Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে মতবিনিময় সভায় স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নারী ক্ষমতায়নে বাংলদেশ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 139 বার

প্রকাশিত: November 15, 2013 | 3:43 PM

সাখাওয়াত হোসেন সেলিম : বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের আমলে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার সকল স্তরে বাংলাদেশের নারীরা অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করেছে। এর ফলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। সকল ক্ষেত্রেই নারীরা তাদের যোগ্যতার প্রমাণ রেখে নিজের মর্যাদা আদায় করে নিয়েছেন । এর ফলে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায়ই শুধু নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এমনকি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশী নারীর সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আর এভাবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের নারী বান্ধব নীতিমালার কারণে গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নারীর ক্ষমতায়ন ঘটেছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম নারী স্পীকার, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী উপরোক্ত মন্তব্য করেন। মিশনের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় আরও অংশ গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী। জাতিসঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রবাসের আওয়ামীলীগ দলীয় কর্মী সমর্থক ছাড়াও নিউইয়র্কের বাংলা মিডিয়ার বেশ কয়েকজন সম্পাদক- সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী জানান ,জাতিসংঘে ইন্টারপার্লামেন্টারী ইউনিয়নের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে তিনি বর্তমানে নিউইয়র্ক সফর করছেন। এ উপলক্ষে তিনি নারী স্পীকারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের একটি বিশেষ সম্মেলনেও ভাষণ দান করেছেন। অনুষ্ঠানে স্পীকারের সূচনা বক্তব্যের পর উপস্থিত সুধী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। বক্তাদের সকলেই বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পীকার নির্বাচিত হওয়ায় ড. শিরীণ শারমিন চৌধুরীকে অভিনন্দন জানান।
জাতিসংঘের ইকোসক চেম্বারে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম মহিলা স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এদিন সকাল সাড়ে ৯ টায় ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়ন এর উদ্বোধনী সভায় যোগদান করেন। জাতিসংঘের এ সভায় পার্লামেন্টারী ইউনিয়ন বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রসংসা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ সাধারন পরিষদের সভাপতি জন এ্যাসলে, ইকোসকের সভাপতি এম্বাসেডর নেস্টার অসরিয়া এবং ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়ন এর প্রেসিডেন্ট আব্দুল ওয়াহেদ রেডী। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ কে আব্দুল মোমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১২ টায় স্পীকার জাতিসংঘ সাধারন পরিষদের প্রেসিডেন্ট জন এ্যাসলের আমন্ত্রনে তার দপ্তরে এক সভায় মিলিত হন।
তাছাড়া জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আজ জাতিসংঘে ‘এমডিজিস ইন এলডিসিজ- লেসন লার্নড এন্ড বেস্ট প্র্যাকটিসেজ’ সংক্রান্ত এক সাইড ইভেন্ট এর আয়োজন করে। এতে স্পীকার মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইভেন্টটির সঞ্চালনায় ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ কে আব্দুল মোমেন। অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারী জেনারেল এম্বাসেডর জ্ঞান চন্দ্র আচারিয়া, ইকোসকের প্রেসিডেন্ট নেস্টার অসরিয়া, এম্বাসেডর থমাস মির হার্টিং এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী। সভায় মূল যে দিকটি আলোচনায় উঠে আসে তা হল এলডিসিতে বাংলাদেশের সাফল্য যা জাতিসংঘকে অভিভূত করেছে। সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনে বাংলাদেশের বড় সাফল্য রয়েছে।
বাংলাদেশ মিশনে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স প্রতিনিধিদল বিকেল সোয়া ৪ টায় স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। তারা নিজের দেশকে বিভিন্নভাবে সহায়তার আশ্বাস দেন। তারা প্রবাসে থেকেও আজ দেশের উন্নয়নে তাদের সুদুর প্রসারী হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সর্বক্ষেত্রে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV