নিউইয়র্ক সিটিতে হত্যাকান্ড কমেছে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ, গোলাগুলি কমেছে ১৭.৫% শতাংশ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক সিটিতে গত বছরের প্রথম ৭ মাসের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে হত্যাকান্ড কমেছে ১৮.৭% এবং গোলাগুলি কমেছে ১৭.৫% শতাংশ। গত ৩ আগষ্ট সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাজিও এবং পুলিশ কমিশনার জেমস ওনীলের উপস্থিতিতে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বাহিনীর কর্মতৎপরতা এবং সিটির অপরাধ হ্রাসের চিত্র তুলে ধরার সময় এ তথ্য জানানো হয়। জানানো হয়, অপরাধ দমনে নেয়া হয়েছে জিরো টলারেন্সসহ নানা ধরনের পদক্ষেপ। আর সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সিটি প্রশাসন, ফেডারেল প্রসেকিউটর এবং সিটি পুলিশ বিভাগের গৃহিত বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপের সুফল পেতে শুরু করেছেন সর্বস্তরের সিটিবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র স্টিফেন ড্যাভিস পুলিশের কর্মতৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করে জানান যে, ২০১৬ সালের তুলনায় নরহত্যা, বড় ধরনের চুরি-ডাকাতি, ধর্ষণসহ সকল ধরনের ভয়ানক ফেলনী জাতীয় অপরাধের সামগ্রিক হার চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে ৬% হ্রাস পেয়েছে। আর এককভাবে গত বছরের জুলাই মাসের তুলনায় চলতি বছরের জুলাই মাসে ভয়াবহ ফেলনী জাতীয় অপরাধ ৯% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানের ধারা অব্যাহত থাকতে চলতি বছরের শেষ নাগাদ সিটির ইতিসাসে সর্বাপেক্ষা কম সংখ্যক নরহত্যার নতুন ইতিহাস রচিত হবে বলে সিটি প্রশাসন এবং পুলিশ বিভাগ প্রত্যাশা করছে। পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে বছরের শেষ নাগাদ হত্যাকান্ডের সংখ্যা সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা না হলেও বিশেষজ্ঞদের মতে এ সংখ্যা কোনক্রমেই ৩০০ ছাড়িয়ে যাবেনা।
সিটিতে হত্যাকান্ডসহ সকল ধরনের ভয়াবহ অপরাধ হ্রাসের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণকালে সিটিজেন ক্রাইম কমিশনের প্রধান রিচার্ড অ্যাবোরন বলেন, বিভিন্ন মহলের সমন্বিত উদ্যোগের ফলেই এহেন সন্তেষজনক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। অ্যাবোরন বলেন, সিটি ও পুলিশ প্রশাসন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র ও অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানির বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে সিটিতে নরহত্যা এবং গোলাগুলির পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে। নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের অ্যান্টি-গ্যাং এবং অ্যান্টি গান ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের তাৎপর্য তুলে ধরে অ্যাবোরন বলেন, উক্ত কর্মসূচির আওতায় অপরাধীদের সুস্পষ্ট ভাষায় বলে দেয়া হয়েছেÑতোমরা আগ্নেয়াস্ত্র কুঁড়িয়ে নিলে আমরাও যে কোন মুল্যে তোমাদের খুঁজে বের করব। তোমাদের গোপন আস্তানায় আমরা হানা দিব।
সংবাদ সম্মেলনে অপরাধ হ্রাসের ক্ষেত্রে অ্যাবোরন কিউর ভায়োলেন্স (সহিংসতা আরোগ্য) প্রোগ্রাম নামক কর্মসূচির ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। অ্যাবোরন বলেন, উক্ত কর্মসূচি প্রবর্তন করার ফলে জনগণও সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় এগিয়ে আসার সাহস পাচ্ছেন এবং সন্ত্রাসীদের আস্তানা ও আশ্রয় স্থলের খবরাখবর গোপনে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনকে অবহিত করছেন। পুলিশ কমিশনার ওনীল প্রবর্তিত নেইবারহুড পলিসিং (আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সাথে স্থানীয় জনগণের সুসম্পর্ক গড়ে তোলা) কর্মসূচিরও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন অ্যাবোরন। তিনি বলেন, এর ফলে পুলিশ বাহিনীর কর্মাকন্ডের প্রতি স্থানীয় জনগণের আস্থা বেড়েছে এবং তারা স্বেচ্ছায় পুলিশ বাহিনীকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসছেন ও পুলিশকে অপরাধীদের তথ্য দিচ্ছেন।
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ