নিউইয়র্কে কবি ঔপন্যাসিক নবনীতা দেব সেন
নিউইয়র্ক (এনআরবি নিউজ) : ‘বাংলাদেশের বাংলা পাল্টে যাচ্ছে। অ-বাংলা শব্দে ভর্তি। পাঞ্জাবী, উর্দু শব্দ ছাড়াও প্রচুর আঞ্চলিক শব্দের আধিক্য এখন বাংলাদেশের সাহিত্যে’। ১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার কবি ঔপন্যাসিক নবনীতা দেবসেন নিউইয়র্কের মুক্তধারা আয়োজিত এক সাহিত্য সভায় এমন অভিমত পোষণ করেন। মুক্তধারার প্রেসিডেন্ট বিশ্বজিত সাহার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রাণবন্ত এ সভায় বাংলাদেশের সাহিত্য, পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য, প্রবাসের সাহিত্য, ভাষার পরিবর্তন, স্মৃতিচারণ, দেশভাগ ইত্যাদি প্রসঙ্গে আলোকপাতের পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন কলকাতার এই লেখিকা। নিউইয়র্কের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কবি, লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাহিত্য-সংস্কৃতি কর্মীরা এতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, সাহিত্য নিয়ে কথকতা ছাড়াও ছিল অটোগ্রাফ প্রদান।
প্রবাসে দৈবের বশে’র লেখক নবনীতা দেব সেন ১৯৫৯ সালে প্রথম আমেরিকায় এসেছিলেন। তাঁর জীবনের অনেক সময় তিনি অতিবাহিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি বলেন, ‘তবে আমি কখনো আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারিনি। মানুষ প্রবাসী হয় নিজের সিদ্ধান্তে। তাঁর হৃদয়ে ধারণ করে প্রবাস জীবন। আবার সে হৃদয়ে মাতৃভূমিও ধারণ করে।’ অমর্ত্য সেনের সাথে যখন তিনি আমেরিকায় দীর্ঘদিন বসবাস করেছেন, সে সময়ে তাঁদের সন্তানসহ বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন নবনীতা দেবসেন। তিনি বলেন, ‘এক সময় যখন আমেরিকায় আসতাম তখন বাংলা বইয়ের প্রতিষ্ঠান বা বাংলা বইমেলা হবে এটা ছিল কল্পনার বাইরে। আজ আমাদের লেখা অক্ষরগুলো নিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থরাশি আমেরিকায় দেখে আমি অভিভূত। তাই আমেরিকায় আসলেই বারবার ছুটে আসি মুক্তধারায়।’ কবি নরেন্দ্র দেব ও রাধারানী দেবীর কন্যা নবনীতা দেবসেন বলেন, ‘ভাষার জন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। কোন ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য বড় গৌরবের।’
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!
