Saturday, 27 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
সব ক্যাটাগরি

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিরিয়া হামলা নিয়ে কংগ্রেসে বিভক্তি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 151 বার

প্রকাশিত: April 8, 2017 | 4:17 PM

প্রিয়াংকা পান্ডে: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিরিয়া হামলা নিয়ে বিতর্ক চলছে মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে। এক পক্ষ বলছে ট্রাম্প যা করেছে তা সঠিক। অন্যপক্ষ এটিকে আইন বিরূদ্ধ বলছে। আপাতত এই দু’দলে বিভক্ত মার্কিন কংগ্রেস।

ট্রাম্পকে সমর্থন জানিয়ে সিনেটর মিচ ম্যাকনেল বলেন, ‘একদম উচিত কাজ করেছেন প্রেসিডেন্ট। ’

হোয়াইট হাউসের স্পিকার পল রায়নও সমর্থন করেছেন ট্রাম্পেকে। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের সামরিক হামলা সময় উপযোগী।’

তবে কংগ্রেসের অনেকেই ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন না। তারা বলছেন, ট্রাম্পের এই হামলা করার আগে কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা করা উচিৎ ছিলো।

এ বিষয়ে সিনেট কমিটির সদস্য এলিজাবেথ ওয়ারেন সিরিয়ার রাসায়নিক হামলার নিন্দা করলেও এ বিষয়ে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পূর্বে কংগ্রেসের সঙ্গে আলাপ করে নেওয়া আবশ্যক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানিক শাখা থেকে সকল সামরিক কর্মকা-ের অনূমোদন দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সিরিয়ায় সংঘটিত সামরিক হামলায়ও কংগ্রেসের হাত থাকা জরুরি ছিল।’

এর আগে ১৯৭৩ সালে এভাবেই ভিয়েতনামের সঙ্গে অঘোষিত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল আমেরিকা। সেখানে আমেরিকান সৈন্য পাঠানোর আগে কংগ্রেসের অনুমতি না নেওয়ায় বলা হয়েছিল, আইনপ্রণেতারা সিদ্ধান্ত না দিলে ৯০ দিনের বেশি সৈন্যরা থাকতে পারবে না সেখানে।

তবে বিশেষ আইনে খুব জরুƒরী প্রয়োজনে আক্রমনের জবাব দেওয়ার স্বাধীনতা পাবে প্রেসিডেন্ট এবং এই সুবিধা এর আগে জর্জ বুশ, বারাক ওবামা এবং এখন ট্রাম্প নিয়েছে।

২০০১ সালের ৯/১১ এর কথা বিবেচনা করলে দেখা যায়, আমেরিকার মাটিতে যেকোন সমস্যা হলেই যেকোন পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি কংগ্রেসই দিয়েছিল বুশকে। এছাড়া ২০১৪ সালে এভাবেই জঙ্গীসংস্থা আইএসের বিপক্ষে লড়াইয়ে নেমেছিলেন ওবামা।

এবার ইরাক, আফগানস্তান এবং সর্বশেষ সিরিয়ার প্রতি একই ভাবে নিজের শক্তির বহিপ্রকাশ করলেন ট্রাম্প। নিউ ইর্য়ক পোষ্ট থেকে অনূদিত/আমাদের সময়.কম

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV