Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশ সোসাইটির অফিস প্রবাসীদের কনসুলার জেনারেল অফিসের সেবা দিচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 158 বার

প্রকাশিত: May 18, 2014 | 10:59 AM

নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র : নিউইয়র্ক শহরে বসবাসরত বাংলাদেশী মানুষকে ছুটির দিনে সেবা দেয়ার জন্য কনসুলেট জেনারেলের অফিসের কাজ করছে বাংলাদেশ সোসাইটির অফিস। নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে অবস্থিত বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের অফিসে গিয়ে অনেকেই সেবা নিতে পারেন না। এছাড়াও অনেকেই তার অফিস থেকে ছুটি পান না বলেও ম্যানহাটানের অফিসে যাওয়ার সময় বের করতে পারেননা। ওই সব মানুষরা যাতে কনসুলার জেনারেলের অফিসের সেবা বাংলাদেশ সোসাইটির অফিস থেকে নিতে পারেন সেই জন্য এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ সোসাইটি। সেখানকার প্রেসিডেন্ট, সাধারন সম্পাদকসহ কমিটির নেতারা এই জন্য কাজ করেছেন। প্রতিমাসের দ্বিতীয় শনিবারে কনসুলেট জেনারেলের অফিসের সংশ্লিষ্ট স্টাফরা এখানে আসেন এবং সহায়তা দিয়ে থাকেন। এই ব্যাপারে বাংলাদেশ সোসাইটি ইঙ্কের নেতৃবৃন্দ কনসুলেট জেনারেল অফিসকে সহায়তা করার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশী ও যারা সেখানে সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত কাজ করেন, অফিস সময়ে প্রয়োজনীয় কাজ করার জন্য সময় বের করতে পারেন না, তারা সেবা নিতে যেতে না পারার কারণে ওই দিন সেবা নেয়ার সুযোগ পান। এটা থাকায় অনেক সুবিধা হয়।
এই সেবা দেয়া ছাড়া বাংলাদেশ সোসাইটি প্রবাসী বাংলাদেশী শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে, আমেরিকায় আসা মানুষকে এখানকার ইমিগ্রেন্ট হওয়ার জন্য সহায়তা করা ছাড়াও নিউইয়র্কে আসা বাংলাদেশীরা যাতে সুবিধা পায় সেই জন্যও চেষ্টা করছে। ইমিগ্রেশনে সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রত্যয়ন পত্রও ইস্যু করে থাকে। তারা মৃত মানুষের জন্য কবরেরও ব্যবস্থা করেছে। আর্থিক সংকট থাকলেও বিনা খরচে একজন মৃত বাংলাদেশীর জন্য নিউইয়র্কে লাশ কবর দেয়ার ব্যবস্থা করেন। সোসাইটি এখানে বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন করে থাকে। বাংলা বর্ষ বরণ অনুষ্ঠান, ২১ ফেব্র“য়ারী, ২৬ মার্চ, বিজয় দিবসসহ সব অনুষ্ঠান করে। এই সব দিবসগুলোতে বাঙ্গালীদের মিলন মেলায় পরিনত হয়।
সোসাইটি ইমিগ্রেশ সংক্রান্ত কোন আইন কিংবা বিল যখন মার্কিন সরকার পাশ করার জন্য উদ্যোগ নেয় কিংবা পাস করার চেষ্টা করে তখন তারা পক্ষে গেলে এর পক্ষে শোডাউন করে। আবার অনুকলে না থাকলে প্রতিবাদও করেন। এখন তারা ইমিগ্রেশন আইন পাস করার জন্য সম্প্রতি শো ডাউন করছে। ওই আইনটি পাস করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি চেষ্টাও করছেন পাস করতে। তবে এখনও তা পাস হয়নি। আংশিক হয়েছে। ওই বিলটি পাস হলে ভাল হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার। তিনি বলেন, এখন আমাদের এখানে সুবিধা পাওয়ার সুযোগ অনেক কমে গেছে। এই সুযোগ কিছুটা মিলবে আইনটা পাস হলে। আগে সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করা হলেও সুবিধা নিতে পারতো। কিন্তু এখন সেটা মিলছে না।
আগে বাংলাদেশ ওপি ওয়ান, ডিভি ওয়ান ক্যাটাগরীতে প্রতি বছর ৫ হাজার বাংলাদেশী এখানে আসার সুযোগ পেতেন। এখন আর বাংলাদেশের এই কোটা নেই। কোটা না থাকার কারণে ওই ভাবে বাংলাদেশীরা আসতে পারবে না। এখন মার্কিন সরকার বাংলাদেশীদের বেশি পরিমাণে ভিজিট ভিসা দিচ্ছে কিন্তু তা দিলেও অনেকেই এখানে এসে তেমন কিছু করতে পারছে না। কেউ কেউ আসার পর ভিসার ক্যাটাগরী পরিবর্তন করে এখানে থাকছেন। কাজ করছেন। তবে কেবল ভিজিট ভিসা কিংবা টুরিস্ট ভিসাতে একবারে ছয় মাসের বেশি দিন থাকার সুযোগ নেই। টুরিস্ট ভিসা যারা আসছেন তারা যদি মনে করেন যে এখানে স্থায়ী হবেন সেটা ঠিক হবে না। কারণ সেটাতে অনেক ঝামেলা আছে। লিগ্যালী আসাটাই সবচেয়ে ভাল। অবৈধ হয়ে গেলে পরে অনেক রকম ঝামেলায় পড়ার সুযোগ তৈরি হয়।
বাংলাদেশ সোসাইটি ইঙ্ক। বাংলাদেশীদের সবচেয়ে পুরনো সংগঠন। ১৯৭৩ সালে প্রথম এর শুরু হয় কমাল্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে এটা শুরু করার পর একটি আহ্বায়ক কমিটি করা হয়। ওই কমিটির আহ্বায়ক, মেম্বর সেক্রেটারী তারা এই সংগঠনকে শুরুর দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেন। এরপর ১৯৭৬ সালের নভেম্বর মাসে এই সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন করা হয়। বাংলাদেশ সোসাইট ইঙ্ক করা হয়। সেই থেকে এখনও চলছে এর পথ চলা। অনেক চড়াই উৎড়াই পাড় হয়ে তারা এক সংগঠনের ব্যানারেই এখনও আছে। এই সংগঠনের লাইফ মেম্বার রয়েছেন তিন শতাধিক। এছাড়াও প্রতিবছর দেখা যায় সদস্য সংখ্যা দশ থেকে বারো হাজার ছাড়িয়ে যায়। লাইফ মেম্বাররা ছাড়াও অন্যরা সবাই বছরে বছরে সদস্য হন। তবে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশীদের বেশির ভাগ এর সদস্য না হলেও সেবা নিতে তাদের কোন সমস্যা নেই। এটি একটি আমব্রেলা সংগঠন। দুই বছর পর পর নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি করা হয়। এখন ১৯ বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি এটা পরিচালনা করছে এছাড়াও একটি ট্রাষ্ট্রি বোর্ড রযেছে। এখন ট্রাষ্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মাইনুল ইসলাম মিয়া, সোসাইটির প্রেসিডেন্ট কামাল আহমেদ। আর জেনারেল সেক্রেটারী আব্দুর রহিম হাওলাদার। ২০১৪ সালে আবার নির্বাচন হবে। ইতোমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার নূরুল ইসলামকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে।
আব্দুর রহিম হাওলাদার বলেন, আমরা এখানে কেউ আসার পর তাদের ইমিগ্রেশন সমস্যা হলে সেই সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করি। তাদেরকে রেফারেন্স সার্টিফিকেট দিয়েও সহায়তা করা হয়। যারা এখানে নতুন আসে কিন্তু ইংরেজী জানেন না তাদেরকে ইংরেজী শিক্ষাও দেয়া হয়। একটা কোর্স সম্পন্ন হয়েছে সম্প্রতি। আরো একটা কোর্স চলছে।
বাংলাদেশ সোসাইটির কেনা ২১০ টি কবর রয়েছে। লং আইল্যান্ডে ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল পার্ক মুসলিম গার্ডেনে ওই সব কবর। সেখানে এক একটি কবরের দাম ১১০০ ডলার করে। ইতোমধ্যে ৫০ টা কবর ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি গুলো খালি আছে। অনেকেই আছেন এখানে আসার পর মারা যান। তারা তাদের বাবা মা কিংবা অন্য নিকটজনের কবরের জন্য কোন টাকা খরচ করতে চান না। টাকা দিতে পারছেন না বলে আমাদের কাছে ঘোষণা দেন এরপর আমরা ওই লাশ দাফনের ব্যবস্থা করি সম্প্রতিও এই ধরনের দুইটা কবর ছেড়ে দিতে হেেছ।
বাংলাদেশ সোসাইটি তারা কম্পিউটারেও প্রশিক্ষন প্রদানের ব্যবস্থা করে থাকে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন সামাজিক কাজে, বিভিন্ন দূর্যোগেও তারা সহায়তা দিয়ে থাকে। রানা প্লাজার ঘটনায় তারা ২০ টি পরিবারকে পুনবার্সন করেছে। সিডরের সময়ে সাত হাজার ডলার সহায়তা করেছে।
আব্দুর রহিম বলেন, আমরা এখানে যারা আগে এসেছেন তাদের ছেলে মেয়েরা অনেকেই বাংলা পারেন না। ওই সব শিশুদের আমরা বাংলা ভাষা শিক্ষা দেই। আগে ৫০ এর বেশি বাচ্চা ছিল। এখন ৩০টির মতো বাচ্চা আছে। ছুটির দুই দিন তারা কুইন্সে অবস্থিত সোসাইটির নিজস্ব ভবনে আসে। সেখানে বাংলা শেখে। তাদের জন্য আবার নাচ, গান, ছবি আকারও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বাংলা ভাষাকে ধরে রাখা খুব জরুরী। এই জন্য আমরা এটা চালু করি ও ধরে রেখেছি। আগামী দিনেও এটা থাকবে।
তিনি জানান, গত বছর ওবামা সরকার ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট পাস করানোর চেষ্টা করে এখনও হয়নি। ইমিগ্রেশন সমস্যা এখানে ভালই আছে। তাই ওই আইনটি পাস হলে ভাল হবে। আমরা ওই আইন পাসের পক্ষে কাজ করছি। ওই আইন হলে যাদের লিগ্যাল পেপাড় নেই তাদের জন্য সুবিধা হবে। ইমিগ্রান্ট হতে হলে ওয়ার্ক পারমিট, টেম্পোরারী রেসিডেন্ট, পারমেন্যান্ট রেসিডেন্ট গ্রীন কার্ড এই সব লাগবে।
তিনি বলেন, এখানে অনেকেই এসে রাজনৈতিক আশ্রয় নিচ্ছেন, নানা রকম কারণ দেখাচ্ছেন। অনেকেই আশ্রয় পেয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু আবার অনেকেই বছরের পর বছর ধরে আছেন কিন্তু পারছেন না। তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যারা এখানে অবৈধভাবে আছেন তারাতো অস্বস্তিতে থাকেন।
তিনি জানান, এখানে অনেকেই রয়েছেন যাদের লিগ্যাল পেপাড় নেই। তারা এখানে থাকলেও অপরাধ না করলে তেমন কিছুই বলে না। অপরাধ করলে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। তবে বাংলাদেশীদের মধ্যে অপরাধ প্রবনতা কম। যারা অবৈধ আছে তাদেরকে সরকার একবারে ধরে ফেরত পাঠিয়ে দিলে এখানে লোকের সংকট দেখা দিবে। অড জব করার জন্য লোক পাওয়া যাবে না। এই সব কারণেই তারা এগুলো দেখলেও ওভারলুক করে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি আমরা একটা সমস্যা অনেকেরই দেখছি তা হলো এখানে এসে এই দেশের নাগরিকত্ব নিচ্ছে। দেশের নাগরিকত্ব রাখে না। এতে করে সমস্যা হলো যদি তার বাংলাদেশ কোন সম্পত্তি থাকে সেটা হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে। সেখানকার নাগরিকত্ব রাখতে হবে আর না হলে তিনি যে সম্পত্তির মালিক ও টাকা পয়সা থাকলে যে কোন সময়ে হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে সরকারও নিয়ে নিতে পারে। কারণ তিনি যখন এখানকার নাগরিক হয়েছেন তখন তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখার ব্যাপারটি হয়তো চিন্তা করেননি। দেশের নাগকিত্ব ছেড়ে দিলে পরে সমস্যা হতেই পারে। এই বিবেচনা করে ও বাস্তব অবস্থার বিচারে এখন অেেনকই দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কাগজ পত্র ঠিক করছেন।
তিনি জানান, আমরা এখানে একটি স্থায়ী শহিদ মিনার করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখনও সেটা সম্ভব হয়নি। আগামীতে হবে বলে আশা করছি। জায়গার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই জন্য আমরা যে কমিউনিটিটা অনেক বড় সেটা প্রমাণ করা প্রয়োজন। তা প্রমাণ করার জন্য চেষ্টা করছি। আমরা যে বড় কমিউনিটি এটা প্রমাণ করতে পারলে সরকারের অনেক ফান্ড আছে সেগুলো নেয়া সম্ভব হবে। আমরা বাংলাদেশ ডে প্যারেট করার উদ্যোগ নিয়েছি। এটা নভেম্বরের দ্বিতীয় রোববার হবে। জ্যাকসন হাইটসের ৬৯ স্ট্রিট এভিনিউ ৩৭ থেকে শুর করে তা শেষ হবে ৮৬ স্ট্রিটের ৩৭ এভিনিউতে। সেখানে নিউইয়বর্ক সিটি মেয়র ব্রাজিওকে আমন্ত্রন জানানো হবে। তিনি আসলে দেখবেন কত বড় কমিউনিটি আমরা।
আমরা যদি সরকারের কাছ থেকেও ওই ধরনের ডোনেশন পাই তাহলে ওই টাকার জন্য কোন কর দিতে হবে না। আবার যখন ওই টাকা দিয়ে ভবন হবে তখনও কোন কর দিতে হবে না। তিনি বলেন, এখন আমাদের এখানে যে কনসুলেট জেনারেল অফিস রয়েছে সেখানে লোকবল সংকট রয়েছে। এই কারণে তারা সব সময় কাঙ্খিত মানের সেবা দিতে পারে না। এখানে লোকবল বাড়ানোর দরকার। সেটা বাড়ানো হলে সেবার মান বাড়বে। আমরা যতটুকু জানি লোকবল বাড়ালে আয়ও আরো বাড়বে। তাছাড়া এখানে আয়ের পরিমাণও ভাল। যে পরিমাণ টাকা ওই অফিসের পেছনে সরকার ব্যয় করে এরচেয়ে আয় অনেক বেশিই হয়। এখানকার মানুষের সেবার মান বাড়ানোর জন্য সরকার আরো পদক্ষেপ নিবে বলে আমরা আশা করছি।
তিনি বলেন, আমরা অরো অনেক কাজ করছি। সব কিছু স্বল্প পরিসরে বলা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আমাদের আরো অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। সেগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করবো।আমাদের সময়.কম 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ