Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর পদে প্রার্থী হচ্ছেন এটর্নি মঈন চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 158 বার

প্রকাশিত: March 21, 2018 | 3:11 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত মুলধারার রাজনীতিক, কমিউনিটি লিডার ও ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্নি মঈন চৌধুরী ২০১৮ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে স্টেট সিনেটর পদে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন। তিনি  শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১৩ থেকে এই পদে নির্বাচনের ঘোষনা দিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, আশা করছি কুইন্স কাউন্টি থেকে নির্বাচনের অনুমোদন পেয়ে যাবো।


বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রিয় মুখ এটর্নি মঈন চৌধুরী ২০১৬ সাল থেকে ডেমোক্রাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লাজ হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
এটর্নি চৌধুরী ২০০০ সাল থেকে ডেমোক্রেটিক পার্টির কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছেন। ২০০৫ সাল থেকে নিউইয়র্কে সক্রিয়ভাবে ডেমোক্রেটিক পাটির বিভিন্ন কর্মসূচীতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সিটি, স্টেট, কংগ্রেস, সিনেট, প্রেসিডেন্ট পদে দলের প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছেন। সেই সাথে তিনি সিটি মেয়রসহ বিভিন্ন পদে ডেমোক্রাট প্রার্থীদের পক্ষে একজন ফান্ড রেইজার ও ডোনার হিসাবেও পরিচিত।


২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের সমর্থনে তিনি বাংলাদেশীসহ সাউথ এশিয়ান কমিউনিটিকে সাথে নিয়ে প্রচারণায় অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে জোসেফ ক্রাউলিসহ নিউইয়র্কের অন্যান্য কংগ্রেসম্যান ও কংগ্রেসওম্যানদের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। সিনেটর চাক শুমার ও ক্রিস্টিন গিলিব্র্যান্ড এর সাথেও দলের বিষয়ভিত্তিক ইস্যুতে আলোচনা ও ভূমিকা রেখে চলেছেন।
নিউইয়র্কের ডিস্ট্রিক্ট ১৩-এর বর্তমান স্টেট সিনেটর হোজে পেরেলটা ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে সরে গিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বিধায় এই আসনে এটর্নি মঈন চৌধুরীর ডেমোক্রাট প্রার্থী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই আসনে নির্বাচন করতে দলের একটি অংশের পক্ষ থেকে তার ওপর বাড়তি চাপ রয়েছে।

বহুল আলোচিত ড্রিম এ্যাক্ট মার্কিন কংগ্রেসে পাশ না হওয়ায় ৮ লক্ষাধিক ড্রিমার (শিশু-কৈশোর অবস্থায় মা-বাবার সাথে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর এখন পর্যন্ত যারা বৈধতা পায়নি)এর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি সংখ্যা রয়েছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে। এদের বসবাস নিরাপদ করতে এবং তারা যাতে কলেজ-ভার্সিটিতে অধ্যয়নের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পায়, সে ধরনের একটি বিল স্টেট সিনেটে পাশে সর্বশক্তি নিয়োগের অঙ্গিকার করেছেন এটর্নী মঈন। এছাড়া, অভিবাসীদের মর্যাদা কেড়ে নেয়ার যে হুমকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরদম বলে বেড়াচ্ছেন-তা রুখে দিতেও স্টেট সিনেটে কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেছেন মঈন চৌধুরী।
তিনি দীর্ঘদিন আইন পেশায় জড়িত থেকে ইমিগ্রান্ট কমিউনিটির দুঃক্ষ–দুর্দশা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। প্রবাসের বাঙালীরা ছাড়া সাউথ এশিয়ান ও আমেরিকানদের কাছেও তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তার সাফল্যের ব্যাপারে কমিউনিটি আশাবাদী।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV