নিউজারসির আটলান্টিক সিটিতে বহুজাতিক সাংস্কৃতিক উৎসবে বাংলাদেশী-আমেরিকান শিশু-কিশোরদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা
নিউজারসি : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহুজাতিক সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশী-আমেরিকান শিশু-কিশোররা তাদের শেকড়ের পরিচয় তুলে ধরলো বহুজাতিক সাংস্কৃতিক উৎসবে। তাদের নিপুন পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থল হয়ে উঠেছিল এক খণ্ড মিনি বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউজারসি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে গত ১২ই জুন সোমবার বিকেল চারটা থেকে বিকেল সাতটা পর্যন্ত সভরেন এভিনিউ স্কুল এর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো প্রথমবারের মতো এই বহুজাতিক সাংস্কৃতিক উৎসব। উৎসবের আয়োজক সভরেন এভিনিউ স্কুল এর অধ্যক্ষ মিসেস মেডিনা পেয়টন জানালেন, তাঁর স্কুলে চল্লিশটি দেশের পঁচিশ ভাষাভাষীর ছাএ-ছাএী অধ্যয়ন করে। এসব ভিন্ন ভাষা-ভাষীদের কৃষ্টি, সাহিত্য-সংস্কৃতির মেল বন্ধন ঘটানোর লক্ষ্যেই তাঁদের এই প্রয়াস। তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে ছাএ-ছাএীরা একে অপরের কৃষ্টি, সাহিত্য-সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হয়ে নিজেদের জ্ঞ্যানের পরিধিকে আরো প্রসার করতে পারবে। নির্দিষ্ট সময়ে উৎসবের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সভরেন এভিনিউ স্কুলের অধ্যক্ষ মিসেস মেডিনা পেয়টন। তাঁর আহবানে মঞ্চে আসেন আটলান্টিক সিটি মেয়র ডন গার্ডিয়ান। ঐদিন ছিল মেয়র ডন গার্ডিয়ানের ৬৪তম জন্ম দিবস। উৎসবে উপস্থিত সবাই তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন। জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে ডন গার্ডিয়ান উৎসবের উদ্যোক্তা ও উপস্থিত সুধীজনকে এই ধরনের আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সমবেত কণ্ঠে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে উৎসবের শুভ সূচনা হয়।এরপর একে একে বিভিন্ন দেশের ছাএ-ছাএীরা সংগীত, নৃত্য ও বাদ্য- বাজনার মাধ্যমে তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরে। বাংলাদেশী- আমেরিকান শিশু-কিশোররা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে তাদের পরিবেশনা শুরু করে।এরপর তারা একে একে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নিদর্শন তুলে ধরে।মিলনায়তন ভর্তি ভিনদেশী সুধীজন তা প্রাণভরে উপভোগ করেন।প্রতিটি পরিবেশনা শেষে তুমুল করতালিতে সুধীজনের ভালোবাসায় সিক্ত হয় বাংলদেশী-আমেরিকান শিশু-কিশোররা।স্বাতী দাশগুপ্ত, পপি দাশগুপ্ত, নিবেদিতা ভট্টাচার্য, ফাহিয়া আহমেদ এর অক্লান্ত প্রয়াসে বাংলাদেশী-আমেরিকান শিশু-কিশোররা তাদের সুপ্ত প্রতিভা তুলে ধরে।
বহুজাতিক সাংস্কৃতিক উৎসবের অন্যতম আকর্ষণীয় অনুষঙ্গ ছিল ভিনদেশের হরেক পদের মুখরোচক খাবার। উৎসবে উপস্থিত সুধীজন বেশ আগ্রহ নিয়ে তা চেখে দেখেন এবং তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন। আগামীতে আরো ব্যাপক পরিসরে এই উৎসবের আয়োজন করা হবে এমন আশাবাদ কামনা করে উৎসবে আগত অভ্যাগতরা নীড়ে ফেরেন।
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ