ফেসবুকে ডিজলাইক বাটন নেই কেন?
ফেসবুকে লাইক বাটন আছে, কিন্তু নেই ‘ডিজলাইক’ বাটন। ফেসবুকে ডিজলাইক বাটন থাকলে কোনো কিছু অপছন্দ হলে জানানো সুবিধা হতো। কিন্তু ডিজলাইক বাটন কেন নেই?
সম্প্রতি এই প্রশ্ন করা হয়েছিল ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গকে। জবাবে জাকারবার্গ বলেন, তিনি ডিজলাইক বাটনের পক্ষে নন; বরং ফেসবুকে কারও মন্তব্যের বিপরীতে অন্য আবেগ প্রকাশের পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছে তাঁর প্রতিষ্ঠান। ১১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেনলো পার্কে জাকারবার্গ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
জাকারবার্গ বলেন, ডিজলাইক বাটনের ধারণাটি তাঁর পছন্দের নয়, তাই ফেসবুক এ ধরনের কোনো বাটন তৈরি করছে না।
জাকারবার্গ বলেন, ‘এর আগেও অনেকে ডিজলাইক বাটন নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করেছেন। অনেকেই ডিজলাইক বাটন দিয়ে তাঁদের অপছন্দের কথা জানাতে চান। কিন্তু আমরা মনে করি, তা সবার জন্য ভালো হবে না। তাই আমরা এটা বানাব না। ফেসবুকের কোনো পোস্ট ভালো, নাকি মন্দ—সেই ভোট দেওয়ার পদ্ধতি আমরা প্রবর্তন করতে চাই না। সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তা খুব ভালো হবে বলে মনে হয় না।’ তবে শুধু লাইক বাটনের পরিবর্তে আবেগ প্রকাশক অন্য বাটন বা অন্য উপায়ে ফেসবুকে আসতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। কারণ, প্রিয়জন মারা গেলে সে ধরনের পোস্টে শুধু লাইক দিলে তা যথার্থ হয় না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন ধরেই চিন্তা-ভাবনা করছি। মানুষ কীভাবে তাঁদের আবেগ ফেসবুকে প্রকাশ করতে পারে, তা নিয়ে কাজ চলছে। শুধু মন্তব্য বা লাইক বাটন দিয়েই এখন কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে তাঁদের আবেগ প্রকাশের অন্যান্য পদ্ধতি যুক্ত হলে তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কিন্তু তার আগে আমাদের সঠিকভাবে সেই পদ্ধতিগুলো খুঁজে বের করতে হবে। দেখতে হবে তা যেন ভালো-মন্দের ভোটাভুটি পদ্ধতি না হয়ে যায়।’
গত মাসে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন জাকারবার্গ। ফেসবুকে ‘কিউ অ্যান্ড এ উইথ মার্ক’ নামের পেজে জাকারবার্গকে প্রশ্ন করার সুযোগ পান ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। এখানে পোস্ট করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ৩০ বছর বয়সী ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী।
শুধু ডিজলাইক বাটন নয়, জাকারবার্গ আরও বেশ কিছু জটিল প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন। এর মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল ফেসবুক আসক্তি নিয়ে। মেনলো পার্কের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যবহারকারীদের প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি।
ফেসবুক ব্যবহারে সময়ের অপচয় হচ্ছে কি না—এই প্রশ্নের উত্তরে জাকারবার্গ বলেন, ‘সামাজিকতার ক্ষেত্রে বাঁধাধরা সময় মানা হয় না। এ ক্ষেত্রে সম্পর্ক ও যোগাযোগই মুখ্য। পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগই আসল। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার বিষয়টি আমার মনে হয় না সময়ের অপচয় বলা ঠিক হবে।’প্রথম আলো
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone