Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

বাংলদেশে গণতন্ত পুনঃ প্রতিষ্ঠায় অসাধারন ভূমিকা রেখেছিলেন জয়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 100 বার

প্রকাশিত: July 28, 2016 | 1:28 AM

ড. প্রদীপ রঞ্জন কর : জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৬তম জন্মদিন ২৭ জুলাই। একাত্তরের এই দিনে প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী মরহুম এমএ ওয়াজেদ মিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘরে জন্ম নেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তার এই শুভ জন্মদিনে জানাই অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
পচাওোরের ১৫ আগস্ট ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু সহপরিবারের নিহত হওয়ার সময় মা শেখ হাসিনা এবং খালা শেখ রেহানার সঙ্গে লন্ডনে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তারা সবাই। পরবর্তীতে জয় তার মায়ের সঙ্গে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। জয়ের শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সজীব ওয়াজেদ জয় পড়াশোনা করেন ভারতের নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজ ও তামিলনাড়ুর পালানি হিলসের কোডাইকানাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। এরপর তিনি ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, পদার্থ এবং গণিতে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে টেক্সাস ইউনির্ভাসিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আরেকটি ব্যাচেলর ডিগ্রি অব সায়েন্স অর্জন করেন। সবশেষে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। সজীব ওয়াজেদ জয় ২৬ অক্টোবর ২০০২ সালে মার্কিন নাগরিক ক্রিস্টিন অ্যান ওভারমাইনকে বিয়ে করেন। তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

২০০৭ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম কর্তৃক তরুন বিশ্বনেতাদের মধ্যে অন্যতম তরুন বিশ্বনেতা হিসেবে সম্মানীত হন। ২০০৮ সালে জননেএী শেখ হাসিনা তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকার কওৃক গ্রেফতারকৃত হয়ে কারাবন্দী হলে জননেএীর কারামুক্তির আন্দোলনে সজীব ওয়াজেদ জয় যে অভাবনীয় কুট-কৌশলের ক্যাম্পেইন শুরু করেছিলেন তা তার কাছে থেকে দেখে অভিভূত হয়েছি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার যে আন্ত্যপ্রত্যয় ও সাহসীকতা তিনি সে সময় দেখিয়েছেন তার উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান জেনারেল মঈন সাহেব বোসটন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় একটি সভায় গিয়েছিলেন-সেই সভাতে সজীব ওয়াজেদ জয় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে জেনারেল মঈনকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন তার মাকে অন্যায় ভাবে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে? এছাড়া সে সময় বাংলদেশে গণতন্ত পুনঃ প্রতিষ্ঠায় তিনি অসাধারন ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০০৮ সালের নভেম্বরে নিউইয়কস্থ একটি অলাভজনক সংগঠন আমেরিকা বাংলাদেশ কমিউনিটি ডেভলবমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এবিসিডিআই) এর “বাংলাদেশে গণতন্ত পুনঃ প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠ, স্বচ্ছ গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান” শীষক সেমিনারে ইউএস কংগ্রেসম্যান, মুলধারার রাজনীতিবিদ ও বাংলাদেশী কমিউনিটির উল্লেযোগ্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত সেমিনারে সজীব ওয়াজেদ জয় কী নোট স্পিকার হিসাবে আসাধারন প্রবন্ধ উপস্থাপন করে দেশে ও বিদেশে সে সময় বিশেষ আলোড়ণ সৃস্টি করেছিল।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি সামনে আসে। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয়কে তার পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়া হয়। এর মধ্যদিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে আসেন।
গত সংসদ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন ও দেশের বিভিন্ন এলাকা সফরের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও বেশ ভালো প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয়কে অবৈতনিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তথ্য-প্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষ বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বিশেষ করে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে দেশের কাজে আত্মনিয়োগ করাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
দেশ গঠনে তরুণদের মতামত, পরামর্শ শুনতে তিনি ‘লেটস্ টক’ ও ‘পলিসি ক্যাফে’ দুটি প্রোগ্রাম শুরু করেন। এছাড়া তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও তরুণ নেতৃত্বকে এক সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত করতে তরুণদের বৃহত্তম প্লাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলার’ সূচনা করেন। জয় তার সৃষ্টিশীল কাজের মধ্যদিয়ে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশেষ করে তরুণের মনে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৬তম জন্মদিনে তার সুসাস্থ্য ও দীঘজীবন কামনা করি। (ড. প্রদীপ রঞ্জন কর : সাবেক জিএস বাকসু ও গবেষক বকফিলার ইউনিভারসিটি)

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ