Thursday, 25 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ২৩ অক্টোবর : ২৬ বছরই কেটেছে নির্বাচনী অঙ্গিকার ভঙ্গের মধ্য দিয়ে!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 37 বার

প্রকাশিত: October 20, 2016 | 5:32 PM

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : আসছে ২৩ অক্টোবর রোববার নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ পদে সরাসরি দুটি প্যানেল এবং সভাপতি পদে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৩৯ প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। ভোটার ১৮ হাজার ৫৫১ জন। ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সোসাইটির নির্বাচনে এবারই সর্বোচ্চসংখ্যক ভোটার। নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স, ব্রুকলীন এবং ব্রঙ্কসে ৫টি কেন্দ্রে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোট গৃহিত হবে। এ নির্বাচন ঘিরে নিউইয়র্ক অঞ্চলে ৩ লক্ষাধিক প্রবাসীর মধ্যে সাজসাজ রব উঠেছে। পোস্টার-ব্যানার আর প্ল্যাকার্ডে সয়লাব বাংলাদেশী এলাকাগুলো। রেস্টুরেন্ট এবং বাণিজ্যিক পাড়ায় একই আলোচনা। সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, গত নির্বাচনে এই কুনুর সাথে ধরাশায়ী কামাল আহমেদ এবং প্রবাসে সৎ মানুষের অনন্য উদাহরণ ওসমান চৌধুরী লড়ছেন। কুনু এবং কামাল লড়ছেন প্যানেল থেকে। কুনুর প্যানেলে সেক্রেটারি পদে রয়েছেন কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম। অপরদিকে সাবেক সভাপতি কামাল আহমেদের প্যানেলের সেক্রেটারি হচ্ছেন রুহুল আমিন সিদ্দিকী। কামাল আহমেদও দু’বছর আগের কার্যকরী কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেbds_ny_kamal_ruhul_pic

প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, সভাপতি পদে কুনু এবং কামাল-উভয়েই সিলেটের বিয়ানিবাজার উপজেলার সন্তান। অপরদিকে ওসমান চৌধুরী হচ্ছেন বগুড়ার সন্তান। ব্যক্তিগতভাবে কামাল আহমেদ আওয়ামী লীগের নেতা। আজমল হোসেন কুনু বিএনপি এবং ওসমান চৌধুরী জাতীয় পার্টির নেতা। তবে, এ নির্বাচন দলীয় পরিচয়ে হচ্ছে না। দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের প্রবাসী আবর্তিত হচ্ছেন যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে। এ পরিক্রমায় জামাত-শিবিরও একাকার হয়ে পড়েছে। যোগ্যতারভিত্তিতে ভোট প্রদানের আওয়াজ উঠলেও লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি-এমন কথাও শোনা যাচ্ছে।bds_ny_kunu_azam_pic

৪১ বছর বয়েসী সংগঠনের ২৬ বছরই কেটেছে নির্বাচনী অঙ্গিকার ভঙ্গের মধ্য দিয়ে। দু’বছর অন্তর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রার্থীরা বরাবরই নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে একটি কম্যুনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার করেন। ভারত, ক্যারিবিয়ান, পর্টোরিকান, আইরিশ আর স্প্যানিশদের মত বাংলাদেশীরাও ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’ করার অঙ্গিকার ১৯৯০ সাল থেকেই করে আসছেন প্রার্থীরা। এবারও তার ব্যতয় ঘটছে না। ভোটাররাও প্রার্থীদের কাছে জানতে চাচ্ছেন না যে, গত নির্বাচনে জয়ী হবার পর দু’বছর দায়িত্ব পালনকালে একটি অঙ্গিকারেরও বাস্তবায়ন ঘটাননি কেন? আবার কেন একই অঙ্গিকারে ভোট চাচ্ছেন?osman-chowdhury

নিউইয়র্ক অঞ্চলের বাংলাদেশীদের আমব্রেলা সংগঠন হিসেবে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র খ্যাতি রয়েছে। ‘তবে এতদিন যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের কেউই মূলধারার সাথে তেমন সম্পর্ক রচনায় সক্ষম না হওয়ায় এখন পর্যন্ত প্রবাসীদের বহুদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে একটি কম্যুনিটি সেন্টার অথবা ‘বাংলাদেশ ভবন’ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি’-এ অভিযোগ করেন সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ডেমক্র্যাটিক পার্টির সংগঠক ওসমান চৌধুরী। তিনি ভোট প্রার্থনায় কংগ্রেস ও সিটি প্রশাসনসহ সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন পরিবারের সাথে সম্পৃক্ততার প্রসঙ্গ উল্লেখ করছেন। নিউইয়র্কে স্থায়ী একটি শহীদ মিনার স্থাপনের অঙ্গিকারও করছেন ওসমান চৌধুরী। অপরদিকে, ‘কুনু-আজম’ প্যানেলের সেক্রেটারি প্রার্থী কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজমও মার্কিন কংগ্রেসম্যান ও সিটি কাউন্সিলম্যানদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের জন্যে একটি কম্যুনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার করছেন। উল্লেখ্য, কাজী আজমের প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু গত দু’বছর একই পদে ছিলেন। আগের নির্বাচনে তার প্রধানতম অঙ্গিকার ছিল বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব ভবন তৈরীর। সেটির ন্যূনতম বাস্তবায়ন ঘটেনি। একইভাবে ‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী কামাল আহমেদও দু’বছর আগের কমিটির সভাপতি ছিলেন। তারও নির্বাচনী অঙ্গিকার ছিল বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব ভবন তৈরী তথা কম্যুনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠার। পুরনো সে অঙ্গিকার এবারও করা হচ্ছে কামাল-রুহুল প্যানেলের পক্ষ থেকে।

উভয় প্যানেলের নির্বাচনী অঙ্গিকারে রয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটিকে আরো গণমুখী, কম্যুনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ, বাংলাদেশ ডে প্যারেড আয়োজন, বাংলা স্কুল পুনরায় চালু, নবাগত প্রবাসীদের বাসস্থান ও চাকরির সহায়তা প্রদান।

নির্বাচনী অঙ্গিকার প্রসঙ্গে কম্যুনিটি লিডার হাসানুজ্জামান হাসান এনআরবি নিউজকে বলেন, ‘বাংলাদেশ সোসাইটির নেতৃত্বে এমন ব্যক্তি আসা প্রয়োজন, যার কানেকশন রয়েছে মূলধারায়। এবারের নির্বাচনে তেমন প্রার্থীও রয়েছেন বিধায় সুধীজনে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। সকলের প্রত্যাশা, যোগ্য প্রার্থীরাও ব্যালট বিপ্লবে জয়ী হবেন।’ ‘বিশেষ করে আগে নেতৃত্ব পেয়েও যারা অঙ্গিকার পালনে আন্তরিক অর্থে সচেষ্ট ছিলেন না, তাদের ব্যাপারে নানা গুঞ্জন উঠেছে ভোটারের মধ্যে’-মন্তব্য হাসানের।

বাংলাদেশ সোসাইটির পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের প্রধান হচ্ছেন সৈয়দ টিপু সুলতান। কমিশনের সদস্যরা হলেন আব্দুল হাকিম, আনোয়ার হোসেন, জামান তপন ও ইউনুস সরকার। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সিটির ৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। এগুলো হচ্ছে কুইন্সের গুলশান ট্যারেস বা ‘ঢাকা ক্লাব’, ব্রুকলীনের কোনি আইল্যান্ড এভিনিউতে পাঞ্জাব হল, ওজনপার্কে মদিনা পার্টি হল, ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেস। এছাড়া জ্যামাইকাতেও একটি ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। কুনু-আজম প্যানেল ৭ দফা কর্মসূচি এবং কামাল-রুহুল প্যানেল মাঠে নেমেছে ১৫ দফা কর্মসূচি নিয়ে। সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান চৌধুরীও কাজ করছেন ৮ দফা কর্মসূচি নিয়ে।

‘কুনু-আজম’ প্যানেলের নির্বাচনী স্লোগান হচ্ছে- ‘সৃজনশীল, যোগ্য, সৎ, গতিশীল নেতৃত্বের প্রত্যাশায়’। এই প্যানেলের নির্বাচনী এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে: ১. বাংলাদেশ সোসাইটিকে আরো গ্রহণযোগ্য, গণমুখী, সর্বজনীন করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা প্রদান, ২. বাংলাদেশ ভবন বা কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন, ৩. নিউইয়র্কে স্থায়ী শহীদ মিনার , বাংলাদেশ ডে প্যারেড উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ ও সিটি হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন অব্যাহত রাখা, ৪. বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সাথে প্রবাসীদের সেতুবন্ধুন রচনা করে সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকা, ৫. প্রবাসীদের মূলধারার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত করে ফেডারেল, ষ্টেট ও সিটি হলের সকল সুযোগ-সুবিধা আদায়ে কাজ করা এবং ইমিগ্রেশন সহ সামাজিক নিরাপত্তার জন্য সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ, ৬. প্রবাসীদের স্বার্থে সকল আঞ্চলিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া সংগঠন, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া এবং সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাদেরকে সোসাইটির সাথে সম্পৃক্ত করে সোসাইটিকে আরো গতিশীল করা এবং ৭. নতুন প্রজন্মের জন্য বাংলা শিক্ষা কার্যক্রম ও ফ্রি আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু এবং বাংলাদেশী মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিযোগিতামূলক বৃত্তি প্রদান করে মেধা বিকাশে সহযোগিতা করা।

‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের নির্বাচনী শ্লোগান হচ্ছে- ‘ঐক্যবদ্ধ কম্যুনিটি ও মূলধারায় অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে জণকল্যানে পরিক্ষিত সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিদের সমন্বয়ে সর্বজনীন পরিষদ’। এই প্যানেলের নির্বাচনী এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে: ১. নির্বাচিত হওয়ার তিন মাসের মধ্যে সদস্য ফি ১০ ডলারের স্থলে ৫ডলার নির্ধারণ, ২. বয়স্ক শিক্ষা, বাংলা শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা ও ইমিগ্রেশনের জন্য সোসাইটির শাখা অফিস স্থাপন, ৩. মূলধারায় বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ত করতে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহন, ৪. বাংলাদেশীদের জন্য ফেডারেল, ষ্টেট ও সিটি প্রশাসনে চাকুরী, কর্মসংস্থান, চিকিৎসা ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা আদায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ, ৫. আঞ্চলিক সংগঠনের সমন্বয়ে ‘প্রবাসী কল্যাণ ফান্ড’ গঠন ও ‘লিগ্যাল এইড সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা, ৬. প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিরাপত্তা, সম্পত্তি রক্ষা সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আদায়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ফলপ্রসু আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ, ৭. নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান চালুর ব্যবস্থা, ৮. বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সমস্যার সমাধানের জন্য জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাথে জোর লবিং-এর ব্যবস্থা এবং দেশের সকল জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা, ৯. বাংলাদেশ লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা ছাড়াও নতুন প্রজন্মের জন্য প্রতিযোগিতামূলক বৃত্তি প্রদান ও মেধা বিকাশের উদ্যোগ গ্রহণ, ১০. স্থায়ী বাংলাদেশ ভবন ও শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশ ডে প্যারেড আয়োজন এবং সোসাইটিকে জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশী পার্লামেন্টে রূপান্তর, ১১. অনলাইনে সদস্যপদ গ্রহণ ও সহজকরণ, ১২. সোসাইটির সকল কর্মকান্ডে সাবেক কর্মকর্তাদের সম্পৃক্তকরণ এবং তাদের অবদান সংরক্ষণ, ১৩. হেইট ক্রাইম প্রতিরোধ এবং এমন ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সুবিচার ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদক্ষেপ, ১৪. নবাগত প্রবাসীদের জন্য ‘ওয়েলকাম সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা ও চাকুরীর ব্যবস্থা এবং ১৫. ডাটাবেজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার জন্য তথ্যবহুল ওয়েবসাইট চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

অপরদিকে সভাপতি পদে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান চৌধুরী ‘আপনার একটি ভোট সোসাইটির নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে পারে’ শ্লোগান নিয়ে মাঠে নেমেছেন। তার সমর্থকরা বলছেন তিনি একজন সৃজনশীল, যোগ্য, সৎ, গতিশীল ও সমাজসেবী। তার নির্বাচনী এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে: ১. স্থায়ী শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা, ২. বাংলাদেশ ভবন প্রতিষ্ঠা,৩. লিগ্যাল সার্ভিসের ব্যবস্থা (ইমিগ্রেশন ও বিবিধ), ৪. মূলধারার সাথে বাংলাদেশীদের সম্পর্ক জোরদার, ৫. বাংলা স্কুল পুনরায় চালু,৬. সোসাইটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডে প্যারেড আয়োজন,৭. সদস্য সংগ্রহ পদ্ধতি পরিবর্তন এবং ৮. মেধাবী ও নতুন প্রজন্মদের সোসাইটির নেতৃত্বে সম্পৃক্তকরণ।
‘কুনু-আজম’ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি- আজমল হোসেন কুনু, সিনিয়র সহ সভাপতি- মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, সহ সভাপতি- শফি আলম লাল, সাধারণ সম্পাদক- কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম, কোষাধ্যক্ষ- নিশান রহিম, সহ সাধারণ সম্পাদক- মফিজুল ইসলাম ভুইয়া রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক- এ.কে.এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মোহাম্মদ সেলিম ইব্রাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক- মোহাম্মদ রিজু, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মোহাম্মদ খান টিপু, সাহিত্য সম্পাদক- শেখ হায়দার আলী, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- স¤্রাট হোসেন এমিলি, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- ওয়াহিদ কাজী এলিন, কার্যকরী পরিষদ সদস্য- কাজী তোফায়েল ইসলাম, সরোয়ার খান বাবু, জামাল উদ্দিন, এমডি আশ্রাব আলী খান লিটন, আবুল কে আকন্দ ও শাহনাজ আলম লিপি।

‘কামাল-রুহুল’ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি- কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ সভাপতি- আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ সভাপতি- আ. খালেক খায়ের, সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ রুহুল আমিন সিদ্দীকি, কোষাধ্যক্ষ- মোহাম্মদ আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক- সৈয়দ এমকে জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক- আবুল কালাম ভুইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মনিকা রায়, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- নাদির এ আইয়ুব, সাহিত্য সম্পাদক- নাসির উদ্দীন আহমদ, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- মোহাম্মদ এম হোসেন, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- আহসান হাবিব, প্রচার সম্পাদক- সিরাজুল হক জালাল এবং কার্যকরী পরিষদ সদস্য- মোহাম্মদ সাদি মিন্টু, আবুল কাসেম চৌধুরী, ফারহান চৌধুরী, মোহাম্মদ আজাদ বাকির, মাইনুদ্দীন মাহবুব ও মইনুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV