পরিষদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
এদিকে, ‘বাংলাদেশীদের মধ্যে সুদৃঢ় সার্বজনীন ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় কুনু-রহিম পরিষদ সর্বদা প্রবাসীদের পাশে’ সেøাগান নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন ‘কুনু-রহীম’ প্যানেলের প্রার্থীরা। কুনু- রহিম পরিষদ তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে উল্লেখ করেন, যে কোনো প্রবাসী বাংলাদেশী, বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য পদ গ্রহণ করার পর থেকে সকল সময়ের জন্য সদসদ্যপদ নথিভুক্ত রেখে নিয়মিত নবায়নের মাধ্যমে ভোটার করার পদক্ষেপ গ্রহণ। সোসাইটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বাৎসরিক সদস্য ফি কমিয়ে ৫ (পাঁচ) ডলার করার পদক্ষেপ গ্রহণ। স্থায়ী শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠায় কমিউনিটি ও কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ। জবের জন্য তথ্য সংগ্রহ করে কমিউনিটিকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান। বাংলাদেশী কমিউনিটিকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য মেলবন্ধন তৈরি করা। সিটি ও স্টেট থেকে কমিউনিটির জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ। বাংলাদেশের ডে উপলক্ষে সম্মিলিতভাবে প্যারেডের আয়োজন করা। নতুন প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের বাংলাদেশী কৃষ্টি ও সংস্কৃতি শিক্ষাদান এবং বাংলা স্কুলের কার্যক্রম আরও জোরদার করা।
কুনু-রহিম প্যানেলের প্রার্থীরা হচ্ছেন- সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এম কে জামান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, কালচারাল সেক্রেটারি মনিকা রায়, প্রচার সম্পাদক খোরশেদ আলম, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ এ হোসাইন বিপ্লব, সাহিত্য সম্পাদক মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সম্পাদক মিয়া মোশাররফ, ক্রীড়া সম্পাদক প্রফেসর ওয়াজি উল্যাহ। কার্যকরী সদস্য আবুল কে চৌধুরী, এ কে এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, আকবর চৌধুরী, এমডি তুহীন আলী, সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ এস হক জামান।
এদিকে দুই প্যানেলেই রয়েছে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়। রয়েছেন সোসাইটির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা। দুই প্যানেলের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই গঠন করা হয়েছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, চালু করা হয়েছে নির্বাচনী অফিসও। জ্যাকসন হাটসের পৃথক দুটি অফিস থেকেই দুই প্যানেলের নির্বাচনী কর্মকা- তদারকি করা হচ্ছে। উভয় প্যানেলের নির্বাচনী কর্মকা-ের অংশ হিসেবে চলছে প্রার্থীদের গণসংযোগ। মূলত সন্ধ্যার পরই জমে উঠছে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ। কমিউনিটির কোনো অনুষ্ঠানের খবর পেলেই উভয় প্যানেলের প্রার্থীরা ছুটে যাচ্ছেন ওইসব সভা-সমাবেশে। মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে প্রচারণা। অপরদিকে সোসাইটির নির্বাচন ঘিরে প্যানেল দুটির নীতিনির্ধারকরা ভোটের হিসাব-নিকাশ শুরু করে দিয়েছেন। এলাকাভিত্তিক ভোটের হিসাব, কাকে প্যানেলে টানলে ভোট পাওয়া যাবে ইত্যাদি নানা হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত তারা। এদিকে, প্রার্থী ও প্যানেল দুটির রং-বেরং-এর পোস্টার সাঁটানো হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে। এর মধ্যে বাঙালী অধ্যুষিত এলাকায়ই প্রচারণা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দু’প্যানেলের সঙ্গে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনের সভা
বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দু’প্যানেলের প্রার্থীদের নিয়ে গত ৬ অক্টোবর বৈঠকে বসেছিলেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক, নির্বাচন কমিশনের সদস্য আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আজিজ, মোহাম্মদ এ হাকিম মিয়া এবং আজমল আলী, সভাপতি প্রার্থী কামাল আহমেদ, আজমল হোসেন কুনু, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী রহিম হওলাদার, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আবদুর রহিম হাওলাদার ও জে মোল্লা সানি সহ উভয় প্যানেলের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে নির্বাচনে ব্রঙ্কসের ভোট কেন্দ্র নিয়ে উভয় প্যানেলের প্রার্থীদের দর কষাকষি হয়েছে। উভয় প্যানেল ব্রঙ্কসে ভোট কেন্দ্র দাবী করেন। নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সোসাইটির সংবিধান অনুযায়ী ৫০০ বেশী ভোটার না থাকলে সেখানে ভোটকেন্দ্র দেয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে কুইন্স ও ব্রুকলীনে দুটি ভোট কেন্দ্র হবে।
বৈঠকে ব্যালট পেপারে আগে কার নাম থাকবে এই প্রশ্ন নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা হয়। এসময় সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু বলেন, আমার মামা কামাল আহমেদের নাম আগে দেন। এসময় কামাল আহমেদ উঠে গিয়ে আজমল হোসেন কুনু কে ধন্যবাদ জানান। নির্বাচন কমিশনও ধন্যবাদ জানান আজমল হোসেন কুনুকে।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
নিউইয়র্ক: কামাল-সানী পরিষদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি আলোচনার জন্য নির্বাচন কমিশন যে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে সে বিষয়ে গত বুধবারের একটি পত্রিকায় ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কামাল-সানী পরিষদের নির্বাচন প্রার্থীদের জড়িয়ে অসত্য, অশালীন ও বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা কামাল-সানী পরিষদ এ মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ এবং নিন্দা জানাচ্ছি। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, গত ৬ অক্টোবর সোমবার সোসাইটির নির্বাচন কমিশন আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেয়া প্যানেলের প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত দেয়ার জন্য সোসাইটির অফিসে আমন্ত্রণ জানান।
সেখানে কমিশনের সাথে আলোচনার দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের প্রধান নূরুল হক সোসাইটির গঠনতন্ত্রের একটি উপধারা উল্লেখ করে ব্রঙ্কসে নির্বাচন কেন্দ্র স্থাপনের দাবি সরাসরি নাচক করে দেন। নির্বাচনের কমিশনের সদস্য এম আজিজ প্রার্থীদের বক্তব্য শোনার সামান্য ভদ্রতা না দেখিয়ে আকস্মিক বৈঠকের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অথচ এই নির্বাচন কমিশনই প্রায় ৪ মাস পূর্বে তার নির্বাচনী বাই’লতে ব্রঙ্কস, কুইন্স এবং ব্রুকলিনে নির্বাচনী কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানান। অথচ ওইদিন তিনি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের উদাহরণ টেনে ব্রঙ্কসে নির্বাচন কেন্দ্র স্থাপন না করার পূর্বে নেয়া সিদ্ধান্তেরই বাস্তবায়ন করেছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সোসাইটির গঠনতন্ত্রের বাই’লতে গত বছরের সাধারণ সভার একটি ধারা সংযোজিত হয়েছে মাত্র। এখানে বলা হয়েছে যে, ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের জন্য ৫শ ভোটার থাকতে হবে। সাথে সাথে এ কথাও বলা হয়েছে যে, নিউইয়র্কের পার্শ¦বর্তী রাজ্য কানেকটিকাট, নিউজার্সি ও পেনসিলভেনিয়ার ভোটাররা ওই কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন। সেখানে ব্রঙ্কসের ভোটার এবং অপর তিনটি রাজ্যের ভোটার নিয়ে মোট ভোটারের সংখ্যা ৬শ ছাড়িযে যায়। আর এবার শুধু ব্রঙ্কসেই ভোটার রয়েছেন ৪৬৯ জন।
সে কারণেই কামাল-সানী পরিষদের প্রার্থীরা ব্রঙ্কসে কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনকে মাত্র ৩-৪ জন সদস্য যুক্তি, তথ্য এবং প্রমাণাদি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছে মাত্র। সেখানে কমিশনের সদস্যদের সাথে দুর্ব্যবহারের প্রশ্নই ওঠে না। বরং কমিশনের সদস্য এম আজিজ মিটিংয়ে কথা বলার কোনো সুযোগ না দিয়ে আকস্মিক মিটিং বন্ধ ঘোষণা করেন। এ সময় কামাল-সানী পরিষদের প্রার্থীরা কমিশনের সদস্য এম আজিজের এই আচরণের প্রতিবাদ জানিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন।
এখানে হইচই, চিৎকার চেঁচামেচি বা কাউকে অপমান করার কোনো অবকাশ নেই। এছাড়াও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনার ভবনের নিচে রাস্তায় নেমে এম আজিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
এমনকি নির্বাচন কমিশনের সদস্য এম আজিজ মঙ্গলবার স্বয়ং কামাল-সানী পরিষদের জনৈক কর্মকর্তাকে ফোন করে তার আচরণের জন্য দুুঃখ প্রকাশ করেন। সুতরাং কামাল-সানী পরিষদের কোনো প্রার্থী কমিশনের সাথে কোনোক্রমেই দুর্ব্যবহার করেনি।
অতএব বুধবারের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসত্য এবং ভিত্তিহীন। আমরা প্রকাশিত ওই সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

নিউইয়র্কে কামাল-সানি প্যানেলের ব্যাপক গণসংযোগ
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কামাল-সানি প্যানেলের প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে মুসল্লিদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ছাড়াও তারা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। শনিবার, রোববার এবং সোমবার কামাল-সানি প্যানেলের পক্ষে ব্রঙ্কস, ওজনপার্ক, উডসাইড, এস্টেরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক প্রোগ্রামেও ব্যাপক গণসংযোগ করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ প্যানেলের প্রার্থীদের অনুকূলে জনমত সৃষ্টির উদ্দেশে নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকায় এ গণসংযোগ চালানো হয়।
ব্রঙ্কসে গোল্ডেন প্যালেস পার্টি হলে গত শনিবার সন্ধ্যায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে ‘কামাল-সানি’ প্যানেলের পক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে ভোটপ্রার্থনা করা হয়। এ সময় ‘কামাল-সানি’ প্যানেলের প্রার্থীরা ছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট জাকির খান, সাখাওয়াত আলী, আব্দুল বাছির খান, নুর উদ্দিন, আব্দুল গাফফার খসরু, বাহারুল ইসলাম শামীম, শামসুল ইসলাম, টিপু চৌধুরী, আব্দুল বাসিত, নুরে আলম জিকুসহ অন্যরা।
নর্থ ব্রঙ্কসে ‘কামাল-সানি’ প্যানেলের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয় রোববার। এ সময় প্রার্থীরা ছাড়াও অংশ নেন সৈয়দ বশারত আলী, আবদুর রহিম বাদশা, আবদুল মোসাব্বির, আবদুল হাসিম হাসনু, ময়েজ উদ্দিন লুলু, আবদুল গাফ্ফার খসরু, নুরুল এহিয়া, ইকবাল আহমেদ, বাছির খান, রিয়াজ উদ্দিন কামরান, নূরে আলম জিকু, বখতিয়ার খোকন, মিজান ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, আবদুল মুকিত চৌধুরী, ফখর উদ্দিন, শামিম আহমেদ, জাকির আহমেদ, তানিম চৌধুরী, জয়নুল চৌধুরী, দলা মিয়া, কয়ছরসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
ওজনপার্কে কামাল-সানি প্যানেলের পক্ষে গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয় গত সোমবার। প্রার্থীরা ছাড়াও এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিয়ানীবাজার সমিতির সভাপতি আজিমুর রহমান বোরহান, মকবুল রহিম চুনুই, আজিজুর রহমান সাবু, শামিম আহমেদ, আলিম উদ্দিন, হেলিম উদ্দিন, ফখর উদ্দিন, জাকির হোসেনসহ কমিউটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
জনসংযোগের সময় কামাল-সানি পরিষদের প্রত্যেক প্রার্থীর সততা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বাংলাদেশী কমিউনিটির ভোটারদের কাছে তুলে ধরা হয়। তারা বলেন, আমরা নিষ্ঠা, সততা ও ঐক্যে বিশ্বাসী। গণসংযোগকালে সোসাইটির ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
গণসংযোগকালে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং ‘গড ফাদার’ মুক্ত প্রতিনিধিত্বশীল বাংলাদেশ সোসাইটির প্রত্যাশায় কামাল-সানি প্যানেলের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় তারা বলেন, আমরা নিষ্ঠা, সততা ও ঐক্যে বিশ্বাসী।
এসব নির্বাচনী গণসংযোগকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘কামাল-সানি প্যানেলের’ নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. খন্দকার মাসুদুর রহমান, মেম্বার সেক্রেটারি আলী ইমাম শিকদার, সদস্য বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ হোসেন খান, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আহমেদ, আব্দুল হাসিম হাসনু, কমিউনিটি নেতা আজিজুর রহমান পাখি, সুনামগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি জুসেফ চৌধুরী, সাবেক কর্মকর্তা খান শওকত প্রমুখ।
গণসংযোগকালে কামাল-সানী পরিষদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ভোটারদের সামনে তুলে ধরা হয়। এসময় ভোটাররা কামাল-সানী পরিষদের প্রতি তাদেও অকুন্ঠ সমর্থনের কথা জানান।

কুনু-রহিম পরিষদের সপ্তাহব্যাপী ব্যাপক গণ-সংযোগ
নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিকারী কুনু-রহিম পরিষদের প্রার্থীরা নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় সপ্তাহব্যাপী নির্বাচনী গণ-সংযোগ চালিয়েছেন।
কুনু-রহিম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম হাওলাদারসহ পরিষদের অন্যান্য প্রার্থীরা ৭ অক্টোবর জ্যামাইকার স্টার কাবাব রেস্টুরেন্টে এক নির্বাচনী আলোচনা সভায় মিলিত হন। কুমিল্লা মহানগর এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার খান বাবুর পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুনু-রহিম নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কাজী আজহারুল হক মিলন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব আতাউর রহমান আতা, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম হাওলাদার, সিনিয়র সহসভাপতি পদপ্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম, সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ফারুক হোসেন মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলী, সংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী এম. কে. জামান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ মোশাররফ হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক পদপ্রার্থী সোহরাব হোসেন, প্রচার ও গণসংযোগ সম্পাদক পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম, কার্যকরী সদস্য পদপ্রার্থী তুহিন আলী, আবুল কাশেমসহ অন্য প্রার্থীরা।
অনুষ্ঠানে সোসাইটির বিপুল সংখ্যক সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজকি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কুনু-রহিম পরিষদের অনুকূলে বক্তব্য রাখেন। এরা হলেন কুমিল্ল¬া মহানগর সোসাইটির দফতর সম্পাদক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন, লুৎফর রহমান মাইনু, মাইনুল ইসলাম মহিত, আবদুল বাতেন সরকার, সাঈদুল ইসলাম টিপু, জ্যামাইকার শাহীন কামাল, বাবু আহমেদ, হেলালুর রহমান, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
প্রত্যেক বক্তাই কুনু-রহিম পরিষদের প্রার্থীদেরকে সৎ ও যোগ্য হিসেবে বর্ণনা করে তাদের ভোট দেয়ার জন্য সোসাইটির সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভোটার কুনু-রহিম পরিষদেন প্রার্থী ও অন্য বক্তাদের বক্তব্য শোনেন এবং কুনু-রহিম পরিষদের প্রতি সমর্থন জানান।
এর আগে পুরো সপ্তাহজুড়ে কুনু-রহিম পরিষদের প্রার্থীরা ব্রঙ্কস, জ্যাকসন হাইট্স, উডসাইড প্রভৃতি এলাকায় নির্বাচনী গণ-সংযোগ চালান। এসব স্থানে তারা বাংলাদেশ সোসাইটির ভোটারের সাথে মত-বিনিময় করেন। সপ্তাহব্যাপী এ গণ-সংযোগে কুনু-রহিম পরিষদের প্রার্থীরা ভোটারদের কাছ থেকে বিপুল সাড়া পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

ব্রঙ্কস এবং ব্রুকলীনের চার্চ ম্যাকডোনাল্ডে ভোট কেন্দ্র অনুমোদন দেয়নি নির্বাচন কমিশন

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনের এক সভা গত ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এস্টোরিয়ার একটি রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হকের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আজিজ, মোহাম্মদ এ হাকিম মিয়া এবং আজমল আলী। কমিশন সূত্র জানায়, আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্রঙ্কস এবং ব্রুকলীনের চার্চ ম্যাকডোনাল্ডে ভোট কেন্দ্র স্থাপন নিয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সোসাইটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৫০০ এর বেশী ভোটার না থাকায় ওই এলাকা দু’টিতে ভোটকেন্দ্র অনুমোধন না দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এবারের নির্বাচনে কুইন্স ও ব্রুকলীনে দুটি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV