Sunday, 14 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’ নিউইয়র্কে সিএমবিএ’র ১৬তম ‘লিটল বাংলাদেশ ব্রুকলিন পথমেলা’ অনুষ্ঠিত Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ কমেছে :জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাড

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 161 বার

প্রকাশিত: June 26, 2013 | 3:30 PM

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাড-এর বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে প্রায় ১০০ কোটি (৯৯৯ মিলিয়ন) ডলারের প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বা এফডিআই এসেছে, যা এর আগের বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম। ২০১১ সালে বাংলাদেশে ১১৩ কোটি ডলারের এফডিআই এসেছিলো। অন্যদিকে বিনিয়োগ বোর্ড বলছে, ২০১২ সালে বাংলাদেশে ১২৯ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলারের এফডিআই এসেছে, যা এযাবত্ কালের সর্বোচ্চ। সেই হিসেবে এক বছরে এফডিআই বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ।
গতকাল বুধবার এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছে বিনিয়োগ বোর্ড। ইউনাইটেড নেশনস কনফারেনস অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট বা আঙ্কটাডের ‘বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন’ ২০১৩ প্রকাশ উপলক্ষে গতকাল সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গতকাল ২৬ জুন সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে এ প্রতিবেদনটি বিশ্বব্যাপী একযোগে প্রকাশিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুত্ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী। বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান এসএ সামাদের সভাপতিত্বে আঙ্কটাডের প্রতিবেদনের ওপর নিবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, ১৯৯১ সাল থেকে এফডিআই সংক্রান্ত এ ধরনের প্রতিবেদন তৈরি ও প্রকাশ করে আসছে আঙ্কটাড। এটা আঙ্কটাডের এ সংক্রান্ত ২৩তম প্রতিবেদন। তবে এবছর সময়মতো তথ্য না পেয়ে প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এফডিআই প্রবাহ সম্পর্কে অনুমান নির্ভর তথ্য উপস্থাপন করেছে আঙ্কটাড। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আঙ্কটাডের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর জন্য বলা হবে।
বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান এসএ সামাদ বলেন: আমরা যে তথ্য উপস্থাপন করেছি এটাই বাংলাদেশের এফডিআই সম্পর্কিত প্রকৃত তথ্য। এখানে কোন তথ্য বেশি বলা হয়নি, বরং কমই দেখানো হয়েছে। এই ১২৯ কোটি ডলার ছাড়াও পোর্টফোলিও বিনিয়োগে আছে ২০ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে ২০১২ সালে প্রায় ১৭০ কোটি ডলার এফডিআই এসেছে বলে আমাদের বিশ্বাস।
বিনিয়োগ বোর্ডের উপস্থাপিত তথ্যে দেখা গেছে, ২০১২ সালে আসা ১২৯ কোটি ডলারের এফডিআইয়ের মধ্যে মূলধনী বিনিয়োগ এসেছে ৪৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। পুনঃবিনিয়োগ এসেছে ৫৮ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এবং অন্ত কম্পানি (ইন্ট্রা-কম্পানি) ঋণ রয়েছে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। খাতভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ২০১২ সালে সবচেয়ে বেশি এফডিআই এসেছে টেলিকমিউনিকেশন খাতে। এ খাতে বিনিয়োগ এসেছে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বস্ত্রখাতে এফডিআই এসেছে ৩০ কোটি ডলার। ব্যাংকিং খাতে এসেছে ১৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। জ্বালানি, গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম খাতে এসেছে ১২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। খাদ্যপণ্য খাতে এসেছে ৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। কৃষি ও মত্স্য খাতে এসেছে ৬ কোটি ডলার ও অন্যান্য খাতে এসেছে ২১ কোটি ডলার।
২০১২ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি এফডিআই এসেছে মালয়েশিয়া থেকে। এদেশটি থেকে এফডিআই এসেছে ২৪ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। এর পরে রয়েছে যুক্তরাজ্য ও মিসর। এদেশ দুইটি থেকে এফডিআই এসেছে যথাক্রমে ১৩ কোটি ৬৯ লাখ ও ১২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এছাড়া ১০ কোটি ডলারের নিচে বিনিয়োগ রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, হংকং, ব্রিটেন সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের।
এসময় প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মির্জ্জা আব্দুল জলিল, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাঈদী সাত্তার, সাবেক সচিব হারুনর রশিদ, এফবিসিসিআই পরিচালক গোলাম মহিউদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন আরো জানান, বিশ্বের অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের এফডিআই প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হলেও বাংলাদেশ এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম। ২০১২ সালে এফডিআইয়ের দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ২০১১ সালের তুলনায় এক ধাপ ওপরে উঠে এসছে। ওই বছর তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও এবার বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে চলে এসেছে। ২০১২ সালে ভারতে সবচেয়ে বেশি ২৫৫ কোটি ৪৩ লাখ ডলারের এফডিআই আসে।
ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশে যে পরিমাণ এফডিআই এসেছে তাতে আমরা আশান্বিত হচ্ছি। এফডিআই বৃদ্ধির এই প্রবণতা প্রমাণ করে বিদেশিদের বাংলাদেশের প্রতি আস্থা বাড়ছে। বৈদেশিক বিনিয়োগের হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ তার অবস্থান আরো সুদৃঢ় করেছে। ভারতে এফডিআই ২৯ শতাংশ হরাস পেয়েছে, বাংলাদেশে উল্লে¬খযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মির্জ্জা আব্দুল জলিল বলেছেন, বিনিয়োগ করার মতো পর্যাপ্ত জমি দেশে রয়েছে। সারাদেশে সরকারি বন্ধ মিল কারখানার যে পরিত্যক্ত জমি রয়েছে এফডিআইয়ের জন্য এসব জমি ব্যবহারের সুযোগ দেয়া যেতে পারে। নতুন বিনিয়োগের জন্য এই জমি লিজ দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরে কোন জমির সংকট হবে না বলে তিনি দাবি করেন।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV