Monday, 15 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. আতিউর : মুক্তিযুদ্ধে অজানা শহীদদেরও স্বীকৃতি দিতে হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 116 বার

প্রকাশিত: April 1, 2019 | 6:40 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক :একাত্তরের গেরিলাদের সহযোগিতাকারিদের ভুলে গেলে চলবে না। ওরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পাড়াপাড় করিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের। চৌরাস্তার পার্শ্ববর্তী ছোট্ট মুদি দোকান অথবা চা স্টলের কর্মচারিরা গেরিলাদের পথ বাতলে দিয়েছেন, হায়েনাদের গতি-বিধির ধারণা দিয়েছেন। অপারেশনের অপেক্ষায় থাকা গেরিলাদের নিজ ঘরে অবস্থানের সুযোগ এবং নিজেরা না খাইয়ে গেরিলাদের খাইয়েছেন। এ ধরনের ভ’মিকা পালনের পর অনেকে আল বদর, রাজাকার, আল শামস অথবা শান্তি কমিটির হাতে শহীদ হয়েছেন। এদের খবর কী কেউ নিচ্ছি? আসলে ওরাও মুক্তিযোদ্ধা। ওদেরকে স্বীকৃতি দেয়া উচিত। ওরা ছাড়া গেরিলা যুদ্ধে বিজয় অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়তো। এভাবে কতশত জন যে শহীদ হয়েছেন-তার ইয়ত্তা নেই। ওদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পাশাপাশি ইতিহাসেও ঠাঁই হওয়া উচিত। নাটক, ছবি, টক শো-তে ওদের সাহসী ভ’মিকা উচ্চারণের বিকল্প নেই।

৪৮তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উপলক্ষে নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত প্রজন্মের সাথে একান্ত এক আলাপ-চারিতায় এমন অভিমত পোষণ করেছেন গরিবের ব্যাংকার খ্যাত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর মুক্তিযোদ্ধা ড. আতিউর রহমান। শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের উদ্যোগে জ্যাকসন হাইটসের এ অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ছিলেন ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু এবং হারুন ভূইয়া, নির্বাহী সদস্য মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার ছাড়াও ছিলেন ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মিয়া, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, ফোরামের সদস্য শাহ জে চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ আল আমিন, প্রবাসের প্রিয় কন্ঠশিল্পী শাহ মাহবুব।

ড. আতিউর উল্লেখ করেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতাকারিদের ইতিহাসে যথাযথ ঠাঁই দিতে হবে। ওদেরকে সম্মান জানাতে হবে। আর এ দায়িত্বটি নিতে পারেন মুক্তিযোদ্ধারাই। কারণ, তারাই জানেন কে কীভাবে সহযোগিতা করেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মহিমান্বিত করার মধ্য দিয়েই বাঙালির নবযুগের সূচনা ঘটবে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ্য বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশে গোটা বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, দেশটি স্বাধীনতা পেয়েছে। এখন সেই দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশে পরিণত করতে বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে আবির্ভূত হয়েছেন তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা। ড. আতিউর বলেন, এটা আজ সর্বজনস্বীকৃত যে, উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিকল্প নেই। স্বাধীনতার ৪৮তম বার্ষিকীতে এটিও হচ্ছে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। দেশের মত প্রবাসেও দেশপ্রেমিক সকলের ঐক্য দরকার চলমান উন্নয়ন-অভিযাত্রা ত্বরান্বিত করতে।
এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV