Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান মইনের বিরুদ্ধে নর্থ ক্যারোলিনা কোর্টে মামলার আর্জি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 6 বার

প্রকাশিত: March 15, 2011 | 11:52 PM

সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, নিউইয়র্ক: সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা কোর্টে একটি মামলার আর্জি দাখিল করা হয়েছে। জরুরি অবস্থার সময় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নির্যাতনের অভিযোগ এনে আর্জিটি দাখিল করেন বৃটিশ নাগরিক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা ব্যারিস্টার মুফাসসিল ইসলাম মাজহার। গত ১১ই মার্চ তিনি মামলার আর্জিটি নর্থ ক্যারোলিনার ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে দাখিল করেন বলে জানান।
রালেহ নর্থ ক্যারোলিনার বাসিন্দা ব্যারিস্টার মাজহার অভিযোগ করে বলেন, জরুরি অবস্থার সময় জেনারেল মইনের সেনাবাহিনীর হাতে আমি ও আমার পরিবার চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছি। যার প্রেক্ষিতে চরম মানসিক চাপে আমি এখন বিপর্যস্ত। আমার জীবনাচার পাল্টে দিয়েছে মইনের অত্যাচার আর নিপীড়ন। এর প্রত্যক্ষ প্রমাণ রয়েছে। তিনি বলেন, মইনের লোকজন এখনও নানাভাবে আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এ কারণে আমি বাংলাদেশে যেতে সাহস পাচ্ছি না। এটা বাংলাদেশী হিসেবে সাংবিধানিক অধিকার ভঙ্গের শামিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে আদালতে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জয়েন্ট টাস্কফোর্সের হাতে নির্যাতিত হওয়ার অভিযোগ এনে এটাকে অমানবিক, অমানুষিক এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সময় জেনারেল মইনের এজেন্ট কর্তৃক তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে আটকাদেশ এবং অত্যাচার-নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি তার মামলার আর্জিতে। অত্যাচার-নির্যাতনের কারণে নিজ শিশু সন্তানের অসুস্থতা এবং স্ত্রীর মানসিক ভারসাম্যহীনতা, অফিস তল্লাশি, ভাঙচুর বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেছেন। ব্যারিস্টার মাজহার তার আর্জিতে বলেন, বাংলাদেশের সিভিল কোর্টে এর বিচার চাইতে গেলে তারা আমার অভিযোগ গ্রহণ করেনি। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সেনা সদস্যদের বিচার সিভিলিয়ান কোর্টে করা সম্ভব নয়। কোর্টে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যারিস্টার মাজহার ও তার পরিবারের বর্তমান ও অতীত সব চিকিৎসা খরচ এবং সম্পদের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। ব্যারিস্টার মাজহার বলেন, আমি যখন পুরো পরিবার-পরিজন সহ অসুস্থ তখন জেনারেল মইনের বিলাসী আমেরিকা ভ্রমণ আমাদের আরও বেশি অসুস্থ করে তুলছে। এর বিচার হতে হবে। তিনি বলেন, আমার পুরো বিষয়টি এখন কোর্ট বিবেচনা করবে বলে আশা করছি। আবেদনটি গ্রাহ্য হলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব চূড়ান্ত করবে আদালত। এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাজহার বলেন, ২০০৭ সালের ১২ই মার্চ মধ্যরাতে আমার স্ত্রী আফরোজা ইসলামকে ঢাকার শেওড়াপাড়ার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় জয়েন্ট টাস্কফোর্স। এ সময় তিনি বিশ্বব্যাংকে চাকরি করতেন। আমার শিশু সন্তানটি ব্রেস্ট ফিডিং হওয়া সত্ত্বেও কোন অনুনয় বিনয় মইন বাহিনীর পাষাণ হৃদয়ে ন্যূনতম করুণার উদ্রেক করতে পারেনি। ব্যারিস্টার মাজহার বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান আমার ক্লাসমেট। শাহীন স্কুল থেকে আমরা একসঙ্গে লেখাপড়া করেছি। আর আমার শ্বশুর বেগম খালেদা জিয়ার খালাতো ভাই আবদুল ওয়াদুদ হিটো। যিনি বাংলাদেশের একজন শিল্পপতি। ১৯৯২ সালে আইন বিষয়ে অধ্যয়ন করতে আমি ইংল্যান্ড যাই। ১৯৯৭ সালে দেশে ফিরে ল’ প্র্যাকটিস শুরু করি। ২০০৪ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় তখন ইকুয়েডরে কন্স্যুলেট খোলার ঘোষণা দেয়া হয়। সেখানে নিয়োগ করা হয় মকবুল আহমদ নামে একজনকে অনারারি কন্সাল হিসেবে। তারা বিভিন্ন পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন দেয়া শুরু করলেন ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে সেদেশে মানুষ নেয়ার। এসময় আমি ইকুয়েডর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে তারা এবিষয়ে নিজেদের অজ্ঞতা প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে আমি মকবুল সাহেবের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করার প্রস্তুতি নেই। এ সময় তিনি ভয়ভীতি দেখানো শুরু করলেন। এরপর বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকির কারণে আমি দেশ ছাড়তে বাধ্য হই। জয়েন্ট টাস্কফোর্স আমার অবর্তমানে অফিস ভেঙে ৩৯টি কম্পিউটার নিয়ে যায় এবং অফিস ভাঙচুর করে। আমার স্ত্রীকে বাসা থেকে নিয়ে গিয়েছিল আমিন আহমেদ নামের একজন মেজর। এবিষয়ে আমি সবার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করলে পরবর্তীতে তৎকালীন বৃটিশ এমপি জর্জ গ্যালওয়েল একটি চিঠি দেন। ২০০৭ সালের ১৩ই মার্চ তিনি আমার স্ত্রীকে গ্রেপ্তারে উদ্বেগ প্রকাশ করে যে চিঠি দিয়েছিলেন তার কপি আমার কাছে রয়েছে।মানবজমিন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ