নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে তুষার সরাতে বেলচা হাতে জেবিবিএ নেতৃবৃন্দ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : জমে থাকা তুষার সরাতে রাস্তায় নামলেন জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন অব এনওয়াই ইনক (জেবিবিএ)-এর নেতৃবৃন্দ। নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের প্রাণকেন্দ্র, ব্যবসাস্থল জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রীটে জেবিবিএ প্রেসিডেন্ট জাকারিয়া মাসুদ জিকো’র নেতৃত্বে বেলচা হাতে নেমে পড়েন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। জনসাধারন এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের চলাচলের সুবিধার জন্য গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নেতৃবৃন্দ এলাকার ফুটপাথ, ড্রাইভওয়ে সহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা তুষার পরিষ্কার করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে জেবিবিএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোল্লা এম মাসুদ, জেনারেল সেক্রেটারি তারেক হাসান খান, ট্রেজারার মো: হারুন সেলিম, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম (জাকির), কার্যকরী সদস্য মোশাররফ হোসেন ও আব্দুল আলীম এবং খামারবাড়ির অন্যতম কর্ণধার কামরুজ্জামান কামরুল।
গত ২২ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের উপর দিয়ে বয়ে যায় স্মরণকালের তুষার ঝড়। দু’দিনব্যাপি এ ঝড়ে জ্যাকসন হাইটসের প্রাণকেন্দ্র ৭৩ স্ট্রীটের চিত্র বদলে যায়। পুরো স্ট্রিট প্রায় ৩ ফুট তুষারের নীচে চাপা পড়ে। রোববার গুটি কয়েকটি দোকান-পাট খুললেও ক্রেতার দেখা মিলেনি। সোমবার থেকে তুষারের ওপর হেটে অনেকেই আসেন জরুরি কেনা-কাটা করতে। গাড়ি চলাচল সেদিনও স্বাভাবিক হয়নি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭৩ স্ট্রীটে লোকবল ও গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় এগিয়ে আসেন জেবিবিএ নেতৃবৃন্দ। অনেকেই সড়কটির একপাশ থেকে আরেকপাশে যেতে পারছিলেন না। গাড়ি পার্কিং করতে পাছিলেন না। এ পরিস্থিতিতে জেবিবিএ নেতৃবৃন্দ তুষার সরাতে হাতে বেলচা নেন। তাদের এ কর্মকান্ডকে স্বাগত জানান এলাকার ব্যবসায়ি, দোকান মালিক এবং ক্রেতারা। তারা জেবিবিএ’র এ ধরনের কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত বয়ে যাওয়া তুষার ঝড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। জরুরি কাজ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাইরে বেরুয়নি। রোববার সিটির বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে, মূল সড়কগুলো থেকে বরফের স্তুপ সরিয়ে গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করতে ব্যস্ত সময় কাটায় সিটির কর্মীরা। তবে মূল সড়কগুলো থেকে যোগাযোগের অন্যান্য সড়কগুলোর ছিল করুন অবস্থা। ৩ থেকে ৪ ফুট বরফে আচ্ছ্বাদিত সড়কগুলোতে থাকা যানবাহনগুলোও বরফে আচ্ছ্বাদিত হয়ে থাকে। একই পরিস্থিতি ছিল ৭৩ ও ৭৪ স্ট্রীটে। যাদের জরুরী প্রয়োজন ছিল তারা এক হাটু বরফ ডিঙ্গিয়ে বেশ ঝুঁকির মধ্যে আসেন বাজার করতে। শনিবার জরুরি অবস্থা জারি করার পর নিউইয়র্ক, জর্জিয়া, টেনেসী, পেনসিলভেনিয়া, ম্যারিল্যান্ড, কেন্টাকি, নর্থ ক্যারলিনা, নিউজার্সী, দেলওয়ারে, ভার্জিনিয়া, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসি রাজ্যে কার্যত: সাড়ে ৮ কোটি মানুষ গৃহবন্দি হয়ে পড়েন। এরমধ্যে বাংলাদেশী-আমেরিকানের সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত কুইন্স, ব্রুকলীন, ব্রঙ্কস এলাকাকে মার্কিন মিডিয়াগুলো সেসময় ভুতুরে শহর হিসেবে অভিহিত করে। তুষার ঝড়ের পর জ্যাকসন হাইটস্ এলাকায় রেস্টুরেন্টগুলোর মধ্যে যে কয়েকটি খোলা ছিল, সেগুলোতে সারাদিনে গ্রাহকের সংখ্যা ছিল নগন্য। জেবিবি’র উদ্যোগে ৭৩ স্ট্রীটের বিভিন্ন স্থানে তুষার সরানোর পর ক্রেতাদের গাড়ি পার্কিংসহ অনেককে স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে।
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ