Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

জনশুমারির ফরম থেকে ‘নিগ্রো’ শব্দটি বাদ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 154 বার

প্রকাশিত: February 26, 2013 | 2:50 PM

ডেস্ক : ১১৩ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানদের বর্ণপরিচয়ের জন্য জনশুমারির কাগজপত্রে ‘নিগ্রো’ শব্দটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এবার তা শোধরানোর উদ্যোগ নিয়েছে জনশুমারি ব্যুরো। সিদ্ধান্ত হয়েছে জনশুমারির ফরম থেকে ‘নিগ্রো’ শব্দটি বাতিল করা হবে। তার বদলে কেবল ‘ব্ল্যাক’ বা ‘আফ্রিকান-আমেরিকান’ শব্দ দুটি ব্যবহার করা হবে। আগামী বছর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। জনশুমারি ব্যুরোর জাতি পরিসংখ্যান শাখার প্রধান নিকোলাস জোনস বার্তাসংস্থা  এপি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে জনশুমারির ফরমে বর্ণ উল্লেখ করার জন্য পাঁচটি ঘর আছে। তার একটিতে বলা আছে- কৃষ্ণাঙ্গ, আফ্রিকান-আমেরিকান অথবা নিগ্রো। আগামী বছর সেখান থেকে নিগ্রো শব্দটি বাদ দেওয়া হবে। নিকোলাস জানান, আগামী বছর জনশুমারি ব্যুরো দেশের ৩৫ লাখ পরিবারের মধ্যে শুমারির নতুন ফরম বিতরণ করবে। সে সময় এ পরিবর্তন কার্যকর হবে। কয়েক মাস ধরে চালানো জনমত জরিপ ও জনশুমারি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক এখনো নিজেদের নিগ্রো বলেই পরিচয় দেয়। তবে অনেকেই শব্দটিকে ‘আপত্তিকর ও সেকেলে’ মনে করে। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং বর্ণ ও জাতিবিষয়ক লেখক ম্যাথিউ স্নিপ এ গবেষণা জরিপের ফল সম্পর্কে বলেছেন, “সময় বদলাচ্ছে, বদলাচ্ছে শব্দের মানে। এ দেশে বর্ণ শব্দের মানেও যে বদলাচ্ছে এ সিদ্ধান্ত তারই প্রতিফলন। ‘নিগ্রো’ শব্দটি নতুন প্রজন্মের আফ্রিকান-আমেরিকানদের সেই সময়কে মনে করিয়ে দেয়, যখন তারা দেশের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক ছিল।” যুক্তরাষ্ট্রে নিগ্রো শব্দটির প্রথম প্রচলন ঘটে জিম ক্রো যুগে (১৮৭৬ থেকে ১৯৬৫ সালের বর্ণবাদী বিভক্তির যুগ)। ওই সময় এমন সব আইন, নিয়ম ও প্রথার প্রচলন ছিল- যার মধ্য দিয়ে সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে কালো আমেরিকানদের বঞ্চিত করা হয়েছে। নিগ্রো শব্দটি জনশুমারিতে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয় ১৯০০ সালে। তারও আগে আফ্রিকান-আমেরিকানদের ‘অশ্বেতাঙ্গ’ বলা হতো। তাচ্ছিল্য করে অশ্বেতাঙ্গের বদলে নিগ্রো শব্দটির প্রচলন ঘটে। ১৯৬০-এর দশকে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের নেতৃত্বে আফ্রিকান-আমেরিকানদের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কৃষ্ণাঙ্গরা নিগ্রো শব্দটি প্রত্যাখ্যান করে। তারা নিজেদের কৃষ্ণাঙ্গ বা আফ্রিকান-আমেরিকান বলে পরিচয় দিতে শুরু করে। সূত্র : এপি।কালের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ