নিউইয়র্ক-লসএঞ্জেলেসে স্বল্প আয়ের মানুষদের খুব কষ্টে দিনাতিপাত
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কের মত লসএঞ্জেলেস সিটিতেও স্বল্প আয়ের লোকজন খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। বিশেষ করে, বাসা ভাড়া অকল্পনীয় হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক মানুষই অস্বাস্থ্যকর এবং বসবাসের অনুপযোগী বাসায় দিনাতিপাতে বাধ্য হচ্ছেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হাউজিং এ্যান্ড আরবান এফেয়ার্স পরিচালিত এক গবেষণায় উদ্বেগজনক এ তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। লসএঞ্জেলেস সিটির স্বল্প আয় তথা গরিবদের অর্ধেকেরও বেশী অর্থাৎ ৫ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ প্রতি মাসে অর্জিত অর্থের অর্ধেকই ব্যয় করছেন বাড়ি ভাড়া বাবদ। ২০১৫ সালে এ গবেষণা চালানো হয়েছে। এদিকে, নিউইয়র্ক সিটির স্বল্প আয়ের তথা গরিব মানুষদের ৪৪% বাড়ি ভাড়া সংকটে রয়েছেন। এই সিটির ১৮ লক্ষাধিক স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে ভাড়া সংক্রান্ত সমস্যায় রয়েছেন ৮ লাখ ১৫ হাজার। একইভাবে মায়ামী, ফিনিক্স এবং রিভারসাইডের স্বল্প আয়ের অধিকাংশই একই পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন বলে এই জরিপে উদঘাটিত হয়েছে।
বাড়িভাড়া সংকটের সুযোগে অনেক ল্যান্ডলর্ড বেআইনীভাবে রুমের ভেতরে রুম, লিভিং রুমকে বেডরুম, এমনকি কীচেনকেও পার্টটাইম বেডরুমে পরিনত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এসব বেআইনী ও অমানবিক কাজে লিপ্তদের ভিকটিম হচ্ছেন ইমিগ্র্যান্টরা। যুক্তরাষ্ট্রে নবাগত হওয়া এবং অনেকের ইমিগ্রেশনে স্ট্যাটাসের সমস্যা থাকায় কেউ এহেন অপকর্মে লিপ্ত ল্যান্ডলর্ডদের বিরুদ্ধে যেতে চান না।
বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির ফলে লসএঞ্জেলেস সিটিতে গৃহহারার সংখ্যা চরমে উঠেছে। গত বছর তা বেড়েছে ২৩%। এবং এ সংখ্যা হচ্ছে ৫৮ হাজার করে প্রতি কাউন্টিতে। এ বছরের জানুংয়ারিতে সিটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এ মাসের শুরুতে রিয়েল এস্টেট ফার্ম ‘যিলো’ কর্তৃক প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৫% বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আরো ২০০০ মানুষ যোগ হচ্ছে গৃহহারাদের তালিকায়। আগামী বছর এই সিটিতে ৪.৫% গৃহহারা বাড়বে বলেও উল্লেখ রয়েছে এই সংস্থার প্রতিবেদনে। এই সিটির মতো সিয়াটল এবং নিউইয়র্কেও বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির সাথে সঙ্গতি রেখে ইনকাম না বাড়ায় অনেক মানুষ নাজুক অবস্থায় দিনাতিপাত করতে করতে জীবনের হাল ছেড়ে দিয়ে গৃহহারাদের তালিকাভুক্ত হচ্ছেন। নিউইয়র্ক সিটিতে স্বল্প আয়ের লোকজনের জন্যে সিটির হাউজিং-ভর্তুকির ব্যবস্থা থাকলেও তা দিয়ে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। অর্থাৎ আরো অনেক বাড়ি দরকার।
হাউজিং এ্যান্ড আরবান এফেয়ার্স-এ তথ্য অনুযায়ী, জাতীয়ভিত্তিক সংকটে রয়েছেন ৬৬% আমেরিকান। আর এ সমস্যার উদ্ভব হয়েছে ২০১১ সাল থেকে। তবে, ভাড়া সংকটের শুরু ২০০৭ সালে। ক্রমান্বয়ে তা প্রকট আকার ধারণ করেছে ৪ বছর পর। শারীরিকভাবে কাজে অক্ষম, প্রবীন এবং শিশু রয়েছে-এমন পরিবারই নাজুক অবস্থায় সবচেয়ে বেশী বলে উল্লেখ করেছে ঐ গবেষণা প্রতিবেদনে। আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০০১৩ এবং ২০১৫ সালের মধ্যে অনেক মানুষের ইনকাম বাড়লেও বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির সাথে তা সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এমনকি, যেসব ল্যান্ডলর্ড গরিব মানুষদের বিপরীতে সরকার থেকে ভতর্ুুকি পাচ্ছেন , তারাও ভেতরে ভেতরে ভাড়া বাড়িয়েছেন। এনআরবি নিউজ
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ