Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র উদ্যোগে ঐতিহাসিক বদর দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 180 বার

প্রকাশিত: June 23, 2016 | 4:20 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র উদ্যোগে ঐতিহাসিক বদর দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। যথাযথ ধর্মীয় উদ্দীপনা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে গত বুধবার এস্টেরিয়ার গাউসিয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় এ ব্যতিক্রমী আয়োজন। ইফতারের পূর্বে পবিত্র কুরআন-হাদিসের আলোকে ঐতিহাসিক বদর দিবসের তাৎপর্য ও রমজানের গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদরা। তারা বলেন, ইসলামের ইতিহাসে দ্বিতীয় হিজরির ১৭ ই রমজান ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ দিনটি বদর দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে। বক্তারা বলেন, মুসলমানদের সাথে বিধর্মীদের সংঘটিত যুদ্ধগুলোর মধ্যে বদরের যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ। বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা ছিল ৩১৩ জন অপরপক্ষে কাফেরদের সংখ্যা ছিল ১ হাজার। এ অসম যুদ্ধে মুসলমানগণ বিজয়ী হন । বদরের যুদ্ধে যদি মুসলমানগণ পরাজিত হতেন তাহলে মহান আল্লাহকে ডাকার মতো কোনো লোক এই পৃথিবীতে থাকত কিনা তা কেবল সেই মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কারো জানা ছিল না।

প্রবাসের অন্যতম ইসলামিক সংগঠন আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল কাশেম ইয়াহইয়ার পরিচালনায় এবং আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র সভাপতি মাওলানা মঈন উদ্দীন মুহাদ্দিসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি আল্লামা জালাল সিদ্দিক।
মাহফিলে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্জুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেটের সভাপতি মাওলানা শাব্বির আহমেদ, আইটিভির মাওলানা শহীদ উল্লাহ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তি ও মানবতার ধর্ম। ইসলামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই। কোন প্রকৃত মুসলমান কখনো সন্ত্রাস ও মানুষ হত্যা করতে পারে না। যারা ইসলামের নামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে লিপ্ত হয়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি সাধন করে তারা ইসলামের দুষমন। ইসলাম ও জিহাদের ছদ্মনামে নিরপরাধ মানুষ হত্যা ইসলাম ও মুসলিম মিল্লাত এবং সমগ্র মানবতাকে মহাবিপন্ন করে তুলেছে। তারা বলেন, ইসলামের সুমহান শান্তি ও সহমর্মিতার শিক্ষা কথায় নয় বাস্তব জীবনে অনুস্মরণের মাধ্যমে সবার সামনে তুলে ধরলে ইসলাম সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দূর হবে। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই বিশ্ব শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে।
আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউএসএ’র সদস্যরা ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মুসল্লী অংশ নেন। পরে মুসলিম উম্মাসহ বিশ্ব মানবতার শান্তি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV