বঙ্গবন্ধু জন্মেছিল বলেই জন্মেছে বাংলাদেশ : মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী পরিবার আয়োজিত শোক দিবসে বক্তারা
ওয়াশিংটন: হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাসে ক্ষুদিরাম, নেতাজী সুভাষ বসু, শেরেবাংলা ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানী, হোসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মত অনেক বড় বড় বাঘা বাঘা নেতার জন্ম হয়েছিল। কিন্তু বাঙালির কাংখিত স্বাধীনতা এনে দিতে পারেনি। ১৯২০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া নামক অজ পাড়া গাঁয়ে বঙ্গবন্ধু মুজিবের জন্ম হয়েছিল বাঙালির স্বাধীনতার জন্য। বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বাধীনতার স্বপ্ন অবশেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে এসেছিল। বঙ্গবন্ধু জন্ম হয়েছিল বলেই বাঙালিরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছে। বঙ্গবন্ধু জন্মেছিল বলেই জন্মেছে দেশ বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। ১৫ আগষ্ট সোমবার ভার্জিনিয়ার ষ্প্রীংফিল্ডের নিরালা রেষ্টুরেন্টে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা উক্ত মন্তব্য করেন। মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী মহিলা লীগ ও মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিব্বীর আহমেদ এবং সভায় পরিচালনা করেন দলের সাধারন সম্পাদক এম নবী বাকী। সভা মঞ্চে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা জিয়াউদ্দীন খান, রাশেদুল হাসান খান রজত, মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরী ও ভার্জিনিয়া স্টেট আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি আবুল হাশেম শীকদার। সভায় বক্তব্য রাখেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি আকতার হোসেন, আজম আযাদ, যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজনিন আকতার, দপ্তর সম্পাদক নারায়ন দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ সভাপতি আবুল হোসেন শীকদার, সাধারন সম্পাদক খিজির হাসান টিটু, যুবলীগ সভাপতি রবিউল ইসলাম রাজু, সহ সভাপতি রাশেদ জামান, সাধারন সম্পাদক সর্বজিৎ দাস তুর্য, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহসিনা জান্নাত রিমি, সহসভাপতি শাহেদা পারভিন লিপি, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক রাহাত আফজা, মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেন শাহ প্রমুখ। সভায় পবিত্র কোরান থেকে তেলওয়াত করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ সভাপতি জাহিদ ইসলাম এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার পরিবারের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। এরপরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্যে অনুষ্ঠানের শুরু। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনা শেষে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। এরপর মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগ, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী মহিলা লীগ এবং ভার্জিনিয়া স্টেট আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ তাদের দলীয় নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শুরু হয় শোক দিবসের বিশেষ আলোচান সভা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু সরকার কিংবা দলের একার সম্পত্তি নয়, তিনি সার্বজনিন। দেশের ১৬ কোটি মানুষের মনিকোঠায় তার স্থান। বঙ্গবন্ধুর মতো একজন নেতা আগামীতে আর এদেশে জন্ম নেবে না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু, বঙ্গবন্ধু ধীরে ধীরে আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। জাতির জনক স্বাধীন বাংলার স্থপতি। কিছু কুলাঙ্গার ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। এ দেশে যতোবার বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে, ততোবারই বাঙালির হৃদয়ে দৃঢ়ভাবে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। বক্তারা বলেন, জাতির পিতার পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার জন্য সরাকারের প্রতি দাবী জানান। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে শুধু স্মরণ নয়, তাঁকে আমাদের অনুসরণ করতে হবে। তাঁর আজন্ম লালিত স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ গড়ার প্রত্যয়ে স্বাধীনতার পরে যে পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছিলো তাকে অনুসরণ করে তাঁর স্বপ্ন পূরণে প্রতিনিয়ত কাজ করতে হবে। তাই শুধু বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ নয়, তাঁকে আমাদের অনুসরণ করতে হবে। যুগে যুগে পৃথিবীর যে-সব নেতা নিজ নিজ দেশের সমাজ পরিবর্তন,জাতি গঠন ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করেছেন,‘বঙ্গবন্ধু তাদের মধ্যে অনন্য দৃষ্টান্ত। সে-কারণেই তিনি বাঙালি জাতির পিতা’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণেই আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আপোষহীন ভূমিকার কারণেই আমরা একটি পাসপোর্ট পেয়েছি, স্বাধীন সত্বা বজায় রেখে আমরা আজ সারা পৃথিবীতে যেতে পারি।’
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ