Tuesday, 20 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কূটনীতিকের স্ত্রী’র তিন বাড়ি!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 168 বার

প্রকাশিত: February 12, 2016 | 5:11 AM

নিউইয়র্ক : বাংলাদেশের এক কূটনীতিকের স্ত্রীর নামে নিউইয়র্কে তিনটি বাড়ি কেনার খবর নিয়ে তোলপাড় চলছে আমেরিকা-বাংলাদেশে। অভিযোগ উঠেছে, ২ মিলিয়ন ডলার নগদ পরিশোধে গত চার বছরে নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকা ও ফরেস্ট হিলস এলাকায় তিনটি বাড়ির মালিক হয়েছেন তিনি। এসব বাড়ির মালিক জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ইকনোমিক মিনিস্টার বরুণ দেব মিত্রের (বি ডি মিত্র) স্ত্রী রাখী মিত্র চৌধুরী। তার এই তিনটি বাড়ির মূল্য কম করে তিন মিলিয়ন ডলার। একটি সূত্র জানায়, বরুণ দেব মিত্রের স্ত্রীর নামের ৩টি বাড়িই নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকা এলাকায়। ৮৭-৩০, ১৬৯ স্ট্রীটের বাড়িটি নাসির আলী খান পলের কাছ থেকে কেনা হয় ২০১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। এর পুরো মূল্য নগদ ৭,৬০,০০০ ডলারে পরিশোধ করা হয়েছে। ৮৫-২৭, ১৬৮ প্লেস, জ্যামাইকার বাড়িটি একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর সুডলারি ভনপ্রেসকোর নিকট থেকে নগদ ৭,৮৫,০০০ ডলারে ক্রয় করা হয়। ১১৬, ৮১ এভিনিউ, কিউ গার্ডেন্স ঠিকানার বাড়িটি গত বছরের ১২ জুন এক মিলিয়ন ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারে ক্রয় করা হয়েছে। শুধুমাত্র এই বাড়িতে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ডলারের মর্টগেজ ঋণ নেওয়া হয়। অবশিষ্ট অর্থ নগদে পরিশোধ করা হয়েছে বিক্রেতা ইয়েলেনা সেডিনাকে।

উল্লেখ্য, এর আগে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের সাবেক কনসাল জেনারেল শামসুল হকের বিরুদ্ধেও নানা অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শেষে সেই কনসাল জেনারেলকে প্রথমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ক্লোজ করা হয়। এরপর তাকে অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়।
জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ইকনোমিক মিনিস্টার বি ডি মিত্র নিউইয়র্কে আসার উদগ্র বাসনায় দুই স্তর পদাবনতি নিয়ে এ পদে পোস্টিং নেন। প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে বিডি মিত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, আমেরিকায় কত-শত সংবাদ রয়েছে। তা না লিখে আমাদের বিষয়কে কেন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে? তার স্ত্রীর সাথে কথা বলার অনুমতি চাইলে বিডি মিত্র বলেন, ‘সবই যখন জানেন, তখন তার বক্তব্য জেনে আর কি হবে?’ তিনি বলেন, আরো অনেকেই তো বিপুল অর্থে এই নিউইয়র্কে বাড়ি ক্রয় করেছেন। তাদের সংবাদ তো মিডিয়ায় আসে না?
জানা যায়, বিডি মিত্রের স্ত্রী রাখী মিত্র চৌধুরী নিউইয়র্কে বহুজাতিক একটি সংস্থায় চাকরি করেন। একই সংস্থায় কর্মরত অপর বাংলাদেশিরাও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন হঠাৎ করে তিনটি বাড়ির মালিক হবার সংবাদে। স্বামী-স্ত্রী উভয়ে যে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, তা দিয়ে কোনভাবেই নগদ দুই মিলিয়ন ডলার সঞ্চয় করা সম্ভব নয় বলে রাখী মিত্র চৌধুরীর এক সহকর্মী জানান। প্রসঙ্গত, বিডি মিত্র পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তা নন; ইকোনমিক উইংয়ের এই কর্মকর্তাকে সেখানে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে। জানা গেছে, বিডি মিত্রের স্ত্রীসহ সন্তানরা আগে থেকেই নিউইয়র্কে বসবাস করছেন। অতিরিক্ত সচিবের পদমর্যাদায় ঢাকায় চাকরি করতেন। নিউইয়র্কে পরিবারের সাথে চাকরির শেষ দিনগুলো কাটানোর অভিপ্রায়ে নিম্ন পদমর্যাদা (ইকনোমিক মিনিস্টার) হওয়া সত্বেও জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে আসেন চার বছর আগে।
ওদিকে নগদ অর্থে বাড়ি ক্রেতাদের অর্থের উৎস জানতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে একটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মার্কিন ফেডারেল কর্তৃপক্ষ জানতে চায় যে, সে অর্থ বৈধ চ্যানেলে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছে কিনা। ঠিক এরকম অবস্থার মধ্যেই বাংলাদেশি এই কর্মকর্তার স্ত্রীর বিপুল অর্থে বাড়ি ক্রয়ের তথ্য প্রকাশ পেলো। তবে এবিষয়টিতে অনেকদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল। নগদ অর্থে বাড়ি ক্রয়ে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন সাবেক বিচারপতি, আমলা ও রাজনীতিবিদদের নামও শোনা যাচ্ছে নিউইয়র্কের বিভিন্ন আড্ডায়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ