নিউইয়র্কে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অভিবাসী গ্রেপ্তার বেড়েছে ব্যাপকভাবে
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : নিউইয়র্কের বিভিন্ন আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অভিবাসী গ্রেপ্তার করার ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গত বছর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মাত্র ১১ জনকে গ্রেপ্তার কিংবা গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছিল ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টরা। এ বছর এরই মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ১১০ টি। এ হিসাবে গত বছরের তুলনায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের পরিমাণ বেড়েছে ৯০০ শতাংশ।
২০ নভেম্বর ব্রুকলিনের আদালত প্রাঙ্গণ থেকে এক অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এ বছর নিউইয়র্কে এভাবে এখন পর্যন্ত মোট ১১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন আইসিই এজেন্টরা। অথচ গত বছর এমন গ্রেপ্তারের সংখ্যা ছিল মাত্র ১১। এর মাধ্যমে অভিবাসীদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ইমিগ্রান্ট ডিফেন্স প্রোজেক্টের (আইডিপি) আইনজীবী লি ওয়াং নিউইয়র্ক ডেইলিকে বলেন, ‘আইসিইর কোর্টহাউস গ্রেপ্তার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আর এটি অভিবাসন অধিকার খর্বের এক নতুন যুগের বার্তা দিচ্ছে সবাইকে, যা নিঃসন্দেহে ভয়াবহ। কারণ পারিবারিক, ফৌজদারি কিংবা যেকোনো ধরনের আদালতে বিচার চাইতে গিয়ে কোনো অভিবাসীরই গ্রেপ্তারের ভীতি থাকা উচিত নয়। অথচ আইসিইর বর্তমান কর্মকাণ্ড অভিবাসীদের মনে এই ভয়টিই ঢুকিয়ে দিচ্ছে।’
আইডিপির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ বছর আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া অভিবাসীদের ২০ শতাংশের বিরুদ্ধেই কোনো অপরাধ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নেই। কেউ কেউ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে আদালতে এসেছিলেন। এমনকি পারিবারিক আদালতের প্রাঙ্গণ থেকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই আইসিইর অভিবাসী বিরোধী কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। অনিবন্ধিত অভিবাসীদের ধরতে নজিরবিহীন অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্র আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান ব্যাপক মাত্রা পেয়েছে। এ বিষয়ে অভিবাসন আইনজীবীরা ক্রমাগত উদ্বেগ প্রকাশ করলেও আইসিইর পক্ষ থেকে এটিকে নিজেদের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড হিসেবেই দাবি করা হয়েছে।
আইসিইর মুখপাত্র নিউইয়র্ক ডেইলিকে বলেন, অঙ্গরাজ্যের সব বিধি মেনেই এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে।
কিন্তু সংস্থাটির এ দাবি বিপরীতে লিগ্যাল এইড সোসাইটির ক্রিমিনাল ডিফেন্স প্র্যাকটিসের অ্যাটর্নি ইন চার্জ টিনা লুওঙ্গো বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে অভিবাসীদের অধিকারকে খর্ব করে। এ ধরনের অভিযানের আইনি ভিত্তি কতটা সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত আলবেনি থেকে আসা উচিত। কারণ এ ধরনের গ্রেপ্তার অভিবাসীদের ভীষণভাবে আতঙ্কিত করছে।’ নিউইয়র্ক ডেইলি
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ