Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি নি হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

পোকামাকড় খাওয়ার তাগিদ দিলো জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 117 বার

প্রকাশিত: May 14, 2013 | 2:31 PM

ডেস্ক: বিশ্বের ক্ষুধা মোকাবিলার জন্য অধিক হারে পোকামাকড় খাওয়ার তাগিদ দিয়েছে জাতিসংঘ। এর একটি নতুন রিপোর্টে এ দাবি করে বলা হয়েছে, পোকামাকড়ে রয়েছে অধিক হারে পুষ্টি। এছাড়াও পোকামাকড় পরিবেশ দূষণ কমিয়ে দেয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পৃথিবীর প্রায় ২০০ কোটি মানুষের খাদ্যের বিকল্প হিসেবে ইতিমধ্যে পোকামাকড় স্থান পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা অবগত আছেন যে,  বেশির ভাগ পশ্চিমা পোকামাকড় খাওয়াটা তীব্র বিরক্তি ও ঘৃণার দৃষ্টিতে বিবেচনা করে। এ দৃষ্টিভঙ্গি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে বড় অন্তরায় বলে তারা মনে করছেন। পোকামাকড়ের পুষ্টিগুণের হিসাবটা একটু দেখে নেয়া যাক। প্রতি ১০০ গ্রাম শুয়োপোকায় ২৮.২ গ্রাম প্রোটিন ও ৩৫.৫ মিলিগ্রাম আয়রন আছে। ফড়িং-এ ২০.৬ গ্রাম প্রোটিন, ৩৫.২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৫ মিলিগ্রাম আয়রন আছে। গোবর পোকায় ১৭.২ গ্রাম প্রোটিন, ৩০.৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৭ মিলিগ্রাম আয়রন আছে। পক্ষান্তরে মাংসের কিমায় রয়েছে ২৭.৪ গ্রাম প্রোটিন ও ৩.৫ মিলিগ্রাম আয়রন। বোলতা, গোবরে পোকা ও অন্য পোকামাকড়গুলো মানুষের খাদ্য হিসেবে তেমন ব্যবহার হচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। খাদ্যাভাব পূরণে পোকামাকড়ের চাষ করাটা উল্লেখযোগ্য উপায় বলে মনে করছে ‘ফাও’। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পোকামাকড় সর্বত্র সহজলভ্য এবং এরা দ্রুত বংশবিস্তার করে। তাছাড়াও পরিবেশের উপর এদের নেতিবাচক প্রভাব কম। পোকামাকড়ে আমিষ ও স্নেহ জাতীয় বৈশিষ্ট্য ছাড়াও খনিজ পদার্থ রয়েছে। পুষ্টির অভাবে ভোগা শিশুদের জন্য পোকামাকড় খাদ্য পরিপূরক হতে পারে বলে গবেষকরা মন্তব্য করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী একই পরিমাণ প্রোটিনের যোগান দিতে গরু-ছাগলের তুলনায় ঝিঝি পোকার ১২ গুণ কম খাবার প্রয়োজন হয়। পোকামাকড়ের তুলনায় অন্যান্য গবাদিপশু পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস বেশি উৎপাদন করে। প্রতিবেদনে খাবার হোটেলগুলোর মেন্যুতে পোকামাকড়ের তৈরি খাদ্য সংযোজন করতে তাগিদ দিয়েছে। কিছু কিছু স্থানে পোকামাকড়কে মুখরোচক বলে মনে করা হয় এমনটাই দাবি করছেন গবেষকরা। উদাহরণস্বরূপ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু শুয়োপোকাকে খানদানি বিবেচনা করা হয় এবং সেগুলোর দামও বেশি। ভক্ষণকৃত বেশির ভাগ পোকামাকড় জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রির জন্য পাঠানো হয়ে থাকে। পোকামাকড়কে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার এবং উৎপাদনের জন্য আরও উন্নত নিয়মকানুন প্রণয়নের তাগিদ দেয়া হয় প্রতিবেদনটিতে। বৃহৎ পরিসরে খাদ্য হিসেবে পোকামাকড়ের উৎপাদন বাস্তবসম্মত বলে মনে করছে ‘ফাও’-এর গবেষকরা।মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV