Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

পুত্র নিনিত পিতার কোন স্মৃতি না নিয়েই বড় হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 17 বার

প্রকাশিত: July 21, 2012 | 3:51 AM

ছয় সন্তানের মধ্যে সবার ছোট নিনিতকে বাবার কোন স্মৃতি না নিয়েই বড় হতে হবে- এমন একটি আশঙ্কা জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মধ্যে কাজ করছিল জীবনের শেষ দিনগুলোতে। আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় জন্মবার্ষিকীতে বাবাকে পাশে পাবে না নিনিত। সব মায়া কাটিয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তবে নিনিত যাতে বাবার স্মৃতি খুঁজে নিতে পারে, শেষ দিনগুলোতে সে চেষ্টা করে গেছেন হুমায়ূন। ২০১১ সালের বইমেলায় প্রকাশিত ‘বাদশাহ নামদার’ বইটি তিনি উৎসর্গ করে গেছেন কনিষ্ঠ সন্তানকেই। বইটির উৎসর্গপত্রে হুমায়ূন লিখেছেন, “আমার কেবলই মনে হচ্ছে, পুত্র নিনিত পিতার কোন স্মৃতি না নিয়েই বড় হবে। সে যেন আমাকে মনে রাখে এজন্য নানান কর্মকাণ্ড করছি। আমি ছবি তুলতে পছন্দ করি না। এখন সুযোগ পেলেই নিনিতকে কোলে নিয়ে ছবি তুলি। এ বইয়ের উৎসর্গপত্রও স্মৃতি মনে রাখা প্রকল্পের অংশ।” বাদশাহ নামদার বইটির প্রধান চরিত্র দিল্লির সম্রাট হুমায়ূন। ভূমিকায় এ বই লেখার কারণ সম্পর্কে পাঠককে খানিকটা আভাস দিয়েছেন লেখক হুমায়ূন। তিনি লিখেছেন, “আমার নিজের নাম হুমায়ূন হওয়ায় ক্লাস সিক্স সেভেনে আমার মধ্যে শুধুমাত্র নামের কারণে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়। সেই সময়ের পাঠ্য তালিকায় মোঘল ইতিহাস খানিকটা ছিল, তাতে ছিল শের শাহের হাতে হুমায়ূনের একের পর এক পরাজয়ের কাহিনী। হুমায়ূনের পরাজয়ের দায়ভার খানিকটা আমাকেও নিতে হয়েছিল। “ক্লাসে আমাকে ডাকা হতো হারু হুমায়ূন। কারণ আমি শুধু হারি… মহান সম্রাট শের শাহের হাতে- যিনি ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন, গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড বানান। আমি শুধু পালিয়ে বেড়াই। হায়রে শৈশব।” একুশে পদকজয়ী এই ঔপন্যাসিক ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য গত বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রে যান। মাঝখানে কিছুদিনের জন্য দেশে এলেও এ বছরের শুরুতে আবার নিউ ইয়র্কে ফেরেন অস্ত্রোপচারের জন্য। বৃহস্পতিবার রাতে ম্যানহাটনের বেলভ্যু হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হুমায়ূন প্রথম বিয়ে করেন ১৯৭৩ সালে গুলতেকিনকে। তাদের চার সন্তান হলেন নোভা, শীলা, বিপাশা ও নুহাশ। ২০০৫ সালে গুলতেকিনের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর বিয়ে করেন শাওনকে। এই দম্পতিরই দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিত। সূত্র : বিডিনিউজ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ