পথ ভুলে ৭ হাজার মাইল দূরে বাংলাদেশে
ডেস্ক: মার্কিন দম্পতিকে ভুল পথে আনা হয়েছিল নির্দিষ্ট গন্তব্য থেকে ৭০০০ মাইল দূরে বাংলাদেশে। স্থানের নামের উচ্চারণ বিভ্রাটে তাদের দিতে হয়েছে চরম মূল্য। যাওয়ার কথা ছিল সেনেগালের ডাকারে এক বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। কিন্তু বিমানের টিকিট কাটার সময় বিমান সংস্থার কর্মকর্তারা ডাকার আর ঢাকা এই দু’টি শব্দকে আলাদা করতে পারেন নি। ফলে ডাকারের সাংকেতিক নামের স্থানে তাদের বিমান টিকিটে সিল পড়ে ঢাকার। তারা আফ্রিকা মহাদেশের ডাকারের পরিবর্তে ৭০০০ মাইল দূরে বাংলাদেশের ঢাকায় এসে অবতরণ করেন। তারপর তো তাদের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। কি হবে, কিভাবে সেনেগালের ডাকারে যাবেন- এক রকম হা-হুতাশের মধ্যে পড়ে যান তারা। ঢাকায় ১২ ঘণ্টা অবস্থান করে তারা ফিরতি ফ্লাইটে চলে যান ইস্তাম্বুলে। সেখান থেকে আরেকটি ফ্লাইটে সেনেগালের ডাকারে। সমপ্রতি ঘটে যাওয়া এ ঘটনার খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন এওএল ডটকো ডট ইউকে। আসলে ইংরেজি তিন অক্ষরের বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন ওই মার্কিন দম্পতি স্যান্ডি ভ্যালডিভিয়েসো ও টিয়েট ভো। তাদের বিমানে করে যাওয়ার কথা ছিল সেনেগালের রাজধানী ‘ডাকার’-এ এক বন্ধুর কাছে। কিন্তু তিন অক্ষরের বিভ্রাটে সেনেগাল তো দূরের কথা তারা এসে পড়েন ভিন্ন এক মহাদেশে, সেনেগাল থেকে ৭০০০ মাইল দূরে। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যানজেলেস থেকে তাদের তুরস্কের ইস্তাম্বুল হয়ে যাওয়ার কথা ছিল আফ্রিকা মহাদেশের সেনেগালে। এ জন্য মিসেস ভ্যালডিভিয়েসো টার্কিশ এয়ারলাইন্সে টিকিট বুকিং দেন। ওই সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের টিকিটে ইস্তাম্বুলের সাংকেতিক নাম ‘ওঝঞ’ সিল লাগিয়ে দেন। আরেকটি টিকিটে সিল পড়ে ‘উঅঈ’। তখন তিনি জানতেন না যে, ইংরেজি ডিএসি দিয়ে বাংলাদেশের ঢাকাকে বোঝানো হয়, সেনেগালের ডাকারকে বোঝানো হয় না। ডাকারের সাংকেতিক নাম ‘উকজ’। কোন অঘটন ছাড়াই তারা পৌঁছে যান ইস্তাম্বুলে। এরপর আরেকটি ফ্লাইটে চড়েন ডাকার যাওয়ার জন্য। দ্বিতীয় বিমানে ওঠার পর পরই তারা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। যখন তাদের ঘুম ভাঙে তখন তাদের মাথার ওপরে ভিডিও স্ক্রিনে দেখতে পান বিমান পাড়ি দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য। কিছু বুঝে উঠতে পারেন না তারা। চারদিকে তাকান। এতে আরও চমকে ওঠেন। আফ্রিকার সেনেগালগামী বিমানে থাকার কথা কৃষ্ণাঙ্গদের। কিন্তু তার বদলে তারা যেসব মানুষকে বিমানের ভিতরে দেখতে পান তাদের এশিয়ান মনে হয়। এমন এক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে তাদেরকে বহনকারী বিমান ঢাকায় অবতরণ করে। তারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যান। এ যে বাংলাদেশ! বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা এগিয়ে গিয়ে তাদের সহায়তা করেন। তারা দেখতে পান ওই দম্পতির টিকিটে তাদের গন্তব্য লেখা রয়েছে ‘উঅঈ’। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, তারা যাবেন সেনেগালের ডাকারে। তাদেরকে বুঝিয়ে দেয়া হয় ‘উঅঈ’ দিয়ে বাংলাদেশের ঢাকাকে বোঝানো হয়। ডাকার বোঝাতে ব্যবহার করা হয় ‘উকজ’। ততক্ষণ তারা বুঝতে পারেন তারা চলে এসেছেন ৭০০০ মাইল দূরে বাংলাদেশে। তখন এ সমস্যা সমাধানের জন্য তাদের হাতে আর কোন সময় ছিল না। অবশেষে বাংলাদেশেই তাদের কাটাতে হয় পরবর্তী ১২ ঘণ্টা। এর পরে তাদেরকে ফের ইস্তাম্বুলে ফেরত পাঠানো হয়। ইস্তাম্বুলে গিয়ে তারা ডাকারের ফ্লাইট ধরেন। তবে তাদের লাগেজ তাদের কাছে পৌঁছতে সময় লেগেছিল আরও দু’দিন। এ ঘটনার পর থেকেই মিসেস ভ্যালদিভেয়েসো তুরস্কের টার্কিশ এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করে আসছেন। কিন্তু এর কোন সমাধান পান নি। তবে ওই বিমান সংস্থা বলেছে, ঘটনার জন্য তারা দুঃখিত। ওই দম্পতিকে তারা যে কোন স্থানে সফরের জন্য বিনামূল্যে একটি টিকিট দেবেন। মিসেস ভ্যালদিভিয়েসো বলেছেন, আমরা তো মনে করেছিলাম ডাকারেই যাচ্ছি। কারণ, টিকিটের ওপর প্রিন্ট করা রয়েছে ‘উঅঈ’। কিন্তু ফ্লাইট সহকারীরা যখন বললো যে বিমানটি ডাকারে নয়, যাচ্ছে ঢাকা- তখন তো আর ভুল সমাধানের কোন পথই ছিল না। আমরা মনে করেছিলাম ডাকার আর ঢাকা একই। টার্কিশ উচ্চারণে এ দু’টি নামই এক শোনায়।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’