Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বেদান্ত এসোসিয়েশনের অষ্টম বার্ষিকী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 9 বার

প্রকাশিত: April 6, 2018 | 11:44 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে বেদান্ত এসোসিয়েশন গত ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল শনিবার এবং রোববার কুইন্সের গুজরাটি সমাজ হলে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে উদযাপন করেছে অষ্টম বার্ষিকী বাসন্তী পূজা। পূজার বিভিন্ন অংশসমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল অর্চনা, ভোগারতি, সন্ধ্যা আরতি ও দর্পন বিসর্জন। ঢাকের শব্দ, শঙ্খধ্বনি, কাসার আওয়াজ, মঙ্গলধ্বনিতে ভরে উঠেছিল গুজারাটি সমাজ হল প্রাঙ্গণ। এই মহোৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দুদিনব্যাপী প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।

  

প্রভাস চক্রবর্তীর পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত হয় মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়া দশমী। পূজার্চনা শেষে পুরোহিত সমবেত সকল পুন্যার্থীদের পুষ্পাঞ্জলী প্রদান ও শান্তিরজল বিতরণ করেন। দুই দিনই সন্ধ্যা ৭ টায় সর্বজনের অংশ গ্রহনে পরিবেশিত হয় ঢাকের তালে তালে প্রাণবন্ত সন্ধ্যারতি। পুরোহিতকে সহায়তা করেন ঝর্না চক্রবর্তী, বাসনা দত্ত, কৃষ্ণা সেন, তাপসী বোস, অতসী চৌধুরী, রতœা চৌধুরী, সীমা চৌধুরী, রিঙ্কি দে ও আরো অনেকে। পূজার সামগ্রীর অনুদান প্রদান করেন মৌসমী রায় ও মায়ের অন্নভোগ নিবেদন করেন গীতা রায় চৌধুরী। দুদিনের মন্দির ও পূজা পরিচালনার সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন তড়িৎ বোস ও অর্পণ চৌধুরী।

অতিথি অভ্যর্থনায় ছিলেন তরুণ চৌধুরী, অর্পণ চৌধুরী, তড়িৎ বোস, ননী গোপাল রায় ও রিঙ্কি দে। আপ্যায়নে ছিলেন শ্যামল রায়, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, বিধান বিশ্বাস, ঝন্টু সরকার, পীযূষ বর্দ্ধন, বিপ্লব রায়, অনল সাহা ও প্রদীপ দাস। প্রসাদ তৈরী করেছেন শ্রীযুক্ত মাহাক্ষ্সা দাস। সহায়তা করেছেন বিপ্লব রায়, মধুসুদন ধর, লিটন সাহা, অশোক সাহা, প্রবীর সাহা, প্রদীপ দাস ও চিরঞ্জীব রায়। প্রসাদ বিতরণে ছিল সীমা চৌধুরী, চন্দ্রা বিশ্বাস, ছন্দা সরকার, ইলা বর্দ্ধন, আশা রায়, অপর্না সরকার, রূপ্না সাহা, উমা রায়, সুরঞ্জনা সাহা, বৃষ্টি রায়, স্মিতা কুমার, ও সোমা তালুকদার। প্রসাদ বিতরন চলে রাত ১২টা পর্যন্ত। সার্বিক সহায়তায় ছিলেন বিপুল সরকার, অমল দেবনাথ, কুমার ধীরেন, সুভাস তালুকদার, মনোজিৎ চৌধুরী, বিশ্বজিত দাশ (সান্ত), স্বপন রায়, বিপ্লব সাহা, ও সঞ্জয় দেব।


সাংস্কৃতিক সম্পাদক গোপাল দাস এর পরিচালনায় দুদিন ব্যাপী পরিবেশিত হয় প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। উপস্থাপনায় ছিলেন সুস্মিতা চৌধুরী, মৌসুমী রায়, রনি বড়–য়া, আব্রিতা চৌধুরী, ও দেবদূত বর্দ্ধন। সাংস্কৃতিক মঞ্চ পরিচালনায় ছিলেন সীতেশ ধর। এবারের ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বম্বে থেকে আগত মেগনা রাজারাম, সৈকত হালদার ও প্রীতি। বেদান্ত পরিবারের শিল্পীদের একগুচ্ছ আকর্শনীয় অনুষ্ঠানমালা ছিল আকর্ষনীয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রখ্যাত নাট্যকার জীবন চৌধুরীর রচনায় ও পরিচালনায় নাটক ‘মা আমার মা’, আবৃতা চৌধুরীর পরিচালনায় স্বাধীনতা বিষয়ক ‘চেতনায় বাংলাদেশ’, ‘শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভূর গৃহত্যাগ’ রতœা চৌধুরীর পরিচালনায় ‘দাদা-বৌদির তর্জা’। এছাড়াও ছিল সমবেত সঙ্গীত ও নৃত্যানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহন করেন যিশু বল, রত্মা চৌধুরী, ফজলুল করিম, উর্বী বিশ্বাস, স্মিতা কুমার, লিটন ফিলিপ, অপর্ণা সরকার, দিপন চৌধুরী, অপর্ণা সাহা, সত্যম ধর, সান্ত দাশ, রুচিরা চৌধুরী, অভিসিক্তা বল, অভিসৃতা বল, রাহুল রায়, শ্রেষ্টা রায়, সুস্মিতা চৌধুরী, রূপনা সাহা, উমা চৌধুরী, শিল্পী দাস, লিপি রায়, বৃষ্টি রায়, পারমিতা বিশ্বাস, সিথী সরকার ও কাকন দেবনাথ। একক সঙ্গীতে অংশগ্রহন করেন সেলিনা আশরাফ, জীবন বিশ্বাস, গোপাল দাস, মনিকা মজুমদার, বিশ্বজিৎ সাহা, প্রিয়াঙ্কা ঘোষ, প্রজ্ঞা বড়–য়া, মুক্তা ধর ও শম্পা চৌধুরী,। নৃত্যে রুচিরা চৌধুরী, অঙ্গনা সাহা, অপর্ণা সাহা, অনন্যা সাহা, অনুষ্কা বিশ্বাস ও এলিচ হাওলাদার। ছোটদের নৃত্যে গীতিকা দাস, আদৃশা কুমার, মিথিলা, লক্ষ্মী, কলি, লহরি, অঙ্কন, ধীমান, দীঘা, আক্সিতা, আরিয়ান, অন্দ্রিলা, পৃথ্বিরাজ, প্রিয়ন্তি ও অচিন্ত।
পীযূষ বর্দ্ধনের সম্পাদনায় প্রতিবারের মত এবারো প্রকাশিত হয়েছে সুখ পাঠ্য পূজা সাময়িকী ‘বাসন্তিকা’। মঞ্চসজ্জার শিল্পীবৃন্দ ছিলেন, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, কায়সার কামাল, জেবুন্নেসা হেলেন, মাহমুদুল হাসান রোকন ও আজিজুর রহমান। সহযোগিতায় যিশু বল, মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, বিপ্লব সাহা ও শান্ত দাশ। সভাপতি বিশ্বজিৎ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক বিধান বিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক গোপাল দাস সমবেত সুধীম-লীকে মহাদশমীর শুভেচ্ছা ও আগামীদিনের বাসন্তী পূজার আমন্ত্রন জানিয়ে পূজা মহোৎসবের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেন।

 
 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV