Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাড়িভাড়ার অনুদানের জন্য আবেদন শুরু

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 24 বার

প্রকাশিত: July 19, 2020 | 12:24 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে ‘ইমার্জেন্সি রেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোকে বাড়ি ভাড়া দিতে সহায়তা করতে। নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বিলে স্বাক্ষর করার পর ইতিমধ্যে তা আইনে পরিণত হয়েছে। করোনাকালে বাড়ি ভাড়া দিতে যারা খুব বেশি আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন, সেই সব ব্যক্তি ও পরিবারের বাড়ি ভাড়া পরিশোধে সরাসরি সহায়তা দেওয়া হবে। এই প্রোগ্রামটি কেয়ার্স অ্যাক্টের একটি অংশ, যা করোনাভাইরাস রিলিফ ফান্ডের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। প্রোগ্রামটি নিউইয়র্ক স্টেট হোমস ও কমিউনিটি নবায়ন দ্বারা পরিচালিত। এই প্রোগ্রামের আবেদন ১৬ জুলাই থেকে গ্রহণ করা হচ্ছে।

কর্মসূচির আওতায় যোগ্য পরিবারগুলো বাড়ির মালিক এবং ভাড়াটেদের এককালীন ভাড়া ভর্তুকি দেবে। ভাড়াটেদের এই সহায়তা শোধ করতে হবে না। এতে আবেদনকারীদের অবশ্যই কিছু প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।

প্রোগ্রামে আবেদন করতে প্রথমেই হাউজহোল্ড ইনকাম দেখা হবে। ২০২০ সালের ১ মার্চের আগে ও আবেদনের সময় পরিবারের আয় (বেকারত্ব সুবিধাসহ) এলাকাভিত্তিক মধ্যম আয়ের ৮০ শতাংশের নিচে হতে হবে। এখানে দুটি বিষয় বিবেচনায় রাখা হবে, আবেদনকারী কোন কাউন্টিতে বসবাস করছেন এবং তার পরিবাদের সদস্য সংখ্যা। আবেদনকারীরা এখানে এইচসিআরের ওয়েবসাইটে পরিবারের আকারের ওপর ভিত্তি করে তাদের কাউন্টির মেডিয়ান আয়ের সন্ধান করতে পারেন।

আরেকটি হল—২০২০ সালের ১ মার্চের আগে ও আবেদনের সময় আবেদনকারীকে অবশ্যই মোট মাসিক আয়ের ৩০ শতাংশের বেশি ভাড়া প্রদান হিসাবে সংজ্ঞায়িত হতে হবে। অর্থাৎ, আপনার দুটি বিষয় এখানে দেখা হবে। এক. আপনার এলাকার মেডিয়ান আয় ৮০ শতাংশের নিচে কিনা এবং আপনি আয়ের ৩০ শতাংশের বেশি বাড়িভাড়া দিচ্ছেন কিনা। আবেদনকারীদের অবশ্যই এপ্রিল ১ থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আর্থিক আয় হারিয়েছেন কিনা, সেটা দেখাতে হবে। আবেদনের সময়সীমা দুই সপ্তাহের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এই আবেদনটি করার জন্য প্রত্যেককে পার্সোনাল রেসপন্সিবিলিটি অ্যান্ড ওয়ার্ক অপরচুনিটি রিকনসিলিয়েশন (পিআরডব্লিউপিআরএ) অ্যাক্টের উপযুক্ত হতে হবে। পিআরডব্লিউপিআরএ অ্যাক্ট ১৯৯৬ আমেরিকার একটি ফেডারেল আইন যা বৃহৎ কল্যাণ সংস্কার হিসাবে বিবেচিত হয়। এটি অভাবী পরিবারগুলোর জন্য অস্থায়ী সহায়তা দেয়। এই আইনের ভিত্তিতে আমেরিকার নাগরিক, গ্রিনকার্ডধারী, অ্যাসাইলাম মঞ্জুর হয়েছে এমন লোকজন আবেদন করতে পারবেন। যারা অ্যাসাইলাম অ্যাপ্লিকেন্ট, যাদের আবেদন পেন্ডিং আছে—এমন ব্যক্তিরা এই আবেদন করতে পারবেন না।

যারা ভাওয়া (VAWA) আইনের অধীনে আছেন, তাদের কেস (আই–৩৬০) আপ্রুভ হলে আবেদনটি করতে পারবেন। কিংবা যদি আই-৩৬০ স্থগিতও থাকে এবং তারা আদালতের মাধ্যমে কোন ‌অনুমোদন এভিডেন্স পেয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রেও তারা আবেদনটি করতে পারবেন। এ ছাড়া ভিকটিম অফ হিউম্যান ট্রাফিকিং, ডিপোর্টেশন অ্যান্ড রিমুভল উইথহেল্ড, পেরোলে ভিসাতে এক বছরের বেশি যারা আছেন, তারা সবাই এটার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পেরোলে এক বছরের নিচে যারা আছেন, তারা আবেদনের জন্য যোগ্য নন।

যদি কেউ ইউ ভিসায় থাকেন, অ্যাসাইলাম অ্যাপ্লিকেশনে পেন্ডিং থাকেন, কে-থ্রি বা কে-ফোর ভিসায় থাকেন, টিপিএস ভিসায় থাকেন, আই টুয়েন্টিতে বৈধ স্টুডেন্ট ভিসায় থাকেন, তারা এলডিএসএসের চার্ট অনুযায়ী আবেদনটি করতে পারবেন না।

কম উপার্জনকারীদের জন্য এই বাড়ি ভাড়ার আবেদনে এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত ৪ মাসের ভাড়া বরাদ্দ করা হয়েছে। যদি এর মধ্যে কেউ নিয়মিত বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করে থাকেন, তবুও তিনি এই আবেদন করতে পারবেন এবং প্রোগ্রামের নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত হলে পুরো সুযোগ পাবেন। যেহেতু ভাড়া আবেদনকারী নয়, বাড়ির মালিকের হাতে দেওয়া হবে এবং ইতিমধ্যে আবেদনকারী বিগত চার মাসের ভাড়া পরিশোধ করে দিয়েছেন, সে ক্ষেত্রে তিনি ভাড়াটা সিকিউরিটি ডিপোজিটে রাখতে পারবেন কিংবা সামনের মাসের অগ্রিম ভাড়া পরিশোধে ব্যবহার করতে পারবেন।

জানা দরকার, বাড়ি ভাড়ার প্রোগ্রামটি পুরো বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করবে না। দুটি রেন্ট বার্ডেনের হিসাবের ওপর অর্থাৎ মার্চ ২০২০ রেন্ট বার্ডেন ও বর্তমান মাসের রেন্ট বার্ডেনকে বিয়োগ করে যা পরিমাণ আসবে, সেটাই দেওয়া হবে ভাড়াটিয়াদের।

ধরুন, মার্চ মাসে আপনার আয় ছিল দুই হাজার ডলার। আপনার বাড়ি ভাড়া ছিল ৭০০ ডলার। এখানে ৭০০ ডলার হচ্ছে আপনার ২ হাজারের ৩৫ শতাংশ। কাজেই ৩০ শতাংশ বাদ দিলে এখানে আপনার রেন্ট বার্ডেন হচ্ছে ৫ শতাংশ।

এটা তো গেল মার্চের প্রথম রেন্ট বার্ডেনের হিসাব। এবার আসি দ্বিতীয় রেন্ট বার্ডেনের হিসাবে। ধরুন, আজ মহামারির কারণে আপনার আয় কমে হয়েছে ১ হাজার। ভাড়া সেই ৭০০ ডলার অব্যাহত। এ ক্ষেত্রে আপনার ৩০ শতাংশ হিসাবে ভাড়া আসে ৩০০ ডলার, কিন্তু আপনি দিচ্ছেন ৭০০ ডলার। তার মানে আপনার রেন্ট বার্ডেন হল ৩৫ শতাংশ। এখানে আপনার রেন্ট বার্ডেন অনেক বেড়ে গেছে। এখন আজকের এই ৩৫ শতাংশ থেকে মার্চের ৫ শতাংশ বিয়োগ করে যে ৩০ শতাংশ পরিমাণ আসবে, আপনাকে সেটাই দেওয়া হবে। সম্পূর্ণ বাড়ি ভাড়া নয়।

এই আবেদনটি জমা করতে আপনাকে পরিবারের সদস্য কতজন তা প্রমাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনার যা যা প্রয়োজন তা হল, ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট, ট্যাক্স ফাইল, লিজ পেপার, পে-স্টাবলগুলো তৈরি রাখা। বর্তমান আয়ে বেকার ভাতা যোগ হবে, এখানে পাবলিক বেনিফিট অ্যাসিস্ট্যান্স যোগ হবে না। ল্যান্ড লর্ড ও আবেদনকারী দুজনকেই সম্মিলিতভাবে ফরমটি পূরণ করতে হবে। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সংস্করণ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ