Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশের পোষাক রপ্তানীকারক ও নির্মাতাদের যাবতীয় সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন- যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি বৃহৎ গামেন্ট হাউজকে কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং এর চিঠি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 160 বার

প্রকাশিত: May 17, 2014 | 9:40 PM

ইউএসএ নিউজ অনলাইন.কম : জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে মার্কিন কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হন। গ্রেস মেং বাংলাদেশের দ্রুত উন্নতির জন্য স্থায়ী প্রতিনিধিকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ সাফল্যের জন্য তিনি স্থায়ী প্রতিনিধিকে স্বাগত জানান। এ সময় বাংলাদেশ দূতাবাস ওয়াশিংটনের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন। গ্রেস মেং বাংলাদেশের গার্মেন্ট কারখানার নিরাপদ ও নিরাপত্তার বিষয়ে এবং শ্রমিকদের বেতন কাঠামো পরিবর্তনে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। স্থায়ী প্রতিনিধি জানান গ্রেস মেং আমাদের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং জানতে আগ্রহী হন যে, কতটি মার্কিন গার্মেন্ট/বায়ার বাংলাদেশের গার্মেন্টেস-এর এ অবস্থার উন্নতির জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছেন। কারন এ ব্যাপারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ১৫টি গার্মেন্ট হাউজকে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানীকারক ও নির্মাতাদের যাবতীয় সহযোগিতার জন্য যৌথ চিঠি লিখেন।
মার্কিন কংগ্রেসওম্যান বলেন তিনি বিশেষ করে ব্যবসা, বিনিয়োগ, ভ্রমন এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে দুটি দেশের মধ্যে বন্ধুত যেন আরো সুদৃঢ় হয় সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। ড. মোমেন গ্রেস মেংকে বলেন, বাংলাদেশ এক সময় ছিল তলাবিহীন ঝুড়ি কিন্তু আজ তা পরিবর্তিত হয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বের মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং দেশটি দারিদ্রসীমা অর্ধেকেরও নীচে নামিয়ে এনেছে এবং মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনের পথে রয়েছে। বিগত পাঁচ বছরে যেখানে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল শতকরা -০.৫ থেকে ১.৫, সেখানে বাংলাদেশ সব সময় জিডিপি বৃদ্ধির হার শতকরা ৬ এ রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটা হচ্ছে স্পন্দনশীল অর্থনীতি এবং মার্কিন বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে দেশে-বিদেশে অধিকতর চাকরী তৈরী করতে পারত।
ড. মোমেন বলেন, ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পন্য বাংলাদেশে আমদানি বেড়েছে প্রায় ৪২% কিন্তু সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানীর পরিমান বেড়েছে মাত্র ৯%। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ এলডিসিভুক্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও রপ্তানীর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৬% থেকে ৩২% পর্যন্ত শুল্ককর দিতে হয়। যেখানে উন্নত দেশ মাত্র ০.৫% থেকে ২% অথবা বিনা শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে পন্য রপ্তানী করে। যুক্তরাষ্ট্র গরীবের বন্ধু বলে পরিচিত কিন্তু এক্ষেত্রে তার ব্যাত্যয় লক্ষণীয়। এ প্রসঙ্গে গ্রেস মেং স্থায়ী প্রতিনিধিকে আস্বস্ত করে বলেন, টেরিফ রেট নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন। বিশেষ করে তৈরী পোশাকসহ বাংলাদেশী পন্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানীর ক্ষেত্রে কেন ১৬% হারে শুল্ককর দিতে হচ্ছে সেটি তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং সমাধানের পথ খুজে বের করবেন।
ড. মোমেন আরো বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিকারভাবে বাংলাদেশের দরিদ্র মহিলাদের সহায়তা করতে চায় তবে উচিত হবে বিনাশুল্কে পন্য রপ্তানীর সুযোগ দেওয়া। অন্ততপক্ষে ২/৩ বছরের জন্য হলেও এ সুযোগ পেলে বাংলাদেশী গার্মেন্ট মালিকেরা শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র আরো বেশী নিরাপদ ও নিরাপত্তা দিতে পারতো। তিনি বলেন নব্বই দশকে শিশুশ্রম বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র – বাংলাদেশ একটি আদর্শ ব্যবস্থা গ্রহন করে যার ফলে শিশুশ্রম দূর হয় এবং তাদের পরিবারকে রাস্তায় অমানবিক জীবন পালন করতে হয়নি। বর্তমানে তৈরী পোষাক কারখানার নিরাপত্তার বিষয়টি এবং যাতে শিল্পশ্রমিক চাকরি না হারায় তার একটি মানবিক সমাধান প্রয়োজন।
কংগ্রেসওম্যান বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেনকে আশ্বস্ত করে বলেন বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বার্থে তাদের এ ধরনের বৈঠক অব্যাহত থাকবে। স্থায়ী প্রতিনিধি এ সময় গ্রেস মেং-কে বাংলাদেশ ভ্রমনের আমন্ত্রণ জানান এবং রাষ্ট্রদূতের এ আমন্ত্রণ তিনি গ্রহন করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV