Thursday, 25 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে ‘জার্নি টু জাস্টিস’ : সরকার-নাগরিক সমাজ একসঙ্গে লড়ছে বলে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 55 বার

প্রকাশিত: September 24, 2016 | 1:26 PM

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক : ‘যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবীর বলেছেন, ‘সভ্যতার বোধ সৃষ্টির জন্যেই একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের বিকল্প ছিল না। বিচার না হলে গণহত্যা রোধ করা সম্ভব হয় না। ঘাতকেরা আবারো হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠতো।’ ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের একটি মিলনায়তনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নিউইয়র্ক শাখার এ অনুষ্ঠানের শুরুতে চলচ্চিত্রকার ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর নির্মিত ‘জার্নি টু জাস্টিস’ নামক একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ৫৯ মিনিটের এ তথ্য-চিত্রে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থানকারিদের জঘন্য অপরাধের ধারাবিবরনী এবং সেই মানবতাবিরোধী অপরাধীদের চলমান বিচার সম্পর্কে বিশ্ব-বিবেক কী বলছে তাও উপস্থাপিত হয়েছে বিভিন্ন জনের বক্তব্যে।

এই তথ্যচিত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে শাহরিয়ার কবীর বলেন, ‘আড়াই শতাধিক বছরে বিভিন্ন দেশে যুদ্ধাপরাধের বিচারের পক্ষে শতভাগ সমর্থন কখনো ছিল না। নুরেনবার্গ ট্রায়াল স্বচ্ছ হয়েছে, নাজিদের বিচার ঠিকমত হয়নি ইত্যাদি বলা হচ্ছে। অথচ নুরেনবার্গ ট্রায়ালের সময়েও অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছিল না। বর্তমানে কম্বোডিয়ায় যুদ্ধাপরাধের বিচার চলছে। সেখানেও অভিযুক্তরা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাচ্ছে না। অথচ বাংলাদেশের অভিযুক্তরা আত্মপক্ষ সমর্থনই শুধু নয়, প্রদত্ত রায়ের পর্যালোচনার সুযোগও পাচ্ছে।’ শাহরিয়ার কবীর বলেন, ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কিংবা এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সব সময়ই অভিযুক্তদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মতামত ব্যক্ত করছে। অথচ তারা একটিবারের জন্যেও ভিকটিমদের অসহনীয় যন্ত্রনা আর কষ্টের কথা বিবেচনায় রাখছে না।’ ‘আমরা সারাবিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা এবং মানবাধিকার নিয়ে কর্মরতদের শুধু একটি বিষয়েই অনুরোধ জানাচ্ছি যে, একাত্তরে ধরনের নৃশংসতা চালানো হয়েছে এবং সেই নৃশংসতা-বর্বরতার শিকারদের কথাও একইসাথে বিবেচনায় রাখা উচিত’-বলেন শাহরিয়ার কবীর।

লন্ডনে এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং নিউইয়র্কে হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন যে তথ্য সরবরাহ করে তার ভিত্তিতেই তারা বিবৃতি দেয়, উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং মন্তব্য করতে পিছপা হয় না যে, বাংলাদেশের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নাকি আন্তর্জাতিক মানের হচ্ছে না-উল্লেখ করেন শাহরিয়ার কবীর। শাহরিয়ার কবীর বলেন, ‘একাত্তরে ৩০ লাখ বাঙালি হত্যা এবং দু’লাখের অধিক মা-বোনের সম্ভ্রমহানী করেছে যারা, তাদের বিরুদ্ধে কোন বিবৃতি এসব সংস্থা এখন পর্যন্ত দেয়নি। এসব ভিকটিমের অসহনীয় কষ্ট আর যন্ত্রণার কথা খেয়াল করা উচিত।’

‘ঘাতক আর দুর্বৃত্তদের পক্ষাবলম্বন করে একচেটিয়াভাবে বিবৃতি প্রদানের কারণে গীতা শ্যাগল ২০০৬ সালে এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশাল ত্যাগ করতে বাধ্য হন’-বলেন শাহরিয়ার কবীর। বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ দমনের ভূমিকা আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হচ্ছে বলে উল্লেখ করে শাহরিয়ার কবীর বলেন, ‘সরকার এবং নাগরিক সমাজ একসঙ্গে লড়ছি বলে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে। জঙ্গিরা আত্মগোপন করে থাকতে পারছে না। আশপাশের লোকজন পুলিশকে ওদের তথ্য দিচ্ছে।’

মার্কিনীদেরকেও সেভাবেই সচেতন হতে হবে। জঙ্গিদের তথ্য সাথে সাথে পুলিশকে জানালে জঙ্গিরা আর অপতৎপরতায় লিপ্ত হবার সাহস দেখাবে না বলেও উল্লেখ করেন শাহরিয়ার কবীর। শাহরিয়ার কবীর বলেন, ‘এখন সময় হচ্ছে দলগতভাবে জামাতের বিচার করার। এ দাবিতে সোচ্চার থাকতে হবে প্রবাসীদেরকেও। একইসাথে ঘাতকদের সহায়-সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা ভিকটিমের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করতে হবে।’ হোস্ট সংগঠনের সভাপতি ফাহিম রেজা নূর স্বাগত বক্তব্য দেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের সমন্বয় করেন সেক্রেটারি স্বীকৃতি বড়–য়া। প্রবাসের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার প্রতিনিধিত্বকারিরা এতে অংশ নেন এবং ঘাতকদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকার সংকল্প গ্রহণ করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV