Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সর্ম্পকে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বিশেষ প্রশংসা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 74 বার

প্রকাশিত: March 29, 2011 | 11:29 PM

ইউএসএ নিউজ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিমন্ত্রী আকরামুল কাদের ২৩ মার্চ ওয়াশিংটনস্থ মার্কিন চেম্বার অব কমার্স ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এশিয়া সোসাইটি কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত “বাংলাদেশ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এক পরীক্ষিত বন্ধু। গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানীর পরিমান ৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত কাদের জানান, রপ্তানীর পরিমান আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেত, যদি মার্কিন বাজারে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের উচ্চহারে কর পরিশোধ করতে না হতো।

 

বাংলাদেশে শিল্প খাত ক্রমবিকাশমান উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত কাদের বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ বিপুল পরিমান মূলধনী ও ভোগ্যপণ্য আমদানী করে, যা বিবেচনা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে অনেক সম্ভাবনাময় শিল্পে বিনিয়োগ করার কথা গুরুত্ত সহকারে ভাবতে পারেন। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ, মার্কিন চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি (এশিয়া) তামি ওভারবি, শেভরনের ব্যবস্থাপক লরা হাডসন, এশিয়া সোসাইটি ওয়াশিংটনের নির্বাহী পরিচালক জ্যাক গ্যারিটি বক্তব্য রাখেন।গ্যারিটি বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে এশিয়া সোসাইটি কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরাসরি ও পোর্টফোলিও বৈদেশিক বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে । এ সুযোগের প্রকৃত সদ্ব্যবহার করা হলে বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তৈরী পোশাক শিল্পের উপর বাংলাদেশের নির্ভরতা হ্রাস পাবে।

 

অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ বলেন, ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে গত ২ বছরে বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ খাত উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচী  গ্রহন করেছে, যার ফলশ্রুতিতে ৫০টি নূতন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ১০ হাজার মেগাওয়াটের অধিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হবে যার ফলশ্রুতিতে চলমান ঘাটতি পূরণ সম্ভব হবে।ওয়াজেদ আরো বলেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য সরকার ওয়ান স্টপ সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নিয়েছে এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ  গ্রহন করেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আন্তঃজেলা  সড়ক যোগাযোগ আধুনিকায়ন করা  হবে। বাংলাদেশ বিমানকে কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করতে সক্ষম করা হবে, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মান করা হবে এবং কার্গো সুবিধাসম্পন্ন একটি অত্যাধুনিক বিমানবন্দর নির্মান করা হবে।

 

শিক্ষা খাতে সংস্কার সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত কাদের উপস্থিত ব্যক্তিবর্গকে জানান,বাংলাদেশে (বিশেষতঃ গ্রামাঞ্চলে)  নারী শিক্ষা  সম্প্রাসরণে সরকার বিনামূল্যে বই ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি  সরবরাহের ব্যবস্থা নিয়েছে এবং উপবৃত্তি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বক্তারা বৈদেশিক বাণিজ্য খাতে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের উপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা দূরীকরণের  জন্য ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড শিল্পের সম্প্রসারণ ও  কতিপয় সম্ভাবনাময়ী নূতন শিল্প স্থাপনে (যেমনঃ প্রক্রিয়াজাতকৃত খাদ্য, ঔষধ, জাহাজ নির্মান, তথ্য প্রযুক্তি ইত্যাদি) প্রয়োজনীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রণয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পক্ষে অভিমত ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রদূত কাদের বাংলাদেশের শিল্প ও  বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি কার্যকরী প্রকাশনার জন্য এশিয়া সোসাইটিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে তারা এ উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন মার্কিন চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি তামি ওভারবি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ