Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

নিউ ইয়র্ক টাইমসে নিবন্ধ :ব্রান্ডকে নয়, বাংলাদেশকে দায়ী করুন -কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 177 বার

প্রকাশিত: February 2, 2013 | 9:14 AM

 ডেস্ক: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে গার্মেন্টে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৪০০ শ্রমিক নিহত হয়েছে। এসব গার্মেন্টের জানালা আটকে দেয়া। গার্মেন্ট থেকে বের হওয়ার পথ তালাবদ্ধ। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেখানে ক্ষীণ। তা সত্ত্বেও এসব গার্মেন্ট ইন্সপেকশনে পাস করেছে। এ অবস্থায় এ কারখানায় যেসব ব্রান্ডের পোশাক তৈরি হতো বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা, শ্রমিক অধিকার বিষয়ক সংস্থা তাদের দায়ী করছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি তোলা হয়েছে ব্রান্ডগুলোর কাছে। কিন্তু এমন দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছেন কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী। তিনি বলেছেন, ব্রান্ডকে দায়ী করবেন না। বাংলাদেশকে দায়ী করুন। প্রফেসর জগদীশ ভগবতী ‘ইন ডিফেন্স অব গ্লোবালাইজেশন’ বইয়ের লেখক ও কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স-এর ফেলো। তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের ‘রুম ফর ডিবেট’ বিভাগে ‘ব্লেম বাংলাদেশ, নট দ্য ব্রান্ডস’ শীর্ষক এক মন্তব্য কলামে এসব কথা লিখেছেন। তিনি উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার হ্যামলেটে একটি পোল্ট্রি ফার্মে অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে লিখেছেন, ওই প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জন শ্রমিক নিহত হন। আহত হন ৫৫ জন। এতে রাজ্যজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের আত্মীয়স্বজন তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানতেন, ওই এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ভাল চাকরির সুবিধা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের যে ভবনে শ্রমিকরা অগ্নিকাণ্ডের আগে কাজ করছিলেন তার বহির্গমন গেট বা বের হওয়ার পথ ছিল তালাবদ্ধ। ফলে নিহত ও আহতদের বেশির ভাগই আগুনে পুড়ে মারা যান। সরকারের নিষ্ক্রিয়তার পরিপ্রেক্ষিতে করপোরেট ব্রান্ডগুলোকে শ্রমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংস্কার করার দাবি খুবই সংকীর্ণ। বাংলাদেশ বা করাচির কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কি এই প্রশ্ন? ওই লেখায় তিনি নিজেই এ প্রশ্ন তুলে উত্তর দিচ্ছেনÑ না। ওই ঘটনা ঘটেছে নর্থ ক্যারোলিনার হ্যামলেটে একটি পোল্ট্রি ফার্মে। ১৯৯১ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক সিটি এ শহরকে ‘অল-আমেরিকান সিটি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। ওই অগ্নিকাণ্ডের জন্য দায় শুধু কোম্পানির নয়। একই সঙ্গে দায় সরকারেরও। বাংলাদেশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ফের কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ঘাটতি ও অলস মানসিকতা বড় করে ফুটিয়ে তুলেছে। এতে সম্ভবত যোগ হয়ে থাকতে পারে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ছোঁয়া। এতে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের অনিরাপদ অবস্থা থেকে রক্ষার বিষয়টি অবহেলিত থেকেই গেছে বলে প্রতিফলিত হয়। যেমন, যখন শ্রমিকরা কোন খোলা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চুল্লির কাছে কাজ করবেন তখন তাদেরকে চশমা দিতে হবে এবং তারা উপযোগী পোশাক পরেছেন কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। সরকারের নিষ্ক্রিয়তার ফলে ওয়াল-মার্ট, গ্যাপ ও অন্য ব্রান্ডগুলোকে শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বলা সংকীর্ণতা।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ