নিউইয়র্কে বাংলা সিনে এওয়ার্ড ১৫ নভেম্বর
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : ‘বাংলা সিনে এওয়ার্ড ২০১৫’ দেয়া হবে নিউইয়র্কে। ১৫ নভেম্বর জ্যামাইকার আমাজুরা কনসার্ট হলে এ এওয়ার্ড দেয়া হবে। বহির্বিশ্বে এ ধরনের এওয়ার্ড আয়োজন বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের প্রসার ও উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। বিএনএস লজিস্টিক বাংলাদেশ ও নিউইয়র্কের গ্লোবাল বিজনেস কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক যৌথভাবে এ এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের জুরি বোর্ডের নেতৃত্বে থাকছেন বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত বিচক্ষণ পরিচালক মহিউদ্দিন ফারুক। ইতোমধ্যে ২০১৪-১৫ সালে বাংলাদেশে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর মধ্যে থেকে ২৫টি বিভাগে ১৮টি সিনেমা প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রযুক্তি নির্ভর এ যুগে বাংলা সিনেমা একদিন বিশ্ব দরবারে নিজ স্থান দখল করে নিবে, শিল্পী-কলাকুশলীদের মাঝে সেই বিশ্বাস ও প্রেরণা জোগাতে এ আয়োজন বলে জানিয়েছেন এর উদ্যোক্তারা। বৃহস্পতিবার রাতে জ্যাকসন হাইটস্ এর খাবার বাড়িতে আয়োজিত মিট দ্য প্রেসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা ও লেখক কাজী হায়াত। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মো: সালাহউদ্দিন আহমেদ শিমুল, এনামুল হক, কায়সার আহমেদ বাবু ও মাহফুজুর রহমান। উপস্থাপনা করেন কামরুজ্জামান বকুল।
কাজী হায়াত বলেন, বাংলা সিনেমাকে মূল ধারায় ফিরিয়ে নিতে আমি বাংলাদেশ থেকে ছুটে এসেছি। আমরা সিনেমাকে নতুন প্রজন্মেও কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে চাই। দেশে সিনেমা হলেন সংখ্যা ১২’শ থেকে কমে ২৭৫ টিতে নেমেছে উল্লেখ করে বলেন, এতে প্রচুর সংখ্যক লোক বেকার হয়ে পড়েছে। কাজী হায়াত বলেন, মূলধারার চলচ্চিত্রে অপরাধির শাস্তি নিশ্চিত দেখানো হয়ে থাকে। এতে করে আমরা মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে থাকি। ১৯৭৫ সালে জাতি আবেগহীন হয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। জাতি আবারো আবেগহীন হয়ে উঠছে। সিনেমাকে জাগ্রত করতে না পারলে আমরা আবার আবেগহীন হয়ে উঠবে।
আয়োজকরা জানান, নিউইয়র্কে এ ‘বাংলা সিনে এওয়ার্ড ২০১৫’ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং বিশেষ অতিথি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও এফডিসির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব কাজী হায়াৎ ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব অঞ্জন রায়।
বাংলা সিনেমার বিশ্বায়নের মধ্যে দিয়ে একে নতুন নতুন বাজার সৃষ্টির সুযোগ করে দেয়া যায়। আর সেই প্রয়াসে আন্তর্জাতিক পরিম-লে এই ‘বাংলা সিনে এওয়ার্ড’র আয়োজন। আইফার আদলে আগামীতে লন্ডন, মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুর এরম ত বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার একটি ধাপ হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে মনে করেন আয়োজকরা।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!