বাংলাদেশকে আরও সমরাস্ত্র দিতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র
নিরাপত্তা খাতে সামর্থ্য বাড়াতে বাংলাদেশকে আরও সমরাস্ত্র দিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সন্ত্রাসবাদ দমন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে এ সহযোগিতা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা সংলাপ শেষে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক ও সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর মুখ্য উপসহকারী মন্ত্রী টম কেলি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংলাপে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন টম কেলি। আর বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মুস্তাফা কামাল।
সংলাপ শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে টম কেলি বলেন, দুই দেশের স্বার্থেই একটি উন্নত প্রতিরক্ষা সম্পর্ক প্রয়োজন। এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন লক্ষ্যে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি সামরিক সরঞ্জাম (ইডিএ-এক্সেস ডিফেন্স আর্টিকেল) কর্মসূচির আওতায় সমরাস্ত্র পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সংলাপে আলোচনা করেছে কি না, জানতে চাইলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ আরও কিছু সমরাস্ত্র সংগ্রহের বিষয়ে সংলাপে কথা বলেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। বিশেষ করে এ কর্মসূচির আওতায় ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া একটি বৃহদায়তনের জাহাজ ‘সমুদ্র জয়’-এর সহায়তায় বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক নিরাপত্তা যেভাবে জোরদার করেছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট। আগামী দিনেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে টম কেলি জানান, বৈদেশিক সামরিক অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় গত বছর বাংলাদেশকে ২৫ লাখ ডলার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসবাদ দমনে এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে দুই কোটি ডলারের বেশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে মুস্তাফা কামাল বলেন, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে কোনো দস্যুতা হয় না, তবে বিশাল সামুদ্রিক এলাকায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সামর্থ্য বাড়ানো দরকার।
এ বিষয়ে টম কেলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় জলপথে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়া বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকুক। শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, এ অঞ্চলের দেশগুলোর স্বার্থে বঙ্গোপসাগরে নির্বিঘ্নে নৌচলাচল জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে টম কেলি আঞ্চলিক যোগাযোগ স্থাপন ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।প্রথম আলো
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!