নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর পদে প্রার্থী হচ্ছেন এটর্নি মঈন চৌধুরী
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত মুলধারার রাজনীতিক, কমিউনিটি লিডার ও ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্নি মঈন চৌধুরী ২০১৮ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে স্টেট সিনেটর পদে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন। তিনি শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১৩ থেকে এই পদে নির্বাচনের ঘোষনা দিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, আশা করছি কুইন্স কাউন্টি থেকে নির্বাচনের অনুমোদন পেয়ে যাবো।

বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রিয় মুখ এটর্নি মঈন চৌধুরী ২০১৬ সাল থেকে ডেমোক্রাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লাজ হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
এটর্নি চৌধুরী ২০০০ সাল থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছেন। ২০০৫ সাল থেকে নিউইয়র্কে সক্রিয়ভাবে ডেমোক্রেটিক পাটির বিভিন্ন কর্মসূচীতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সিটি, স্টেট, কংগ্রেস, সিনেট, প্রেসিডেন্ট পদে দলের প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছেন। সেই সাথে তিনি সিটি মেয়রসহ বিভিন্ন পদে ডেমোক্রাট প্রার্থীদের পক্ষে একজন ফান্ড রেইজার ও ডোনার হিসাবেও পরিচিত।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের সমর্থনে তিনি বাংলাদেশীসহ সাউথ এশিয়ান কমিউনিটিকে সাথে নিয়ে প্রচারণায় অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে জোসেফ ক্রাউলিসহ নিউইয়র্কের অন্যান্য কংগ্রেসম্যান ও কংগ্রেসওম্যানদের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। সিনেটর চাক শুমার ও ক্রিস্টিন গিলিব্র্যান্ড এর সাথেও দলের বিষয়ভিত্তিক ইস্যুতে আলোচনা ও ভূমিকা রেখে চলেছেন।
নিউইয়র্কের ডিস্ট্রিক্ট ১৩-এর বর্তমান স্টেট সিনেটর হোজে পেরেলটা ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে সরে গিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বিধায় এই আসনে এটর্নি মঈন চৌধুরীর ডেমোক্রাট প্রার্থী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই আসনে নির্বাচন করতে দলের একটি অংশের পক্ষ থেকে তার ওপর বাড়তি চাপ রয়েছে।
বহুল আলোচিত ড্রিম এ্যাক্ট মার্কিন কংগ্রেসে পাশ না হওয়ায় ৮ লক্ষাধিক ড্রিমার (শিশু-কৈশোর অবস্থায় মা-বাবার সাথে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর এখন পর্যন্ত যারা বৈধতা পায়নি)এর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি সংখ্যা রয়েছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে। এদের বসবাস নিরাপদ করতে এবং তারা যাতে কলেজ-ভার্সিটিতে অধ্যয়নের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পায়, সে ধরনের একটি বিল স্টেট সিনেটে পাশে সর্বশক্তি নিয়োগের অঙ্গিকার করেছেন এটর্নী মঈন। এছাড়া, অভিবাসীদের মর্যাদা কেড়ে নেয়ার যে হুমকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরদম বলে বেড়াচ্ছেন-তা রুখে দিতেও স্টেট সিনেটে কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেছেন মঈন চৌধুরী।
তিনি দীর্ঘদিন আইন পেশায় জড়িত থেকে ইমিগ্রান্ট কমিউনিটির দুঃক্ষ–দুর্দশা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। প্রবাসের বাঙালীরা ছাড়া সাউথ এশিয়ান ও আমেরিকানদের কাছেও তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তার সাফল্যের ব্যাপারে কমিউনিটি আশাবাদী।
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া