Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

বাঁচাও চট্রগ্রাম সমিতি : নিউইয়র্কে চট্রগ্রাম নাগরিক ঐক্যের সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 53 বার

প্রকাশিত: March 5, 2017 | 12:00 AM

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে চট্রগ্রাম নাগরিক ঐক্যের সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, চট্টগ্রাম সমিতির বর্তমান কমিটির ভানুমতির খেলা দেখেছে চট্রগ্রামবাসী। তারা বলেন, আগামী ২রা এপ্রিল চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেছে। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিলো গত সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে। দীর্ঘ সূত্রিতা সত্ত্বেও আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তার পাশাপাশি অত্যন্ত দু:খজনক হলেও সত্য এক শ্রেণীর লোক, যারা চট্টগ্রাম অধিবাসী কিনা আমাদের তাতে সন্দেহ রয়েছে তারা সমিতির ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার অপ্রয়াস চালাচ্ছে। তারা চট্রগ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাঁচাও চট্রগ্রাম সমিতি’। সম্প্রতি জ্যাকসন হাইটস এর খাবার বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কামাল হোসেন মিঠু, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু,মফজল আহম্মেদ চৌধুরী, হেলাল উদ্দিন মাহমুদ, মো: হারুন প্রমুখ।
বর্তমান কার্য্যকরী কমিটির কার্যক্রম এবং তাদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তারা বলেন, নির্বাচনের আজ যে দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হয়েছে, বর্তমান কমিটি তার দায়ভার কোনভাবেই এড়াতে পারেন না। নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হয়ে বর্তমান কমিটি শুধুমাত্র যে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তা নয়। তাদের এই ব্যর্থতার ফলশ্রুতিতে চট্টগ্রাম সমিতি ব্যবহার করেছেন। তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তারা চট্টগ্রাম সমিতির সম্মানিত, ব্যক্তিবর্গের সম্মান হানি করেছেন। ভোটে নির্বাচিত একটি কমিটির কাছে চট্টগ্রাম বাসীর এমন প্রত্যাশা ছিলো না। বিশেষ করে ট্রাষ্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমিটির ভানুমতির খেলা চট্টগ্রামবাসী স্বচক্ষে দেখেছেন।
তারা চট্টগ্রাম সমিতির আর্থিক অনিয়ম প্রসঙ্গে বলেন, ২০১২ সালের নির্বাচিত কমিটি অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে তাদের মেয়াদের শেষার্ধে চট্টগ্রাম সতিরি ভবনের ঋণকৃত সমস্ত টাকা শুধুমাত্র একটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। আমরা সমিতির সাধারণ সদস্যরা সেদিন আশান্বিত হয়েছিলাম এই ভেবে এইবার চট্টগ্রাম সমিতির আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতার মুখ দেখবে। কিন্তু বিধিবাম। ৪০,০০ হাজার ডলার হাতে নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পরেও বর্তমান কার্য্যকরী কমিটি চট্টগ্রাম সমিতিকে একটি দেওলিয়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। ৩০ মাসের ক্ষমতায় থাকাকালে মাসে ঘরভাড়া বাবৎ শুধুমাত্র আয় হয়েছে ২,১৬,০০০ হাজার ডলার। এছাড়া ও সমিতির প্রতিটি ইভেন্টে সমিতির দাতা এবং সাধারণ সদস্যরা সবসময় কন্ট্রিবিউট করেছেন। আজ অবধি সমিতির প্রধান দায়িত্বে থাকা সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা কোষাধ্যক্ষ চট্টগ্রামবাসীর কাছে হিসাব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
তারা বলেন, আমাদের কাছে এই মর্মে তথ্য প্রমান আছে যে, সমিতির বর্তমান সভাপতি এবং কোষাধ্যক্ষ চট্টগ্রাম সমিতির ব্যাংক একাউন্ট নিয়ে যথোচ্ছাচার করেছেন। সমিতির ভাড়া সংগ্রহ করা হয়েছে নগত টাকায় যা নজীরবিহীন। চট্টগ্রাম সমিতির ব্যাংক হিসাব নং ৪৩০৬২৮০৪৫৭ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে কোষাধ্যক্ষ মোক্তাদির বিল্লাহ ১১৪৯০ হাজার ডলার নগদে উত্তোলন করেছেন খাত হিসেবে দেখানো হয়েছে ঈড়হংঃৎঁপঃরড়হ ধহফ ঊঈ সভাপতি মহোদয় এই চেকে সই করেছেন। আমাদের প্রশ্ন একটি অলাভজনক (৫০৪) প্রতিষ্ঠানে কেমন করে এতো বড় অংকের টাকা নগদে লেনদেন হলো। কাদেরকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে ঊঈ, ঊঈর মানে কি? ঊষবপঃরড়হ ঈড়সসরংংরড়হ নাকি অন্য কিছু?
বক্তারা বলেন, এই ধরনের আরো ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের খবর আছে আমাদের কাছে। দীর্ঘ ২৮ বছর পেরিয়ে চট্টগ্রাম সমিতি যখন এই প্রবাসে অগ্রগণ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হবার কথা, তখন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং মিডিয়ার চট্টগ্রাম সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার মতো সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমরা প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীরা চাই চট্টগ্রাম সমিতি তার হৃত গৌরব ফিরে পাক।
তারা বলেন, আমরা চট্টগ্রামবাসীরা চাই, ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক, আমরা চাই সচল চট্টগ্রাম সমিতি, সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম সমিতি। যারা আর্থিক দূর্নীতি এবং অনিয়মের সাথে জড়িত হয়েছেন, তাদেরকে আগামী দিনের যে কোন ধরনের নেতৃত্বে দেখতে চাই না। আমরা চাই সৎ এবং যোগ্য নেতৃত্ব, যারা চট্টগ্রাম সমিতির পবিত্রতা রক্ষা করবেন।
তারা বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার জন্য যারা মিশনে নেমেছেন তাদের কাছ থেকে সর্তক থাকার জন্য চট্টগ্রাম বাসীকে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সাথে এ যাবত কালের সমস্ত আর্থিক অনিয়মের শ্বেতপত্র প্রকাশের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ