Monday, 15 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

ফোবানার ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত আইনগত বাধ্যবাধকতা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 154 বার

প্রকাশিত: May 17, 2014 | 9:24 PM

বছর ঘুরে আবারো এলো সেই ফোবানা সম্মেলনের সময়। প্রতি বছরের মত এবারো প্রবাসী বাংলাদেশীরা আগ্রহ নিয়ে বসে আছেন কবে উঠবে ফোবানা মঞ্চের পর্দা। বিভিন্ন শহর থেকে আসা আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে জমিয়ে আড্ডা, লোভনীয় সব খাবার আর মন মাতানো তিন দিনের অনুষ্ঠান এসবই তো ফোবানা সম্মেলনের মূল আকর্ষণ। আর তাই হাজারো প্রবাসী অপেক্ষায় থাকেন কবে শুরু হবে ফোবানা সম্মেলন। এবারের ফোবানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে লস এঞ্জেলেস শহরে আগামী আগস্ট মাসের ২৯ থেকে ৩১ তারিখে এবং তার আয়োজন করছে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ ক্যালিফোর্নিয়া।

 

এটা জেনে রাখা ভালো যে ফোবানা ওয়াশিংটন ডিসিতে রেজিস্ট্রেশন করা একটি নন-প্রফিট কর্পোরেশন যেটা ফোবানা ট্রেডমার্কের একমাত্র সত্ত্বাধিকারী, যেটা প্রতি বৎসর নিয়মিত ভাবে ট্যাক্স দেয়, বাৎসরিক সাধারন সভার মাধ্যমে কর্মকর্তাদের নির্বাচিত করে এবং সারা বছর ধরে এর সদস্য সংগঠনদের জন্য সেবামূলক কাজ করে। প্রচণ্ড জনপ্রিয়তার কারনে এই সংগঠনের বাৎসরিক সম্মেলনের নামও ফোবানা। তাই ফোবানা মানে শুধু সম্মেলন নয়, সংগঠনও বটে।

ফোবানার সাংগঠনিক ক্ষমতা, স্বচ্ছতা, সামর্থ এবং ব্যাপকতার কারনে প্রতি বছর পঞ্চাশেরও বেশী সংগঠন ফোবানার  সদস্য হবার জন্য আবেদন করেন। এর ভেতর থেকে যাচাই বাছাই করার পর সদস্যপদ প্রদান করা হয়। কোন বাবসায়ীক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা আঞ্চলিক সংগঠন ফোবানা সদস্য হতে পারেন না।  গত বৎসর থেকে আগামী ১০ বছরের জন্য ফোবানা ট্রেডমার্কের একমাত্র সত্ত্বাধিকারী। তাই আর কেউ এই নাম অথবা এই নামের কাছাকাছি কোনও নামও ব্যাবহার করতে পারবে না। যে কোন সংগঠন যে কোন নামে সম্মেলন করতে পারেন কিন্তু কোন জায়গায় তারা ফোবানা নামটি ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি কেউ করে থাকেন তা হবে ট্রেডমার্ক আইনের আওতায় আইনত দণ্ডনীয়। ফোবানাকে এই আইনগত অধিকার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট প্রদানকারী সংস্থা ইউ,এস,পি,টি,ও। এব্যাপারে যদি কারো সন্দেহ  থাকে তাহলে সে ইউ,এস,পি,টি,ও-র ওয়েব সাইটে গিয়ে ফোবানার খোঁজ করে দেখতে পারে। ফোবানা এইসব আইনভংগকারীদের আইনগত ও আর্থিকভাবে ভাবে মোকাবেলা করার যথেষ্ট সামর্থ্য রাখে এবং যথা সময়ে তা প্রকাশিত করতে বদ্ধপরিকর। গত ২৮ বছরের অর্জিত সম্মান এবং অজস্র মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ফোবানা সংগঠনকে অল্প কিছু মানুষের ব্যক্তি লালসা বা স্বার্থের বলি হতে ফোবানা কোনভাবেই দেবে না। ফোবানার জনপ্রিয়তার কারনে প্রতি বৎসর কিছু সুযোগ সন্ধানী লোক এই সম্মেলনের কিছু দিন আগে থেকে ফোবানার নাম ব্যবহার করে এবং ফায়দা লুঠতে চায়। এই সব মানুষগুলোকে সারা বৎসর কোথাও দেখা যায় না।  সম্মেলনের কিছুদিন আগে থেকেই তারা ভাব দেখানো শুরু করেন যে তারাই ফোবানার মালিক এবং হর্তাকর্তা।  অথচ ফোবানা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তারা কখনও পরিস্কার ভাবে উত্তর দেন না। যেমন, তাদের সংগঠনের নাম কি, কোথায় তাদের রেজিস্ট্রেশন, ট্রেডমার্ক? তারা কি প্রতি বৎসর নিয়মিত ট্যাক্স দেন আই,আর,এস-কে? এই ব্যাক্তি কেন্দ্রিক সংগঠনগুলোর অন্যতম লক্ষ্য ফোবানার নাম ব্যবহার করে টু-পাইস কামানো। গত বৎসর থেকে এই অন্যায় সুযোগ নেবার সব পথও ফোবানা বন্ধ করে দিয়েছে। যেহেতু  এখন ফোবানা ট্রেডমার্কের একমাত্র সত্ত্বাধিকারী, তাই এবার ফোবানা ঢাকাস্থ আমেরিকান এমব্যাসিকে আগে ভাগেই লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে ফোবানা কাউকে পি-৩ বা অন্য কোন ভিসার জন্য স্পন্সর করে না। ফোবানা একটি তালিকা পাঠাবে এমব্যাসিকে যেখানে উল্লেখ থাকবে কারা এবছর ফোবানার আমন্ত্রিত অতিথি। এর বাইরে ফোবানার নামে কাউকে যেন ভিসা দেয়া না হয়। ফোবানার এই আদম ব্যবসা আর ধোঁকাবাজির ব্যবসা বন্ধের উদ্যোগকে ঢাকাস্থ আমেরিকান এমব্যাসি স্বাগত জানিয়েছে।

সম্প্রতি এম্ব্যাসাডার ড্যান মজিনার যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ফোবানার কর্মকর্তারা ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত দলিল স্বহস্তে তার হাত তুলে দেন এবং তাকে ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রন জানান। ফোবানা সম্পর্কে যে কোন তথ্য জানার জন্য কোন উড়ো কথায় কান না দিয়ে সরাসরি ফোবানার ওয়েবসাইট দেখুনঃ www.fobanaonline.com  অথবা ফোবানার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ও মুখপাত্র আজাদুল হকের সাথে যোগাযোগ করুনঃ [email protected].

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV