বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত, এমআরপি পাসপোর্ট’র মেয়াদ শেষ হলে ই-পাসপোর্ট নিতে হবে
দীন ইসলাম : বিল্ড অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার (বিওটি) পদ্ধতি অর্থাৎ বেসরকারিভাবে ই-পাসপোর্ট (ইলেকট্রনিক্স পাসপোর্ট) চালুর প্রস্তাবে সায় দেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারিভাবে ই-পাসপোর্ট চালু করতে বলেছেন। গত বৃহস্পতিবার ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার সংক্ষেপের ভিত্তিতে এমন নির্দেশনা পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ব্যবহার করা যাবে। তবে ই-পাসপোর্ট ব্যবহার শুরু হলে বিদেশে যাওয়া-আাসার ক্ষেত্রে ভোগান্তি কমবে। এ বিষয়ে সরকারের যুক্তি, শুধু এমআরপি যারা ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশনে দেরি হচ্ছে। ই-পাসপোর্টের ব্যবহার শুরু হলে বিদেশে যাওয়া- আসার সময় ভোগান্তি কমবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চেয়েছিল বিল্ড, অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার পদ্ধতিতে ই-পাসপোর্ট চালু করতে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে বলা হয়, ই-পাসপোর্টের জন্য যে কোম্পানি কাজ পাবে তারা নিজ খরচে সব করবে। চুক্তি হবে পাঁচ বছরের জন্য। চুক্তি শেষে আনুষঙ্গিক সবকিছু পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে বুঝিয়ে দিতে হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রস্তাবে সায় দেননি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো ই-পাসপোর্টের সারসংক্ষেপে বলা হয়, বর্তমানে বিশ্বের শত?াধিক দেশে এমআরপি’র পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট প্রবর্তন করা হয়েছে। ই-পাসপোর্টে এমআরপি’র চেয়ে আরও নিরাপদে বাহকের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এশিয়ার বেশির ভাগ দেশে ইতিমধ্যে এ পাসপোর্ট প্রবর্তন করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ‘বাংলাদেশ পাসপোর্ট’-এর গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানোর জন্য অন্য দেশের সঙ্গে মিল রেখে যুগোপযোগী ভ্রমণ তথ্য প্রচলনের প্রয়োজনে বাংলাদেশেও ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, বেশির ভাগ দেশে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করার কারণেই পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন উপযোগী অবকাঠামো স্থাপন করা হয়েছে। ফলে ইমিগ্রেশনে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এ সংক্রান্ত কাজ সহজে করতে পারছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের সব সুবিধা- অসুবিধা যাচাইয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছিল। কমিটি বলেছে, ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসে যে অবকাঠামো থাকা প্রয়োজন, এমআরপি বাস্তবায়নে তা রয়েছে। তবে ই-বুকলেট, পারসোনালাইজেশন মেশিন ক্রয়, এমআরপি সিস্টেমের সঙ্গে সংযোগ, সব ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্টে ই-পাসপোর্ট পাঠযোগ্য করার ব্যবস্থা এবং ই-গেট করতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বয়সভেদে পাঁচ ও দশ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেয়া হবে। জানা গেছে, ১৮ বছরের নিচে ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের পাঁচ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট এবং ১৯ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের জন্য ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেয়া হবে। বর্তমানে সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট করতে যথাক্রমে তিন হাজার ও ছয় হাজার টাকা ফি দিতে হয়। যাদের এখন এমআরপি পাসপোর্ট আছে, মেয়াদ শেষ হলে তাঁদের ই-পাসপোর্ট নিতে হবে। ই-পাসপোর্টে পাতায় থাকা চিপসে পাসপোর্টধারীর সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এতে চোখের মণির ছবি ও আঙুলের ছাপসহ সিকিউরিটি চিহ্ন থাকবে। এ কারণে পরিচয় গোপন করা কঠিন হবে। যেসব দেশে ই-পাসপোর্টের সুবিধা রয়েছে, সেখানে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয় না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ প্রায় ১১৮টি দেশে এই ধরনের পাসপোর্ট চালু আছে।মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!