ফেডারেল কর্মচারীদের ন্যুনতম মজুরি ১০ ডলার ১০ সেন্ট :২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর
ডেস্ক: চুক্তিভিত্তিক ফেডারেল কর্মচারিদের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে ১০ ডলার ১০ সেন্ট করা হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসকে এক হাত দেখিয়ে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বুধবার তার বিশেষ ক্ষমতাবলে এ সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এখন থেকে আমেরিকার সব নাগরিকই এ সুবিধা পাবেন। কংগ্রেসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই ওবামা মজুরি বাড়িয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। মজুরি বাড়াতে প্রেসিডেন্টের এই ‘এক্সিকিউটিভ অর্ডার’ বা নির্বাহী আদেশের পরে কাগজপত্র নেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এমন প্রায় ১১ মিলিয়ন অভিবাসীর বৈধতার পথও খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।হোয়াইট হাউসের ‘পূর্ব কক্ষ’ আনুষ্ঠানিকতা উদযাপনের সময় প্রেসিডেন্ট ওবামা নির্বাহী আদেশে ন্যূনতম মজুরি ৭ ডলার ২৫ সেন্ট থেকে ১০ ডলার ১০ সেন্ট বাড়ালে অর্থনীতিতে যে গতি ফিরবে, তার পক্ষে একটি হিসাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে মাথায় রেখে এ বছরটিকে কংগ্রেসের গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। যদিও হাউস স্পিকার জন বোয়েনার প্রেসিডেন্ট ওবামার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, ন্যূনতম মজুরি বাড়ালে যে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, সে ব্যাপারে তার সন্দেহ রয়েছে। এদিকে, কংগ্রেসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ওবামা তার সমর্থকদের উৎসাহিত করে আরো বলেন, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর প্রস্তাবে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা কী সে সম্পর্কে প্রত্যেকটি মার্কিন নাগরিকেরই জানার অধিকার রয়েছে। মার্কিন অভিবাসীদের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, আপনারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছে প্রশ্ন করুন, তারা কি ন্যূনতম মজুরি ১০ ডলার ১০ সেন্ট করাকে সমর্থন করেন কিনা? যদি তারা নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন, তাহলে তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ না করে শুধু জানতে চান কেন তারা সমর্থন করেন না? সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিনিদের এই চাওয়াকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করুন এবং তাদের ‘হ্যা’ বলতে উৎসাহিত করুন। ওবামা বলেন, ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি লাখ লাখ মার্কিনিকে আর্থিকভাবে সাহায্য করবে ও অর্থনীতিকে চাঙা হবে। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণেরও সমর্থন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সমর্থন আদায় করতে পারেননি প্রেসিডেন্ট ওবামা।ন্যূনতম এ মজুরি বৃদ্ধির পদক্ষেপে ডিশ ওয়াশার, ফাস্টফুড স্টোরের কর্মচারী ও লন্ড্রি কর্মচারীরা বেশি লাভবান হবেন। তবে ওবামার ওই নির্বাহী আদেশে মোট কত সংখ্যক মানুষ লাভবান হবেন, সে ব্যাপাওে হোয়াইট হাউস কোনো পরিসংখ্যান দেয়নি। তবে শ্রমমন্ত্রী থমাস পেরেজ বলেছেন, এর ফলে লাখ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন এবং অন্যরা আরো উন্নত সেবা পাবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই নির্বাহী আদেশ ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!