বাংলাদেশী বা এশিয়ানদের কি কোন চাওয়া পাওয়াই নেই কেবল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সাথে ছবি তোলা ছাড়া?
মেরী যোবায়দা : কদিন ধরেই ভাবছিলাম একটা বিষেয়ে লিখব। কেমন করে যেন হয়নি। আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই একের পর এক বিল পাশ হচ্ছে এবং টাইম লাইন জুড়ে নির্বচিত জনপ্রতিনিধিদের সাফল্য গাথা। আমাদের বাংলাদেশী বা এশিয়ানদের যারা নির্বাচনের সময় খুব মুখর ছিলেন তাদের এখন দেখা যায় কেবলই ভিক্টরী সেলিব্রেশনে। অনেকগুলো বিল এ পর্যন্ত পাশ হয়েছে যা আমরা ইনক্লুসিভ সমাজের তাগিদে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। কিন্তু বাংলাদেশী বা এশিয়ানদের কি কোন চাওয়া পাওয়াই নেই কেবল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সাথে ছবি তোলা ছাড়া? যদি সকল বাংলাদেশীরা সয়ংসম্পূর্ন হয়ে যায়, সেটা অবশ্যই গর্বের বিষয়। যদি না হয়ে থাকে তাদের কি এমন কিছুই নাই এই স্টেটের কাছে চাওয়ার? কোন কিছুই?
জেনে নেন যে বছরের বেশিরভাগ পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত হয়ে যায় প্রথম দুই মাস, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারীতে। বাকী সময় সেগুলো নিয়েই পার করা হয়।
নির্বচিত প্রতিনিধিরা অনেক ওয়াদা করে অফিসে আসে। মানুষের যেমন ডিম্যান্ড থাকে তাদেরও নির্বাচনী ওয়াদা পুরনের তাগিদ থাকে। কার জন্য কি করতে পারছে এটার একটা তালিকা তাদের জন্যও কল্যানকর। কেউ যদি কিছু না চায়, গায়ে পরে কেমনে করবে তারা?
আমাদের মানুষদের মধ্যে বিভেদ সুক্ষ। অন্যদের মধ্যেও বিভেদ আছে। তবে একটা বিশেষ জায়গায় তারা সবাই এক। আর আমাদের উল্টা। উপরে আমরা সবাই এক। ভীতরে আমরা কেউ কারো নেই। পা ধরে টেনে নামানো বংঙ্গালী। অন্যরা দশটা গ্রুপ করে উপরে বিভাজন দেখিয়ে দশটা এজেন্ডা আদায় করতে। আর আমাদের মানুষেরা দশটা দল করে মেইক শিউর করতে যেন একজনের এজেন্ডাও পাশ না হয়।
আপনারা যারা জনকল্যানমূলক সংগঠনের সাথে জড়িত, দয়া করে একবার চোখ খুলে দেখুন আপনাদের মানুষদের কি নেই অথবা কোন জিনিসটায় সরকারী ভাবে পরিবর্তন হলে মানুষের উপকার হবে। বিশ্বাস করেন জনপ্রতিনিধিরা আপনাদের দাবী দাওয়া শোনার জন্য, আপনাদের সাহায্য করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। যখন আপনারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত করেন তারা উন্মুখ হয়ে আসে, ভাবে হয়তো একটা কিছু করার সুযোগ পাবে। যখন দেখে যে পরিবার সংসার ফেলে রাত দুপুর পর্যন্ত আপনাদের মাঝে বসে ছিল কেবল লোক দেখাতে যে আপনাদের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক কত জোড়ালো তখন মনক্ষুন্ন ও বিরক্ত হয়ে ফিরে যায় যা আপনারা দেখেন না।
তাদের কাজ দেন। তারা কাজ চায়। কাজ করার ওয়াদা করেই অফিসে এসেছে। কোন কিছু করার ইতিহাস ছাড়া বার বার আপনাদের মাঝে ফিরতে তাদেরও লজ্জা লাগে, তারাও মানুষ। আর আপনারা কিছু না চাইলে জোড় করেও আপনাদের দিতে পারবে না। ফেইসবুক থেকে নেয়া
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী