নিউরো সাইন্সে বাংলাদেশী সোনিয়া আফরোজ এর পিএইচডি অর্জন
সোনিয়া আফরোজ জন্মগত ভাবে বরিশালের স›তান। সে গত জানুয়ারী ২০১৪ ইং এ স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক, ডাউন স্টেট মেডিকেল সেন্টার, ব্রুকলীন থেকে “নিউরো সাইন্সে” পিএইচডি অর্জন করেছে। গত জানুয়ারী ২০১৪ ইং এ সোনিয়া আফরোজ এর “থিসেস ডিফেন্স”/প্রেজেনটেশন ছিল (যাহা সকল ছাত্র/ ছাত্রী / শিক্ষক ও পিএইচডি কমিটির মে¤বার’দের জন্য উন্মোক্ত ছিল) যাহা পরিদর্শন শেষে পিএইচডি কমিটির ৬ জন মে¤বার তার পিএইচডি ওয়ার্ক সীটে স¦াক্ষর করেন। সাধারনতঃ পিএইসডি কমিটিতে বিভি›ন ইউনিভার্সিটির ৩ থেকে ৬ জন মে¤বার থাকেন। সোনিয়া আফরোজ সাড়ে তিন বছরে তার সম¯ত রিসার্চ /প্রোজেক্টের কাজ স¤পন্ন করে এই ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন। যেখানে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে এ্যাভারেজে (গড়ে) পিএইচডি কেন্ডিডেটরা ৫-৮ বছরে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করে থাকে। কেউ কেউ ৯ বছরেও পিএইচডি অর্জন করে থাকেন। নিউরো সাইন্সে সোনিয়া আফরোজ এর রিসার্চের মুল ফিল্ড ছিল, “রিসার্চ অন নিউরো ডেভলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার, যেমন-এসকিজোফ্রেনিয়া, অটিজম এবং “ইনহিবিশনারি রেগুলেশন ইন ব্রেইন”। ¯েপসিফিক্যাল্লি, “সি রিসার্চ অন হিপোক্যা¤পাস রিজিয়ন অন ব্রেইন”। “হিপোক্যা¤পাস ইজ দ্যা পার্ট অফ ব্রেইন দ্যাট ইজ ইনভলভড ইন মেমোরি ফর্মিং, অর্গানাইজিং এন্ড স্টোরিং। সোনিয়া আফরোজ উপরোক্ত মুল ফিন্ডের উপর রিসার্চ করে ম¯িতকের অনুভুতি প্রকাশে বাধাগ্রস্ত অঞ্চলকে কিভাবে নতুন পন্থায় অনুভুতি প্রকাশে সক্ষম করা যায়, তার উপর রিসার্চ প্রজেক্ট স¤পন্ন করে এই পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।
ব্রেইন এর মূল গবেষনার জন্য সোনিয়া আফরোজ সাব-ফিল্ড হিসাবে অর্থাৎ টেকনিকস হিসাবে নি¤েœাক্ত টেকনিকগুলি ব্যবহার করেছেন ঃ- (১) মলিকিউলার টেকনিক, (২) সেলুলার টেকনিক, (৩) ডেভলপমেন্টাল টেকটিক এবং (৪) মেডিকেল টেকনিক।সোনিয়া আফরোজ রিসার্চ এর উপর অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য হাইস্কুল এর ১১ গ্রেড থেকে বিভিন্ন বিষয়ের উপর রিসার্চ করা শরু করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে, সে আন্ডার গ্রাজুয়েট শেষ করেই সরাসরি পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ লাভ করে ছিলেন। অনেক ছাত্র/ছাত্রী অবশ্য আন্ডার গ্রাজুয়েট স¤পন্ন করে পরবর্তি ২-৩ বছর রিসার্চ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করে, তারপর পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হয়।
সোনিয়া আফরোজ, সুনি ডাউন স্টেট মেডিকেল সেন্টার এর বাহিরে এমআইটি, বষ্টন থেকে রিসার্চ প্রোগ্রাম করেছেন, ইয়াল ইউনিভার্সিটির, ইয়াল মেডিকেল স্কুল, কানেকটিকাট থেকে রিসার্চ প্রোগ্রাম করেছেন এবং এন.ওয়াই.ইউ পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে রিসার্চ প্রোগ্রাম করেছেন। এখানে উল্লেখ্য, সোনিয়া আফরোজ ডাউন স্টেট মেডিক্যাল সেন্টার থেকে স্কলারশীপ সহকারে পিএইচডি এবং অন্য সকল কলেজ, ইউনিভার্সিটির শিক্ষা জীবনও স্কলারশীপ সহকারে স¤প›ন করতে সক্ষম হয়েছেন। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ক্রমে সে সুনি ডাউনস্টেট মেডিক্যাল সেন্টার এর গ্রাজুয়েট/আন্ডার গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টদের রিসার্চ করা শিক্ষা দিতেন এবং একই সাথে নিজেও পিএইচডি প্রোগ্রাম করতেন। এজন্য কর্তৃপক্ষ তাকে বৎসরে ২৫০০০ ডলার প্রদান করতেন। সোনিয়া আফরোজ ২০১১-২০১২ ইং সুনি ডাউনস্টেট মেডিক্যাল সেন্টারের ‘গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট ইউনিয়ন’এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সে ব্রুকলীন টেকনিক্যাল হাই স্কুলের ত্রৈ-মাসিক ম্যাগাজিনের চীফ এডিটর ছিলেন।
ইন্টারন্যাশনাল নিউরো সাইন্স কনফারেন্সে যোগদান : সোনিয়া আফরোজ পিএইচডি করা অবস্থায় অনেক বার ইউনিভার্সিটির খরচে বার্ষিক আন্তর্জাতিক নিউরো সাইন্স কনফারেন্সে ৩-৭ দিনের জন্য রিসার্চ প্রোজেক্ট প্রেজেণ্ট করার জন্য যোগদান করেছেন। উহার মধ্যে
(১) সোসাইটি ফর নিউরো সাইন্স কনফারেন্স ইন সান ডিয়াগো-২ বার (২০১০ ও ২০১৩ইং)
(২) সোসাইটি ফর নিউরো সাইন্স কনফারেন্স ইন ওয়াশিংটন ডিসি (২০১১ইং)
(৩) সোসাইটি ফর নিউরো সাইন্স কনফারেন্স ইন নিউ অর্লিনস (২০১২ইং)
শিক্ষাগত জীবনে এওয়ার্ড/সার্টিফিকেটস লাভ ঃÑ
সোনিয়া আফরোজ শিক্ষাগত জীবনে বহু এসিভমেন্ট এওয়ার্ড/সার্টিফিকেট লাভ করেন। তার মধ্যে বিশেষ কতগুলির নাম উল্লেখযোগ্যঃ –
(১) জুনিয়র হাইস্কুলে ৭ম এবং ৮ম গ্রেডে ১০০%উপ¯িহতির জন্য এ্যাটেনডে›স এওয়ার্ড লাভ।
(২) বহুবার স্টুডেন্ট অব দ্যা মান্থ অর্জন।
(৩) প্রিন্সিপাল এওয়ার্ড লাভ।
(৪) চ্যান্সেলর রোল অব অনার এওয়ার্ড লাভ।
(৫) সপ্তম ও অস্টম গ্রেডে অনার রোল সার্টিফিকেট লাভ।
(৬) সিনেটর এওয়ার্ড লাভ।
(৭) এডিটর চয়েজ এওয়ার্ড লাভ-অ গড়ঃযবৎ’ং ঊীরংঃবহপব কবিতা লেখার জন্য।
(৮) ফেমাস পয়েট সনদ পত্র লাভ-এড়ড়ফনুব ঝঁহংবঃ কবিতা লেখার জন্য।
(৯) অনার সোসাইটি এওয়ার্ড লাভ।
(১০)মাউন্টসিনাই স্কুল অব মেডিসিন, ম্যানহাটান থেকে এইচ.আই.ভি এবং টিবির উপর
রিসাচর্ প্রোগ্রাম স¤প›ন করে সনদ সার্টিফিকেট লাভ করেন ।
(১১)সোনিয়া আফরোজ মেধার যোগ্যতায় “চযর ইবঃধ শধঢ়ঢ়ধ”-‘ফাই-বেটা-কাপ্পা’ অনার
সোসাইটির মে¤বার হন। এখানে উল্লেখ্য, উপরোক্ত অনার সোসাইটির মে¤বার হতে সকল
ছাত্র/ছাত্রী’দেরকে অবশ্যই সব সাবজেক্টে ওয়েল রাউন্ডেড হতে হয়।
(১২)সাইন্স ফেয়ার এওয়ার্ড লাভ -নিউইয়র্ক একাডেমী অব সাইন্স, নিউইয়র্ক
সংক্ষিপ্ত জীবন ও শিক্ষা পরিচিতি: সোনিয়া আফরোজের জন্ম ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে। সে ১৯৯৪ ইং সালে ৫ বছর বয়সে নিউইয়র্কে আসেন এবং পিএস-১২, কুইন্স-এ প্রথম গ্রেডে ভর্তি হন। পাবলিক স্কুল শেষ করে সে আইএস-৭৩, কুইন্সে ৬ষ্ঠ-৮ম গ্রেড পর্য›ত পড়াশুনা করেন। পরে ¯েপশালাইজড সাইন্স হাইস্কুল এ্যাডমিশন টেস্টের মাধ্যমে ব্রুকলীন টেকে ভর্তির সুযোগ লাভ করেন। ব্রুকলীন টেক থেকে বায়ো-ক্যামেস্ট্রিতে হাইস্কুল গ্রাজুয়েশন স¤প›ন করেন এবং স্কলারশীপ সহকারে ব্রুকলীন কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে বায়ো-ক্যামিস্ট্রিতে আন্ডার গ্রাজুয়েট স¤প›ন করেন। পরে সুনি ডাউন স্টেট মেডিক্যাল সেন্টারে নিউরো সাইন্সে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ লাভ করেন এবং ২০১৪ সালে জানুয়ারীতে নিউরো সাইন্সে পিএইসডি অর্জন করেন। সোনিয়া আফরোজ “ব্রেইন এর রোগের ঔষধ আবিষ্কারক” হতে চায় এবং রিসার্চের উপর চাকুরী করতে আগ্রহী। সোনিয়া আফরোজ সম্মিলিত বরিশাল বিভাগবাসী ইউএসএ ইন্ক এর বর্তমান সহ সভাপতি ও প্রাক্তন সাধারন স¤পাদক এম. এ. ছালাম আকন্দ এবং মাতা মিসেস কামরুন নাহার এর প্রথম স›তান। তাঁদের আরো তিনটি স›তান রয়েছে। দ্বিতীয়টি বায়ো-ক্যামিস্টিত্রে আন্ডার গ্রেজুয়েট স¤প›ন করে মেডিকেল স্কুলে ভর্তির জন্য এমক্যাট-এর উপর প্র¯তুতি নিচেছ। তৃতীয় স›তান ফোরদাম ইউনিভার্সিটিতে, ফ্রেসম্যান ইয়ারে, প্রিমেডে অধ্যায়নরত আছে এবং চতুর্থ স›তান ৪র্থ গ্রেডে গিফটেড এন্ড টেলেনটেট প্রোগ্রামে অধ্যায়নরত আছে। সোনিয়া সহ তারা বাংলাদেশী কমিউনিটির কাছে দোয়া প্রার্থী।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!
