বাংলাদেশের ভাষা, রাজনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম, শিক্ষা, উন্নয়ন ও আচার অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিষয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের কাছে তুলে ধরবো : সাংবাদিক আবু তাহের
নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী : যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী, তাদের পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে বাংলাদেশের চেতনা, ভ্রাতৃত্ববোধকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছেন সাংবাদিক আবু তাহের। এছাড়াও সেখানে বসবাসরতদের মধ্যে ইংরেজী ভাষার পাশাপাশি বাংলাভাষাকে ধরে রাখার জন্যও চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে। তিনি নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও টাইম টিভি ইউএসএ’এর সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা। দীর্ঘ ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা করছেন।
তিনি দেশে দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করার পর যুক্তরাষ্ট্রে যান। দেশে কাজ করেছেন দৈনিক আজকের কাগজ ও দৈনিক মানবজমিনসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে তিনি বহুল প্রচলিত সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নিজেই উদ্যোগ নেন সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা নামে একটি পত্রিকা করার। প্রতিষ্ঠা হয় বাংলা পত্রিকা। সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন পত্রিকাটির। তিনি বাংলা পত্রিকার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, রাজনীতি, অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছেন। প্রবাসী বাংলাদেশীদের যাদের জন্ম ওই দেশে তারাও যাতে বাংলাদেশের কিছু কিছু বিষয় জানতে পারেন এবং পত্রিকা পড়ার মাধ্যমে বাংলা ভাষা সম্পর্কে জানতে পারে সেই চেষ্টাও করেন। কমিউনিটির মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা ও সেই ঐক্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সেখানে ঠিকানা পত্রিকা দীর্ঘ ২৮ বছর আগে এই কাজটি শুরু করে। এরপর শুরু করেন বাংলা পত্রিকা।
আবু তাহের বাংলা পত্রিকা করার একপর্যায়ে তিনি অনুভব করেন কেবল পত্রিকা দিয়ে আর কমিউনিটির সকল মানুষকে পাশে রাখা যাবে না এবং তার যে উদ্দেশ্য সেটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। কারণ ডিজিটাল যুগে মানুষের ব্যস্ততা বেড়েছে। এই ব্যস্ততার কারণে সবার পক্ষে পত্রিকা পড়া সম্ভব হয় না। এই কারণে মানুষকে এমনভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে জড়িয়ে রাখতে হবে, যাতে করে তারা যেখানেই যাক না কেন সেখান থেকেই বাংলা পত্রিকা পড়তে পারে ও টেলিভিশন দেখতে পারে। হাতের মুঠোয় এনে দেন বাংলাকে। অনেক পরিশ্রম করে ও ত্যাগ তীতিক্ষার বিনিময়ে, রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গড়ে তোলেন টাইম টিভি ইউএসএ। এই টিভিটি তিনি করেছেন চার বছর আগে। টিভেতে প্রতিদিন আটঘন্টার অনুষ্ঠান সম্প্রচার হচ্ছে। বাকি ১৬ ঘন্টা আটঘন্টার অনুষ্ঠান পুনঃপ্রচার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে একটি বাংলা টেলিভিশন চালানো বিষয়টি অত্যন্ত কঠিন ও অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা পাবেন কিনা এমন নিশ্চয়তা না থাকার পরও তিনিও সাহসী উদ্যোগ নেন। চার বছর ধরে টেলিভিশন চ্যানেলটি সফল করার জন্য তিনি ও তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা এবং তার কর্মীরা কাজ করে চলেছেন।
এই ব্যাপারে আবু তাহেরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশে বাংলা ভাষায় একটি পত্রিকা চালানো আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জের ছিল। এর চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে একটি টিভি পরিচালনা করা। আমি পত্রিকা করতে করতে মনে করলাম এখানে বসবাসরত মানুষকে আরও কাছে রাখতে হলে সহজ মাধ্যম হতে পারে একটি টেলিভিশন চ্যানেল করা। সেই চিন্তা চেতনা থেকে নিজের উদ্যোগে গড়ে তুলি এই টেলিভিশনটি। তাছাড়া এখন মানুষ একটি পত্রিকা কিনে নিয়ে ঘরে গিয়ে পড়বে এমনটি করার চেয়ে তাৎক্ষণিক খবর দেখতে চায়। মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে পত্রিকা পড়তে চায়। এই কারণে অনলাইন হয়েছে প্রায় সব পত্রিকা। আর অনলাইন ভিত্তিক টেলিভিশনেও অনুষ্ঠান ও খবর দেখতে চায়। সেই চিন্তা থেকেই একটি টেলিভিশন করেছি। আবার আমাদের বাংলা পত্রিকা এখন অনলাইনেও দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, একটি চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করা যত না কঠিন তার চেয়ে বেশি কঠিন হচ্ছে এটাকে চালিয়ে রাখা। কারণ এটাকে চালিয়ে রাখতে হলে অর্থনৈতিকভাবে ভাল সাপোর্ট পাওয়া প্রয়োজন।। কিন্তু আমি যখন শুরু করি তখন এই টিভিতে ধরেন আমরা তেমন বিজ্ঞাপন পেতাম না। তারপরও দেশের প্রতি ভালবাসা ও বাংলা ভাষার প্রতি মমত্ববোধ ও সম্মানটাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে এটাকে চালিয়ে নিতে হয়েছে। কারণ খরচের টাকা উঠানো কঠিন ছিল। চার বছর পর এসে আমি এখনও বলতে পারছি না যে টিভিটাকে লাভজনক করতে পেরেছি। তবে এখন বলা যায়, এটাকে ব্রেক ইভেন্টে নিয়ে এনেছি।
তিনি বলেন, এখানে বাংলাদেশ থেকে এসেছেন অনেকেই অনেক ভাল ভাল ও বড় বড় ব্যবসা করছেন। প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। সেই সঙ্গে তারা বেশ আয়ও করছেন। তবে অনেকের মধ্যেই বিজ্ঞাপন দেওয়ার প্রবণতা গড়ে উঠেনি। এছাড়াও এখানে বিজ্ঞাপনের বাজারটা আসলে ওইভাবে গড়ে উঠেনি। এই কারণে আমাদের টেলিভিশন ও পত্রিকাকে লাভজনক করা কঠিন। আসলে কেবল যারা বিজ্ঞাপন দেন তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই আমাদের মধ্যেও কেউ কেউ এই জন্য দায়ী। কারণ অনেকেই এমন হয়েছে মূল সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত নন। ছিলেন না। কিন্তু এখানে পত্রিকা বের করেছেন। তারা পত্রিকার পাশাপাশি অন্য কাজ করেন। আর একটি পত্রিকা বের করেন। তারা বিজ্ঞাপনের জন্য কোন রেট মানছেন না। নিজেরা যে যার কাছ থেকে যা পাচ্ছেন বিজ্ঞাপনের জন্য সেটাই নিচ্ছেন। এতে করে যারা বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন তারা মনে করছেন যেখানে কম খরচে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন সেখানেই দিবেন। এছাড়াও আরও একটি সমস্যা হলো পত্রিকাগুলো ফ্রি করে দেওয়া।
আগে ঠিকানা পত্রিকা এবং বাংলা পত্রিকা কেবল অর্থের বিনিময়ে পাঠকদের কাছে বিক্রি হতো। অন্যরা ফ্রি দিতো। ফ্রি পত্রিকা হওয়ার কারণে মানুষ মনে করে তারা যদি ফ্রিতে হাতে করে একটি পত্রিকা নিয়ে যেতে পারে তাহলে অর্থ দিয়ে কেন কিনবে? এই জন্য তারা এখন অর্থ দিয়ে কিনতে চায় না। বেশিরভাগ পাঠকই অর্থ দিয়ে কিনে না। এই অবস্থায় অনেকটা সংকটের কারণেই আমরাও পরবর্তীতে ফ্রি পত্রিকা দিচ্ছি। এখন একমাত্র সাপ্তাহিক ঠিকানাই অর্থের বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে।
আবু তহের বলেন, আমরা পত্রিকা ফ্রি দেওয়ার কারণ হলো বেশি মানুষের হাতে যাচ্ছে আর বেশি মানুষকে সম্পৃক্ত করা যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের বিষয়গুলোকে বেশি মানুষের মধ্যে তুলে ধরা। সেই হিসাবে আমরা এখন ফ্রি দিলেও বেশি মানুষের হাতে তুলে দিতে পারছি। সেই সঙ্গে এটাও হয়েছে যে, বিজ্ঞাপনদাতাও যেটি বেশি মানুষের কাছে যায় সেখানে বিজ্ঞাপন দিতে চায়। সেই হিসাবে বিজ্ঞাপনও ভাল পাচ্ছি। যদিও এটা ঠিক না। কিন্তু গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাতে হয়েছে।
তিনি বলেন, এই বিষয়টি ঠিক না কিন্তু তারপরও করতে হচ্ছে। যদি যেসব পত্রিকা বের হচ্ছে এর সবগুলো মানুষ সম্মত ও ভাল হতো। এবং বিজ্ঞাপনের জন্য একটা নিয়ম মানা হতো সেই সঙ্গে পত্রিকাটি অর্থের বিনিময়ে বিক্রিও করা যেত তাহলে প্রকৃত সাংবাদিকদের বেশি অর্থ বেতন দিয়ে আরও ভাল ও মানসম্মত পত্রিকা করা সম্ভব হতো।
তিনি বলেন, তবে আমি হতাশ নই। আশা করি এই পরিস্থিতি বদলাবে। কারণ মানুষ ফ্রি পেলেও ভাল না হলে সেই পত্রিকা পড়বে না। আমাদের একটি পত্রিকা যখন ফ্রি পাবে তখন আর একটি ফ্রি পত্রিকা আমাদের চেয়ে ভাল না হলে কিংবা বেশি কিছু দিতে না পারলে কেন পড়বে। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আগামীতে এই চিত্র বদলাবে। ভাল ও মান সম্মতটাই টিকে থাকবে।
তিনি বলেন, আমি যখন টেলিভিশন করি এখানে তখন কোন বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল ছিল না। দেশে যেসব টেলিভিশন রয়েছে ওই সব টেলিভিশনের কয়েকটি ছিল। এখন প্রায় ১০ থেকে ১২টা টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। এগুলো আইপিটিভি। এই সব চ্যানেলের অনেকগুলোতেই কেবল নাটক আর সিনেমা চলে। কেউ কেউ ইউটিউব থেকে নিয়ে তা চালাচ্ছে। তাদের নিজস্ব কোন অনুষ্ঠান নেই। আমার কথা হলো নিজস্ব অনুষ্ঠান না থাকলে মানুষ কেন সেই টিভি দেখবে? কেবল সিনেমা আর নাটক দেখার জন্য তারাতো ইউটিউবই দেখতে পারে। তিনি বলেন, টেলিভিশন বেশি হওয়ার কারণেও কিন্তু মান সম্মত প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকার জন্য চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ছে।
তিনি বলেন, আমার টেলিভিশনটি স্যাটেলাইট চ্যানেলের সিস্টেম থেকে শুরু করে অ্যাপস পর্যন্ত দেখা যাবে সেই চিন্তা করে ও সেই সব সুযোগ রেখেই আমি প্রতিষ্ঠা করেছি। এখানে বিভিন্ন বক্সেও আমাদের টিভি দেখা যাচ্ছে। ফেসবুক, ইউটিউবতো আছেই। এছাড়াও আমরা অ্যাপস তৈরি করছি। যাতে করে আমাদের অ্যাপসের মাধ্যমেও দর্শকরা টিভি দেখতে পারে। তাই এটাকে শুধু আইপি টিভি বলা যাবে না। একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলের মতো পুরো স্যাটআপও আমার রয়েছে।
তিনি বলেন, টাইম টিভিইউএসএ’তে সংবাদ প্রচারও করছি। প্রতিদিন রাত দশটায় মূল সংবাদ যায়। সরাসরি সংবাদ প্রচার করা হয়। ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের লাইভ অনুষ্ঠানও করছেন। আর সরাসরি অনুষ্ঠান স্থল থেকেও লাভ অনুষ্ঠান করছেন। এতে করে তারা সাম্প্রতিক ও সমসাময়িক অনেক বিষয় দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পারছেন।
তাদের টিভিতে রিপোর্টার ও নিউজ প্রেজেন্টার যেমন রয়েছেন তেমনি রয়েছেন উপস্থাপক ও ভিডিও এডিটর, থেকে শুরু করে কারিগরী ও দক্ষতা সম্পন্ন লোক। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা কম। তার ইচ্ছে রয়েছে এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর। আয় বাড়লে তা আরও বাড়াবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার মিডিয়ার সঙ্গে বাংলা চ্যানেলগুলো কতখানি টিকে থাকতে পারবে কিংবা এগিয়ে যেতে পারবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন শুরু হয়েছে। সব কিছু যদি একটি নিয়মের মধ্যে আনা যায় ও সত্যিকার অর্থেই ভাল করতে পারে তাহলে সম্ভাবনা আছে। বাংলা চ্যানেলগুলোও ভাল করতে পারবে। আসলে এই জন্য সময় লাগবে। তবে কেবল আইপি টিভি করলে হবে না। স্যাটেলাইটও করতে হবে। কিন্তু সেটা ব্যয় সাপেক্ষ। বিজ্ঞাপনের বাজার বড় না হলে সেটা সম্ভব হবে না।
নিউইয়র্কের সাংবাদিক কমিউিনিটির মধ্যে বিভেদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের এখানে কমিউনিটিটা খুব বেশি বড় না। এরপরও বিরোধ ও বিভেদ তৈরি হয়েছে। এটা আসলে ঠিক না। বিভেদ থাকলে দূরত্ব বাড়ে। আর তাতে করে পেশাগত বিষয়ে অনেক ক্ষতি হয়। কাঁদা ছোড়াছোড়ি হয়। আমি আশা করবো যারা বিভেদ তৈরি করছেন ও দূরত্ব তৈরি করছে তারা তা করবেন না। ছোট কমিউনিটিকে একটি বন্ধনে আবদ্ধ রাখবেন। সকলে মিলে মিশেই ঐক্য ধরে রাখতে হবে।
তার স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমাদের স্বপ্ন আমরা বাংলাদেশের ভাষা, রাজনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম, শিক্ষা, উন্নয়ন ও আচার অনুষ্ঠানগুলোসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে তুলে ধরতে পারবো। এখানে যারা বাস করছে তাদের সাফল্য গাথাগুলোও তুলে ধরতে পারবো। এই জন্য আমরা করে যাচ্চি। আশা করি আগামী দিনে এর ফল পাওয়া যাবে। আমাদের সময়.কম
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ