নিউইয়র্কে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী ২৬তম আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ও বইমেলা
ইউএসএনিউজঅনলাইন : নিউইয়র্কে শেষ হয়েছে তিন দিনব্যাপী ২৬তম আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ও বইমেলা। বই হোক প্রজন্ম- সেতু এই স্লোগানকে ধারণ করে এবং বাংলা ভাষাকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে স্থানীয় সময় শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এ উৎসব শেষ হয় রবিবার। এবারের উৎসবে
একাত্তরের মার্কিন সহযোদ্ধা স্যালিউলোবিকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া ছাড়াও চ্যানেল আই-মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খানকে। প্রবাসে বাংলার লোক সংস্কৃতি লালন ও বিকাশে নিরন্তরভাবে কর্মরত কণ্ঠশিল্পী দুলাল ভৌমিককে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া দুই বাংলার সাহিত্য নিয়ে একই আকাশ-একই বাতাস এবং মুখোমুখি আলাপচারিতা শীর্ষক দুটি অনুষ্ঠান হয়।
এবারের বাংলা উৎসবে প্রবাসের লেখকদের ১৭টি নতুন বই নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রবাসের কবিদের কবিতা পাঠ ও আবৃত্তিতে অংশ নেন ফকির ইলিয়াস, গোপন সাহা,
খায়রুল আলম, তাহরিনা পারভিন প্রীতি, খালেদ, শরফুদ্দিন, আওসাফ, অহনা, নাহরিন, কবিতা হোসেন, শুক্লা রায়, মামুন জামিল, রাওধান খানম, মঞ্জুর কাদের, লিওনা মুহিত, কাজী জহীরুল ইসলাম, বাহাউদ্দিন পিয়াল, আহসান হাবীব, রুমানা লাইস, রীপা নূর, শাহ আলম দুলাল ও ক্লারা রোজারিও।
একাত্তরের মার্কিন সহযোদ্ধা স্যালিউলোবিকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া ছাড়াও চ্যানেল আই-মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খানকে। প্রবাসে বাংলার লোক সংস্কৃতি লালন ও বিকাশে নিরন্তরভাবে কর্মরত কণ্ঠশিল্পী দুলাল ভৌমিককে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া দুই বাংলার সাহিত্য নিয়ে একই আকাশ-একই বাতাস এবং মুখোমুখি আলাপচারিতা শীর্ষক দুটি অনুষ্ঠান হয়।
এবারের বাংলা উৎসবে প্রবাসের লেখকদের ১৭টি নতুন বই নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রবাসের কবিদের কবিতা পাঠ ও আবৃত্তিতে অংশ নেন ফকির ইলিয়াস, গোপন সাহা,
খায়রুল আলম, তাহরিনা পারভিন প্রীতি, খালেদ, শরফুদ্দিন, আওসাফ, অহনা, নাহরিন, কবিতা হোসেন, শুক্লা রায়, মামুন জামিল, রাওধান খানম, মঞ্জুর কাদের, লিওনা মুহিত, কাজী জহীরুল ইসলাম, বাহাউদ্দিন পিয়াল, আহসান হাবীব, রুমানা লাইস, রীপা নূর, শাহ আলম দুলাল ও ক্লারা রোজারিও।
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ৩৭ এভিনিউর পিএস-৬৯-এ উৎসবে ঢাকা এবং কলকাতা ছাড়াও ছিলেন কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের লেখকরা।বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পী ফেরদৌস আরা, লীনা তাপসী, এবং কলকাতার দেবাঙ্গনা সরকার সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সবশেষে সৈয়দ আব্দুল হাদীর গান উপভোগ করেন উৎসবে আসা অতিথিরা।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ