ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো গে বারে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ : ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে
নিউইয়র্ক : গত ১২ জুন ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো গে বারে নৃশংস সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু এবং ৫৩ জন মারাত্মাকভাবে আহত হবার প্রতিবাদে বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার সিটি প্লাজায় কাউন্সিলম্যান ড্যানিয়েল ড্রামের আয়োজনে গত ১৩ জুন বিকেলে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকল ধর্ম, বর্ণ এবং বাংলাদেশী আমেরিকানসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের অংশগ্রহণে এই প্রতিবাদ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এনা
কাউন্সিলম্যান ড্যানিয়েল ড্রামের পরিচালনায় এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলের স্পীকার মিলিসিয়া মার্ক ভিভিটোর, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের মেজরিটি লিডার জেমি ভ্যান বার্নার, নিউইয়র্ক সিটির কম্পোট্রলার স্কট স্পিংগার, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জেইমস সেন্ডার্স, সিনেটর হোজে প্যারাল্টা, স্টেট সিনেটর টবিম্যান ইউস্কি, এ্যাসেম্বলীম্যান মাইকেল ডেকার, নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক এডভোকেট প্যাট্রিশিয়া জেমস, মুসলিম কম্যুনিটি লিডার আলী নাজলি, মোহাম্মদ আমিন, সখীর প্রেসিডেন্ট আগা সালেহ, মূলধারার রাজনীতিবিদ বাংলাদেশী মঞ্জুর চৌধুরী, ল্যাসবিয়ান নেত্রী লিনা, বাংলাদেশী কম্যুনিটি লিডার এটর্নী মঈন চৌধুরী, কাজী আজিজুল হক খোকন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা অরল্যান্ডো গে বারে নৃশংস হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এই হামলা মানব সভ্যতার ইতিহাসে এবং আমেরিকার ইতিহাসে একটি জঘণ্য হামলা। এই হামলায় ৫০ জন নিরাপরাদ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং ৫৩ জন মানুষ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তারা বলেন, এই হামলার সাথে কোন ধর্মীয় গোষ্ঠি জড়িত নয়, একক ব্যক্তিই এই হামলার জন্য দায়ী। কোন ধর্মই মানুষ হত্যার কথা বলেনি। যারা নিরাপরাদ মানুষকে হত্যা করে তাদের কোন ধর্ম নেই, বর্ণ নেই, দেশ নেই। তাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় তারা সন্ত্রাসী। তারা বলেন, এই সন্ত্রাসী এবং বর্বরোচিত হামলা মুসলিম, খ্রীস্টান, জুইসসহ সকল ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রতিহত করতে হবে। এইভাবে একের পর এক হামলা চলতে দেয়া যেতে পারে না। তারা আমেরিকায় অবাধে অস্ত্র বিক্রি আইনের সমালোচনা করে বলেন, আর কত প্রাণ গেলে অবাধে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ হবে। তারা অবিলম্বে অবাধে অস্ত্র বিক্রি আইন করে বন্ধের আহবান জানান।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুন রাত ২টায় অরল্যান্ডোর একটি গে বারে এই বর্বরোচিত হামলা চালায় আফগানিস্তানী বংশোদ্ভূত নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী ওমর মতিন। যদিও সে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। ৯/১১ এর পর আমেরিকায় এত বড় সন্ত্রাসী হামলা হয়নি। ৯/১১ এর পর এটিই বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা।
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK