বাংলাদেশের স্বাধীনতা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ‘মুজিবনগর’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজীনা
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেছেন, ‘আমার বহু বছরের স্বপ্ন ছিল মুজিবনগর আসার। সেই মুজিবনগরে এসে আমার পুরোনো স্বপ্ন নতুন করে বাস্তবায়িত হলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন মুজিবনগর। কেননা, এখানে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ হয়েছিল।’
আজ বুধবার দুপুরে মেহেরপুর জেলার ঐতিহাসিক মুজিবনগর সফরকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা এসব কথা বলেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা বলেন, মুজিবনগর সরকার এ দেশের নয় মাসের স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল। স্বাধীনতাযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাসকে মূর্ত করে তুলতে এখানে ভাস্কর্যের মাধ্যমে সবকিছু তুলে ধরা হয়েছে। তাই দেশ ও বিদেশের প্রতিটি পর্যটকের উচিত বাংলাদেশকে জানতে এই মুজিবনগর ঘুরে যাওয়া। তিনি বলেন, মুজিবনগরে না এলে বাংলাদেশে তাঁর অবস্থান অপূর্ণ রয়ে যেত।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর পৌঁছে জেলা প্রশাসক মাহমুদ হোসেন, পুলিশ সুপার এ কে এম নাহিদুল ইসলামসহ জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন ড্যান মজীনা। পরে সার্কিট হাউসে তাঁকে গার্ড অব অনার দেয় পুলিশের একটি দল। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে মুজিবনগরে গণপূর্ত রেস্ট হাউসে পৌঁছান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখানে বাউলশিল্পীরা তাঁকে গান গেয়ে শোনান।
পরে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, মুজিবনগর স্বাধীনতা মানচিত্র ও মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন নিদর্শন স্থান ঘুরে দেখেন ড্যান মজীনা। এ সময় তাঁর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মেরিনা ইয়াসমিন, কালচারাল অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তা বিলাল ফারুকী, জেলা প্রশাসক মাহমুদ হোসেন, পুলিশ সুপার এ কে এম নাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর তিনটার দিকে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা।প্রথম আলো
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!