বাংলাদেশের একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক কামাল লোহানীর বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা নিউইয়র্কে
নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রখ্যাত সাংবাদিক কামাল লোহানীকে সংবর্ধনা জানিয়েছে নিউইয়র্কের উল্লাপাড়া সোসাইটি। জ্যাকসন হাইটস মেজবান রেস্টুরেন্টের মিলনায়তনে সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপিকা হোসনে আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি ছিলেন পানি বিশেষজ্ঞ ড.খন্দকার সুফিয়ান আহমদ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কবি-সাংবাদিক সালেম সুলেরী এবং অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নর্থবেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা. আব্দুল লতিফ, সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সৈয়দ ফারুক, আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত সম্মেলন কমিটির সম্পাদক নূর ইসলাম বর্ষন প্রমুখ। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও নর্থবেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সম্পাদক রকিবুজ্জামান খান তনু। সংবর্ধিত অতিথিকে ফুল, উপহার সামগ্রী, প্রশংসাপত্র এবং কাব্য-সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। কবি সালেম সুলেরী লিখিত কাব্য-সম্মাননায় সমবেত সকলে শুভেচ্ছা-স্বাক্ষর প্রদান করেন।
সংবর্ধনায় কামাল লোহানীর কর্মজীবন নিয়ে কথা বলেন রেজাউল বারী বকুল, আবু সাঈদ, রফিকুল ইসলাম খান, আবু তাহের, নার্গিস রহমান, ওবায়েদুল্লাহ মামুন, রফিকুল ইসলাম, মোতাহার হোসেন, শাহ এম নওরোজ, মাহাবুর রহমান সুমন প্রমুখ। সঙ্গীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী হারুন ও নার্গিস রহমান।
সংবর্ধনার জবাবে বর্ষিয়ান ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ উদীচীর সভাপতি কামাল লোহানী বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে এতো কিছু করেছি, ফলাফল কোথায়? আদৌ কি আমরা সফলতার দিকে যাচ্ছি? ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সংরক্ষণ পথ হারিয়ে ফেলছে। বাংলাদেশে একাত্তরের ঘাতক-দালালদের বিচার ও ফাঁসি আমাদের স্বাধীনতাকে সমুন্নত করেছে। কিন্তু বাম ঘরানার ৩৭০০ ‘গেরিলা কমান্ড’ মুক্তিযুদ্ধের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। আদালতের রায় পেয়েও অধিকার পাচ্ছে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার চলছে কিন্তু ন্যায্য অধিকারটুকু বুঝিয়ে দেবে কে? তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হচ্ছে। কিন্তু স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয় ভাষা আন্দোলনে। সেই রক্তাক্ত অধ্যায়ের শহীদদের প্রকৃত তালিকা এতোদিনেও চূড়ান্ত করা হয়নি।
কামাল লোহানী প্রশ্ন করেন, কার জন্যে দেশটা স্বাধীন করলাম? লুটপাট আর ভূমিদখলের মহোৎসব চলছে। প্রবাসীদের প্রসঙ্গে বলেন, আনন্দ ও বেদনা দুটোই পেয়েছি। নতুন প্রজন্মের অধিকাংশজনই বাংলা থেকে বিচ্যুত। বললেও এমন বাংলা বলে, যা ভাষা চেতনার সঙ্গে যায় না। তারপরও প্রথম প্রজন্মের বাংলা প্রীতি ও আনুষ্ঠানিকতা এখনও এক বিশাল অনুপ্রেরণা। বিজ্ঞপ্তি
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ