Monday, 22 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন রোববার: শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে অবতীর্ণ কামাল-সানি ও কুনু-রহিম পরিষদ : ভাগ্য নির্ধারিত হবে নীরব ভোটারদের রায়ে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 151 বার

প্রকাশিত: October 24, 2014 | 5:18 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের অন্যতম সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৬ অক্টোবর রোববার। আলোচিত এই নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রচারণায় নেমেছেন উভয় প্যানেলের প্রার্থী ও তাদের শুভাকাক্সক্ষীরা। জমজমাট হয়ে উঠেছে নির্বাচনী ময়দান। ভোটারা জানিয়েছেন, দুই প্যানেল থেকেই যোগ্যপ্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্যানেল থেকে ব্যক্তি ইমেজই প্রাধান্য পাবে বেশি এ নির্বাচনে। তাই লড়াইও হবে হাড্ডাহাড্ডি। শ্বাসরুদ্ধকর। এ নির্বাচনী কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ছেন প্রবাসের বিভিন্ন রাজনীতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কামাল-সানি এবং কুনু-রহিম প্যানেল চালিয়ে যাচ্ছে তাদের মরণপণ প্রচারণা। সভা-সমাবেশ-গণসংযোগ, ফোন, ই-মেইল, ফেইসবুকসহ নানা মাধ্যমে উভয় প্যানেল চালিয়ে যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততোই বেড়ে চলেছে নির্বাচনী উত্তাপ-উত্তেজনা। জয়-পরাজয় নিয়েও চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ভোটারদের নিজ প্যানেলে টানার নিত্য নতুন কৌশল গ্রহণ করছেন তারা। নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রার্থী ও প্যানেল দুটির রং-বেরংয়ের পোস্টার সাঁটানো হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে। এর মধ্যে বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায়ই প্রচারণা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জমজমাট এ নির্বাচনকে ঘিরে অনেকটা বিভক্ত হয়ে পড়ছে বাঙালি কমিউনিটি। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ উত্থাপনের মধ্য দিয়ে চলছে দুই প্যানেলের প্রচারণা। নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি। কামাল-সানি এবং কুনু-রহিম প্যানেল বিজয়ের প্রত্যাশায় শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে অবতীর্ণ থাকলেও সাধারণ ভোটাররা বলছেন লড়্ইা হবে হাড্ডাহাড্ডি। এ নির্বাচনে অনেক ভোটার রয়েছেন নীরব। আর এই নীরব ভোটারের রায়েই ভাগ্য নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্টদের।
সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হক জানান, কমিশন ইতোমধ্যে নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
কামাল-সানি প্যানেলের প্রার্থীরা হচ্ছেন- সভাপতি কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ-সভাপতি সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক জে মোল্লা সানি, সহ-সাধারণ সম্পাদক আহবার এইচ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদী মিন্টু, কালচারাল সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ার সম্পাদক কাজী তোফায়েল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক কাজী ওয়াহিদ এলিন, ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ এনায়েত আলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফারহানা চৌধুরী এবং কার্যকরী সদস্য সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, শাহ মিজানুর রহমান, এয়াকুত রহমান, নাসির উদ্দিন আহমেদ, শেখ ফারুকুল ইসলাম ও নাদির এ আইয়ুব।
কুনু-রহিম প্যানেলের প্রার্থীরা হচ্ছেন- সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ওসমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এম কে জামান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, কালচারাল সেক্রেটারি মনিকা রায়, প্রচার সম্পাদক খোরশেদ আলম, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ এ হোসাইন বিপ্লব, সাহিত্য সম্পাদক মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সম্পাদক মিয়া মোশাররফ, ক্রীড়া সম্পাদক প্রফেসর ওয়াজি উল্যাহ। কার্যকরী সদস্য আবুল কে চৌধুরী, এ কে এম রফিকুল ইসলাম ডালিম, আকবর চৌধুরী, এমডি তুহীন আলী, সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ এস হক জামান।

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন : প্রার্থীদের গণসংযোগ অব্যাহত
কামাল-সানি পরিষদের সর্বশেষ প্রার্থী পরিচিতি সভায় ব্যাপক উপস্থিতি

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের অন্যতম সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৬ অক্টোবর রোববার। নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কামাল-সানি প্যানেল বিরামহীন প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। আবেদনময়ী সেøাগান নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ‘কামাল-সানি’ প্যানেলের প্রার্থী ও তাদের শুভাকাক্সক্ষীরা। সভা-সমাবেশ-গণসংযোগ, ফোন, ই-মেইল, ফেইসবুকসহ নানা মাধ্যমে এ প্যানেলের অভিনব নির্বাচনী প্রচারণা নতুন প্রজন্মসহ সর্বমহলে আলোড়ন তুলেছে। নির্বাচন বান্ধব আধুনিক প্রচার-প্রচারণার ফলে ইতোমধ্যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে প্যানেলটির পক্ষে। ‘ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গড়াই আমাদের প্রত্যয়’ আর ‘উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে’ এবং ‘গডফাদার’ মুক্ত প্রতিনিধিত্বশীল বাংলাদেশ সোসাইটির প্রত্যাশায় তাদের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার ভোটারদের প্রতি আবেদন ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। এর পক্ষে সৃষ্টি হয়েছে ঈর্ষণীয় জনমতও।
সুন্দর, স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য এবং জবাবদিহিতামূলক বাংলাদেশ সোসাইটি গড়ার দৃঢ়প্রত্যয় ঘোষণা করে আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কামাল-সানি পরিষদ গত ১৯ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় এস্টোরিয়ার ব্রডওয়ের চিয়ান ফেডারেশন হলে সর্বশেষ প্রার্থী পরিচিতি সভার আয়োজন করে। এ পরিচিতি সভায় মানুষের ঢল নামে।
‘কামাল-সানি’ প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. খন্দকার মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মেম্বার সেক্রেটারি আলী ইমাম শিকদারের পরিচালনায় এ সমাবেশে নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন বরো ছাড়াও নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া ও কানেকটিকাট থেকে সদস্য, শুভানুধ্যায়ীসহ বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
কামাল-সানি প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী কামাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জে মোল্লা সানিসহ এ সময় সভামঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ হোসেন খান, বাংলাদেশে সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য এম এ কাইয়ুম, মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আহমেদ, কমিউনিটি নেতা আজিজুর রহমান পাখি, জেবিবিএএনওয়াইয়ের সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজল মোঃ দিদারুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ পিয়ার, বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা সমিতির সভাপতি ফিরোজ ইসলাম পাটোয়ারী, মুক্তিযোদ্ধা আ: মুকিত চৌধুরী, বিয়ানীবাজার সমিতির সভাপতি আজিমুর রহমান বোরহান, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সাইফুল ইসলাম রহিম, সারোয়ার নূর মোল্লা, আব্দুল মোসাব্বির, নিশান রহিম, আজিজুর রহমান সাবু, হাজি খবির উদ্দীন, রফিকুল ইসলাম, আতোয়ারুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল, রিয়াজ উদ্দিন কামরান, আবুদল হাশিম হাসনু, মজিবুর রহামন তোতা প্রমুখ।
এ সময় কামাল-সানি পরিষদকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়ে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট জাকির খান, আব্দুর সবুর, ফখরুল ইলাম দোলোয়ার, গোলাম মোর্তজা, সাখাওয়াত বিশ্বাস, আবদুল হামিদ, নাসরিন আহমদ, মিয়া মোঃ দুলাল, বদরুল ইসলাম খান বাদল, ইউনুস সরকার, ফরিদা ইয়াসমীন, মোঃ রইস উদ্দিন, জাকারিয়া চৌধুরী, হাজি নিজাম উদ্দিন, হাজি এনাম, আবুল বাশার মিলন, শামসুদ্দিন শামীম, কবির আলী, সেলিম ইব্রাহিম, শামসু মিয়াসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
অনুষ্ঠানে বেশিরভাগ বক্তাই তাদের বক্তব্যে আসন্ন নির্বাচনে ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র না দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের নিন্দা করেন। তারা একই ব্যক্তিকে বারবার নির্বাচন কমিশনের প্রধান করার সমালোচনা করেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশ সোসাইটিকে গডফাদারমুক্ত স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য এবং জবাবদিহিমূলক সংগঠনের পরিণত করার জন্য কামাল-সানি পরিষদকে নির্বাচিত করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান। তারা বলেন, সোসাইটি থেকে কালো বিড়ালকে তাড়িয়ে অনিন্দ্য, সুন্দর সোসাইটি গড়ার এখনই মোক্ষম সময়।
প্রার্থী পরিচিতির এ অনুষ্ঠানে ব্রঙ্কস থেকে আগত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুস সবুর বলেন, আমি মূলত কামাল-সানি প্যানেলের সমর্থক।
ব্রঙ্কস ও ব্রুকলিনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করার বক্তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে কামাল-সানি পরিষদের সভাপতি প্রার্থী কামাল আহমদে বলেন, বিজয়ী হলে ভবিষ্যতে ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সভায় কামাল আহমেদ বলেন, ব্রঙ্কসবাসীর সুবিধার কথা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তারা। তিনি বলেন, ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা গঠনতন্ত্র কোনো বাধা নয়, বাধা নির্বাচন কমিশনের ইচ্ছা। তিনি এ সময় আগামী ১৬ ডিসেম্বর সোসাইটির উদ্যোগে বিজয় দিবস ব্রঙ্কসে উদযাপনের পুনঃঘোষণা দেন।
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোহম্মদ জে মোল্লা সানিও এই দাবির প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।
সভায় বক্তারা, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং ‘গডফাদার’ মুক্ত প্রতিনিধিত্বশীল বাংলাদেশ সোসাইটি গড়তে কামাল-সানি প্যানেলের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।
নির্বাচনী সভায় কামাল-সানি পরিষদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ভোটারদের সামনে তুলে ধরা হয়। এ সময় ভোটাররা কামাল-সানি পরিষদের প্রতি তাদের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেন।
সভায় বক্তারা ‘কামাল-সানি’ পরিষদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে বলেন, ‘কামাল-সানি’ পরিষদ নির্বাচিত হলে প্রবাসীদের কল্যাণ ও অধিকার আদায়ে এদেশের মূলধারায় বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ত করার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। বাংলাদেশী কমিউনিটির জন্য ফেডারেল, স্টেট ও সিটি প্রশাসন থেকে চাকরি, কর্মসংস্থান, চিকিৎসা ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা আদায়, স্পোকেন ইংলিশ, কম্পিউটার ট্রেনিংসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। প্রবাসে গড়ে ওঠা সকল আঞ্চলিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘প্রবাসী কল্যাণ ফান্ড’ নামে একটি বিশেষ তহবিল গঠন করার ব্যাপারে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে প্রবাসীদের জন্য ‘একটি লিগ্যাল এইড সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করার ব্যবস্থা করবে। প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের বাংলাদেশের স্থায়ী রেসিডেন্সিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য এবং বাংলাদেশে প্রবাসীদের সহায় সম্পত্তি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ফলপ্রসূ আলাপ-আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইনস বিমান বাংলাদেশ ‘নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে’ পুনরায় ফ্লাইট চালু করার ব্যাপারে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত মানুষের সেবা ও কল্যাণে গ্লোবাল ওয়ার্মিং ও বাংলাদেশের আর্সেনিকযুক্ত পানি সংকট নিরসনে জাতিসংঘসহ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাথে জোরালো লবিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাংলাদেশের সকল জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সহযোগিতা করবে। আমেরিকায় বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট করতে নিউইয়র্কে একটি বাংলাদেশ লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠাসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। অনলাইনে সদস্যপদ সংগ্রহসহ সকল বাংলাদেশীদের জন্য সোসাইটির সদস্যপদ গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজতর ও সদস্যপদ সবসময়ের জন্য বহাল রাখার ব্যবস্থা করা এবং সোসাইটির আধুনিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশ সম্মেলনসহ সকল জাতীয় অনুষ্ঠান ও নিউইয়র্কে বাংলাদেশ প্যারেডের আয়োজনে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষের সাথে সমম্বয় করে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও সময়ের প্রয়োজনে সোসাইটির গঠনতন্ত্রকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে সত্যিকার অর্থে সোসাইটিকে জবাবদিহিতামূলক প্রবাসী বাংলাদেশী পার্লামেন্টে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
প্রার্থী পরিচিতি সভায় সকল প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন সোসাইটির সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন খান। সভায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সকল সদস্য এবং সকল প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, প্রার্থী পরিচিতির পাশাপাশি কামাল-সানি পরিষদ প্রার্থীরা গত সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনিই ব্যাপক গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় প্রার্থীরা ব্রঙ্কস, জ্যাকসন হাইটস, উডসাইড, সানিসাইড, এস্টোরিয়া, জ্যামাইকা, ওজনপার্ক, ব্রুকলিন, নিউজার্সির পেটারসনসহ বাঙালি অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান। বিভিন্ন দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট, অফিস-আদালত ছাড়াও তারা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়েও গণসংযোগ করেন। ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্যানেল প্রার্থীরা কয়েকটি ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। প্রার্থীরা ছাড়াও এই গণসংযোগে কামাল-সানি পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সকলে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সুন্দর বাংলাদেশ সোসাইটির প্রত্যাশায় ‘কামাল-সানি’ প্যানেল তাদের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার আবেদন জানান ভোটারদের প্রতি। কামাল-সানি পরিষদের প্রত্যেক প্রার্থীর সততা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বাংলাদেশী কমিউনিটির ভোটারদের কাছে তুলে ধরা হয়। তারা বলেন, আমরা নিষ্ঠা, সততা ও ঐক্যে বিশ্বাসী। গণসংযোগে সোসাইটির ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেন বলে জানা গেছে।

ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেয়ার সিদ্ধান্ত ক্ষুব্ধ ব্রঙ্কসবাসীর
নিউইয়র্ক: চূড়ান্ত পর্যায়ে ব্রঙ্কসে কেন্দ্র না হওয়ায় ব্রঙ্কসবাসীর ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। ‘ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র না হলে প্রয়োজনে নির্বাচন বর্জন করবে ব্রঙ্কসবাসী’ Ñ এ অবস্থান থেকে ফিরে এসেছেন তারা। তারা বলছেন, নির্বাচন বর্জন নয়, ব্যালটের মাধ্যমেই এর উপযুক্ত জবাব দেবেন ।
উল্লেখ্য, ব্রঙ্কসে মামুনস টিউটোরিয়ালে গত ১২ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় ‘কামাল-সানি’ প্যানেলের পক্ষে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র্র স্থাপন না করার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়েছিল ব্রঙ্কসবাসী। কামাল-সানি পরিষদের ওই নির্বাচনী সভাটি পরিণত হয় প্রতিবাদ সভায়। সভায় বক্তারা বলেন, ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র না হলে প্রয়োজনে নির্বাচন বর্জন করবে ব্রঙ্কসবাসী। সভায় বক্তারা নির্বাচন কমিশন ব্রঙ্কসবাসীর প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেন। সভা থেকে ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। তারা বলেন, এখানে কেন্দ্রটি না হলে ভোট প্রদানে ব্রঙ্কসবাসীর অর্থ ও সময় দুই-ই অপচয় হবে। বক্তারা ওই সভায় সোসাইটির নির্বাচন কমিশন ব্রঙ্কসে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করার দাবিকে নাকচ করে পক্ষপাতিত্ব আর সোসাইটির গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

কুনু-রহিম পরিষদের জনাকীর্ণ পরিচিতি সভা
সব অঞ্চলের জন্য সমসুযোগ ও সোসাইটিকে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার ওয়াদা
আসন্ন বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কুনু-রহিম পরিষদ বিজয়ী হলে সোসাইটিকে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে রেখে বাস্তব অর্থে সামাজিক প্রতিষ্ঠানে হিসেবে পূর্বাস্থানে ফিরিয়ে নেয়া এবং ভোটকেন্দ্রসহ অন্যান্য কার্যক্রম নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহে ছড়িয়ে দেয়া হবে।
২০ অক্টোবর রাতে নিউইয়র্কের কুইন্স প্যালেসে কুনু-রহিম পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক জালালাবাদ এসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি বদরুল খানের সভাপতিত্বে এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব আতাউর রহমান আতা, সারোয়ার খান বাবু, মিজানুর রহমান মিজান ও ইঞ্জিনিয়ার খালেকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ প্রার্থী পরিচিতি সভায় আমানত হোসেন আমান পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত এবং মাওলানা আবুল কালাম আজাদ দোয়া পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানে এক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্দোলনে শহীদদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়।
কুনু-রহিম পরিষদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে প্রার্থী মনিকা রায়, নাজমা আনোয়ার ও বাবলী হকের পরিচালনায় বহুসংখ্যক কণ্ঠশিল্পী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশ করেন। অনুষ্ঠানে আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীতও বাজানো হয়।
কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জালালাবাদ সমিতির বর্তমান সভাপতি বদরুল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রার্থী পরিচিতি সভায় মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন কাজী আজহারুল হক মিলন, সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনি, বাংলাদেশ সোসাইটি সাবেক সভাপতি এম আজিজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক আলহাজ সোলায়মান ভূঁইয়া, জন উদ্দিন, আলাউদ্দিন ভুলু, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মফিদুর রহমান, ফজলু মিয়া, মঞ্জুর চৌধুরী জগলু, মোদাব্বির হোসেন মেম্বার, এম এ মহিত, হেলাল উদ্দিন হেলাল, মোঃ মনিরুজ্জামান বিল¬াল, আবদুস সবুর, রাব্বী মোহাম্মদ, নাসির উদ্দিন, আবু তালেব চান্দু, এমদাদুল হক কামাল, গিয়াস উদ্দিন, একলামুজ্জামান নুনু, আজিজুর রহমান, সুরুজ্জামান, মুজাহিদুল ইসলাম, আবু নাসের, রাফেল তালুকদার, এমদাদুল হক জামাল, আখতার চৌধুরী, বারী চৌধুরী, রফিকুল বারী চৌধুরী, কামরুজ্জামন চৌধুরী আনা, সামসুল আবেদীন, মোখলেছুর রহমান, নজরুল ইসলাম নজরুল, সৈয়দ জুয়েল, সৈয়দ নাজমূল আহসান, এইচ চৌধুরী জুয়েল, আবু হাসেম শাহাদাত, চৌধুরী সালে আহমদ, সিরাজউদ্দিন মোর্শেদ, বোরহান উদ্দিন কপিল, মেজবা আবেদীন, লুৎফর রহমান লাতু, কামরুজ্জামান চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন, বদরুল হক, মাজহারুল ইসলাম, বাসেতুর রহমান বাসেত, বাবলী হক, বজলু মিয়া, এম এ ছিদ্দিক পল্ল¬ব, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, তারেক হাসান, জামান তপন, নুরুল ইসলাম বর্ষণ, নাজমা আনোয়ার প্রমুখ। মঞ্চে স্থান সংকুলান না হওয়ায় এক পর্যায়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হলেও তারা মঞ্চে না গিয়ে দর্শক সারি থেকে হাত উঠিয়ে কিংবা দাঁড়িয়ে তাদের উপস্থিতির ঘোষণা দেন।
পরিচিত সভায় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে এমলাক হোসেন ফয়সল, বাহাউদ্দিন খান, মোঃ লুৎফর রহমান, মিঠু হামিদ, নিজামূল হক নিজাম, ইশতিয়াক রুমী, রুহেল আহমদ, শামীম আহমদ মনির, আবদুল মন্নান, মোঃ আলম নমি, মানিক বাবু, শাহীন চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম খান, মোঃ মনির হোসেন, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, জন রানা, ফখর উদ্দিন, মুশাহিদ চৌধুরী, মীর মশিউর রহমান, ওয়াদুদ তালুকদার, এমন নাজমূল হাসান, এবিএম হোসেন তুষার, মোহাম্মদ জামান তপন, এবাদ চৌধুরী, তারেক হাসান খান, তোফায়েল আহমেদ, মনজুর চৌধুরী, মীর্জা মনিরুজ্জামান শামীম, মোঃ মাহাবুবুর রহমান, ফয়সল হক দুলন, এ কে এম ফজলুল হক, আবদুল হাকিম, শাহাবুদ্দিন মোল¬া, জিএম ইব্রাহীম, এসআই ভূঁইয়া, আবু সাঈদ আহমেদ, আবদুল বাতিন, আতিকুল হক আহাদ, আবদুল মতিন, জহির উদ্দিন জুয়েল, দাবিদ হাসান স্বপন, আসাদ উদ্দিন (আসাদ), নুরুল ইসলাম খান, মাজহারুল ইসলাম জনি, লুৎফর রহমান, আবদুল বাসিত বুলবুল, আনোয়ার হোসেন, মোশাররফ আলম, সাব্বির আহমদ, সাইফুল খান, আবদুল মোতালিব, ভূঁইয়া, তাজুল ইসলাম, আসাদ আহমদ, বক্সার সেলিম, সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদুর রহমান, রেজাউল আজাদ ভূঁইয়া, নাসির উদ্দিন, আবদুল করিম, মহসিন ভূঁইয়া, শফিকুর রহমান ভূঁইয়াসহ প্রায় ৪০০ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কুনু-রহিম পরিষদের সব প্রার্থীকে মঞ্চে নিয়ে উপস্থিত ভোটারদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া। প্রার্থীরা হলেনÑ সভাপতি পদে আজমল হোসেন কুনু, সাধারণ সম্পাদক পদে আবদুর রহিম হাওলাদার, সহ-সভাপতি পদে সেলিম আতাউর রহমান ও ফারুক হোসেন মজুমদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ওসমান এ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ পদে মোহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সৈয়দ এম কে জামান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মনিকা রায়, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক পদে খোরশেদ আলম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে মোশাররফ মিয়া, সাহিত্য সম্পাদক পদে মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মোঃ আকরাম হোসেন, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক পদে অধ্যাপক ওয়াজি উল্ল¬াহ, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে এ কে এম রফিকুল ইসলাম (ডালিম), মোহাম্মদ সিরাজুল হক (জামাল), আকবর চৌধুরী, মোঃ তুহিন আলী এবং শাইখুল আলম।
পরিচিত সভায় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ বিপুলসংখ্যক পুরুষ-মহিলার বিপুল উপস্থিতির কারণে এক পর্যায়ে স্থান সংকুলানের সমস্যা সৃষ্টি হয়। গভীর রাত পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকে।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এম আজিজ বলেন, আমি সেবামূলক কাজের ‘গডফাদার’। তাই সেবামূলক কাজ করতে আমার মতো গডফাদার সেবকদের নির্বাচিত করার জন্য আমি কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক আলহাজ সোলাইমান ভূঁইয়া কুনু-রহিম পরিষদের প্রার্থীদের যোগ্যতা এবং অবদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে বলেন, কুনুভাই মানুষের জন্য ভাবেন। আবদুর রহিম হাওলাদার বিশিষ্ট সমাজসেবক। ধর্মের প্রতি অনুভূতি রয়েছে বলেই তিনি জ্যাকসন হাইটসে একটি মসজিদ নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। এই প্যানেলের সবাই যোগ্য হওয়ায় তারা নির্বাচিত হয়ে ভালো কাজে মনোনিবেশ করবেন বলে আমরা রাখি।
সোসাইটির বর্তমান ভঙ্গুর অবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটিতে ১৪ হাজার সদস্য ছিলেন। সে সংখ্যা হ্রাস হতে হতে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে যে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে এক সময় সোসাইটি শেষ হয়ে যাবে।
সোলাইমান ভূঁইয়া বলেন, আমাদের অনাগত বংশধরদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ তৈরি করতে বিপুল সংখ্যক নতুন সদস্য সংগ্রহ করে এ সংখ্যাকে ২০ হাজারে পরিণত করতে হবে, যাতে মূলধারা রাজনীতিকরা আমাদের সমীহ করেন। তিনি ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, ওজোনপার্ক সোসাইটির ভোটকেন্দ্র প্রত্যাহার করার কঠোর সমালোচনা করে সেগুলো পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।
বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এবং কুনু-রহিম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আবদুর রহিম হাওলাদার তার বক্তব্যের অভিযোগ করেন, বর্তমান সভাপতি ৩৫০ জন ভোটারকে ভোটার তালিকা হতে বাদ দেয়ার জন্য তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির কোনো সদস্যের সদস্যপদ ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া বাতিল করার সাংবিধানিক অধিকার কার্যকরী পরিষদের নেই।
কুনু-রহিম পরিষদের সভাপতি পদে প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু তার ভাষণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, মানুষকে হেয় করার প্রবণতা বন্ধ করতে তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আমরা কাউকেই হেয় করবো না। আমরা সবাইকে সম্মান জানিয়ে কথা বললো।
কুনু বলেন, আমি বাংলাদেশ সোসাইটকে কখনোই রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করিনি। আমরা দায়িত্ব পেলে ভোটারের সংখ্যা কখনোই যেন কমানো না যায় সেই ব্যবস্থা করবো। ব্রঙ্কসে ও ব্রুকলিনে পুনরায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন করবো। ম্যানহাটন ও জ্যামাইকায় নতুন ভোটকেন্দ্র খোলা হবে। কোনো এলাকার জন্য ভোটার সংখ্যার নির্দিষ্ট সংখ্যার শর্ত থাকবে না।
সভাপতির ভাষণে আহ্বায়ক বদরুল খান বলেন, যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান সাধারণ সম্পাদককে অপমান করতে পারেন তাকে কোনোভাবেই আবার সে সংগঠনের কর্ণধার করা যাবে না। কুনু-রহিম পরিষদের প্রার্থীদের যোগ্য হিসেবে বর্ণনা করে বদরুল খান বিজয়ী করে সোসাইটিকে কালিমামুক্ত করার জন্য কুনু-রহিম পরিষদকে ভোট প্রদানের জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা কুনু-রহিম পরিষদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। ‘বাংলাদেশীদের মধ্যে সুদৃঢ় সার্বজনীন ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় কুনু-রহিম পরিষদ সর্বদা প্রবাসীদের পাশে’ এ সেøাগান নিয়ে কুনু- রহিম পরিষদ তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে উল্লেখ করেন, যে কোনো প্রবাসী বাংলাদেশী, বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য পদ গ্রহণ করার পর থেকে সকল সময়ের জন্য সদসদ্যপদ নথিভুক্ত রেখে নিয়মিত নবায়নের মাধ্যমে ভোটার করার পদক্ষেপ গ্রহণ। সোসাইটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বাৎসরিক সদস্য ফি কমিয়ে ৫ (পাঁচ) ডলার করার পদক্ষেপ গ্রহণ। স্থায়ী শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠায় কমিউনিটি ও কর্তৃপক্ষের সাথে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ। জবের জন্য তথ্য সংগ্রহ করে কমিউনিটিকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান। বাংলাদেশী কমিউনিটিকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য মেলবন্ধন তৈরি করা। সিটি ও স্টেট থেকে কমিউনিটির জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ। বাংলাদেশের ডে উপলক্ষে সম্মিলিতভাবে প্যারেডের আয়োজন করা। নতুন প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের বাংলাদেশী কৃষ্টি ও সংস্কৃতি শিক্ষাদান এবং বাংলা স্কুলের কার্যক্রম আরও জোরদার করা।

চার্চ ম্যাকডোনাল্ডে কুনু-রহিম পরিষদের ব্যাপক নির্বাচনী গণসংযোগ
ব্রুকলিনের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব ও কমিউনিটির সিনিয়র একটিভিস্ট জিয়াউদ্দিন কানুর সভাপতিত্বে কুনু-রহিম পরিষদের নির্বাচনী পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয় ঘরোয়া রেস্টুরেন্টে। বাংলাদেশী কমিউনিটির উল্লে¬খযোগ্য সংখ্যক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী এসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের, সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি আলহাজ মাহফুজুল মাওলা নান্নু, বৃহত্তর কুমিল্ল¬া সমিতির সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক কামাল, আজাদ বাকির, স্বন্দ্বীপ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এবি এম সিদ্দিক, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট ও রাজনীতিবিদ হেলাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সামসুল আবদীন, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক একরামুল নঈম, মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম কুমিল্ল¬া সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা মনির হোসেনসহ শতাধিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা তাদের বক্তব্যে কুনু-রহিম পরিষদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-রহিম পরিষদকে বিজয়ী করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কুনু-রহিম পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সদস্য সচিব আতাউর রহমান আতা সকল প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
দ্বিতীয় সভাটি অনুষ্ঠিত হয় সুগন্ধা রেস্টুরেন্টে। এতে সভাপতিত্ব করেন সন্দ্বীপ কালচারাল সোসাইটির সাবেক সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম ও সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলমগীর আলম। সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ-সভাপতি ইলিয়াস মাস্টার, বগুড়া ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি রাফেল তালুকদার, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট তপন চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বোরহান উদ্দিন কবির, মোঃ মাহির হোসেন, ওমর ফারুক, শাহাদাৎ হোসেন, মুজিবুর রহমানসহ আরো অনেক। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আতাউর রহমান আতা ও যুগ্ম সদস্য সচিব সারোয়ার বাবু সকল প্রার্থীদের সভায় পরিচয় করিয়ে দেন। উপস্থিত সকলে কুনু-রহিম পরিষদকে পূর্ণ সমর্থন করে ২৬ অক্টোবর নির্বাচনে বিজয়ী করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং কুনু-রহিম পরিষদ বিজয়ী হয়ে ব্রুকলিনের ভোটকেন্দ্রটি আবারও পুনঃপ্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান।
০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০
কামাল-সানি পরিষদের কয়েকজন প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন দেওয়ান, সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রার্থী
কামাল-সানি পরিষদ থেকে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন দেওয়ান সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন। কমিউনিটি সেবায় স্বর্ণ পদকসহ একাধিক পদকে ভূষিত হয়েছেন তিনি। একজন দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে তার খ্যাতি অনস্বীকার্য। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের (১৯৯১-১৯৯৩) অধিনায়ক। ১৯৯৩ সালে জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে তার আগমন। এখানে আসার পর থেকে কমিউনিটি সেবায় নিয়োজিত। একাধারে তিনি বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সহসভাপতি, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকার তিনবারের সভাপতি, মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর এসোসিয়েশনের তিনবার কার্যনির্বাহী সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই যুক্তরাষ্ট্রের মেম্বার অব টাস্ট্রি বোর্ড। এ ছাড়া উডসাইড বায়তুল জান্নাহ মসজিদের টাস্ট্রি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সকলের দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করেছেন।
কামাল সানী প্যানেলের প্রার্থী পরিচিতি

সিরাজ ইউ আহমেদ সোহাগ (সহসভাপতি পদপ্রার্থী)
বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান সহসাধারণ সম্পাদক, প্রাক্তন প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক, আপ্যায়ন সম্পাদক। পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ সংগঠক ও কলামিস্ট সিরাজ ইউ আহমদ সোহাগ প্রবাসে খুবই পরিচিত ব্যক্তিত্ব। নিউইয়র্কে তিনি অসংখ্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত থেকে সমাজ সেবায় নিয়োজিত আছেন। ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আবারও কামাল সানী পরিষদ থেকে নির্বাচন করছেন। এ ব্যাপারে তিনি সবার দোয়া ও ভোট কামনা করেছেন।

আহবাব চৌধুরী খোকন (সহসাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী)
কামাল সানী প্যানেলের একজন যোগ্য ও পরীক্ষিত প্রার্থী আহবাব চৌধুরী। সুদর্শন এই ব্যক্তিত্ব নিরবে সর্বদা কমিউনিটির সেবা ও কল্যাণে নিয়োজিত আছেন। নির্বাচিত হলে তিনি প্রবাসে বাংলাদেশীদের কল্যাণে আতœনিয়োগ করবেন বলে জানিয়েছেন। এই প্রত্যাশায় তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং আগামী ২৬ অক্টোবর তাকে নির্বাচিত করার আহবান জানিয়েছেন।

শেখ সিরাজুল ইসলাম (কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী)
বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স করা শেখ সিরাজুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। বাংলাদেশ সোসাইটি প্রাক্তন নাট্য সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টিভি নেটওয়ার্ক সিবিএস এর বিখ্যাত লেটনাইট উইল ডেভিড লেটারম্যান শো’র পারফর্মার। এ ছাড়াও তার রয়েছে আরো অনেক শিক্ষাগত ও কর্ম অভিজ্ঞতা, যা অল্প পরিসরে বর্ণনা করা যাবে না। তিনিও সকলের দোয়া ও ভোট কামনা করেছেন আগামি ২৬ অক্টোবরের নির্বাচনে ।

কুনু-রহিম পরিষদের কয়েকজন প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রার্থী
কুনু-রহিম পরিষদ থেকে আতাউর রহমান সেলিম সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কমিউনিটির সেবায় নিজেকে আতœনিয়োগ করে রেখেছেন। তার পরিচিতি ব্যাপক ভাবে বিস্তৃত। বর্তমানে বাংলাদেশ সোসাইটির সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৩ সালে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একাধারে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অব আমেরিকার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবারও তিনি জনগইের ভালবাসা এবং ভোট প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, একটি সুন্দর কমিউনিটি উপহার দেয়ার নিমিত্তে কমিউনিটিতে আরো বেশী সময় দিতে আমি বদ্ধপরিকর।

ওসমান চৌধুরী (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী)
বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আর্ন্তজাতিক মহলে স্বীকৃত প্রাপ্ত সৎ, সাহসী ও সততার এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব ওসমান চৌধুরী। প্রবাসে তার সততা ও সাফল্য বর্ণনাতীত। প্রায় সকল প্রবাসীই তার সম্মন্ধে জানেন। সুতরাং নতুন করে পরিচয় দেয়ার প্রয়োজন নেই। নির্বাচিত হয়ে তিনি সেবার মান আরও বিস্তৃত করতে আগ্রহী। এই জন্য সকলের কাছে দোয়া ও ভোট কামনা করেছেন।

প্রফেসর ওয়াজি উল্লাহ (স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী) (ছবি ড্রপবক্সে)

বাংলাদেশ কমিউনিটির এক যোগ্য ও প্রকৃত প্রার্থীর নাম প্রফেসর ওয়াজিউল্লাহ (অব:প্রাপ্ত মেজর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী)। অসংখ্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিত্ব এই প্রফেসর। তিনি নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনের দীর্ঘ ১৭ বছর কর্মরত পাবলিক স্কুল এডুকেটর, স্টেট সার্টিফাইড টিচার, প্রিন্সিপাল ও স্কুল সুপারিনটেনডেন্ট। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বার কাউন্সিলের প্রাক্তন এডভোকেট। তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় শিক্ষামূলক কলাম লিখে থাকেন। আজীবন সদস্য -বাংলাদেশ সোসাইটি, বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতি, এলামনাই এসোসিয়েশন অব চিটাগাং ইউনিভার্সিটি, মাদানী মসজিদ (উডসাইড)। প্রফেসর ওয়াজিউল্লাহ জানিয়েছেন তিনি নির্বাচিত হলে সপ্তাহে কমপক্ষে ২ দিন করে ফ্রি এডুকেশন সার্ভিস প্রদান করবেন। এছাড়া তিনি চান প্রবাসে শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে উজ্জল দৃষ্টান্ত রাখতে। তাই সবার দোয়া ও ভোট চেয়েছেন যাতে নির্বাচিত হয়ে তিনি এই সেবা দানে সম্পৃক্ত হতে পারেন।

মনিকা রায় (সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদপ্রার্থী)
নামেই যার পরিচয় তার আর গুণের কি দরকার। কুনু-রহিম পরিষদের এই ধরনের এক প্রার্থী যার নাম মনিকা রায়। প্রবাসের সঙ্গীত জগতে তার বিচরণ সর্বত্র। শিল্পকলা একাডেমী ইউএসএ এর সভাপতি। তাছাড়া তিনি সুরছন্দ শিল্পী গোষ্ঠি, উদিচি শিল্পী গোষ্ঠি, গাংচিল ইত্যাদি অসংখ্য সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে কমিউনিটির সেবায় নিয়োজিত আছেন। সেবার ধারা আরও প্রসারের লক্ষ্যেই নির্বাচন করছেন। ২৬ অক্টোবরের নির্বাচনে সকলের কাছে ভোট ও দোয়া চেয়েছেন।

একেএম রফিকুল ইসলাম ডালিম (কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী)
প্রবাসের সকলের পরিচিত মুখ এবং মূলধারার সফল উন্নয়ন ও জনকল্যানমূলক কাজের সাথে সর্বদা নিজেকে সম্পৃক্ত করে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান রফিকুল ইসলাম ডালিম। সদা প্রাণ”ঞ্চল ও কর্মঠ এই যুবক ব্যাপক ভাবে কমিউনিটির সেবা করার জন্য কুনু-রহিম পরিষদ থেকে কার্য নির্বাহী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাছাড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে এবারের সোসাইটির নির্বাচনে একমাত্র প্রার্থী তিনি। ডালিম প্রবাসী সকল ভাইবোনদের সালাম জানিয়েছেন এবং ২৬ অক্টোবরের নির্বাচনে তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে মানব কল্যাণে ও কমিউনিটির সেবা করার সুযোগ চেয়েছেন।

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনের সভা
ব্রঙ্কসে ভোট কেন্দ্র দেওয়া কোন ভাবেই সম্ভব নয়
আজকাল রিপোর্ট: বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনের এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৩ অক্টোবর এস্টোরিয়া সুন্দরবন রেস্টুরেন্টে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হকের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, কমিশনার মোঃ আজিজ, মোঃ আবদুল হাকিম মিয়া, মোঃ আনোয়ার হোসেন ও আজমল আলী। সভায় বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী কমিটির প্রাপ্ত রেজুলেশন থেকে ব্রঙ্কসে কেন্দ্র দেওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী ব্রঙ্কসে কেন্দ্র দেওয়া অসম্ভব। তার কারণ হল একটি কেন্দ্র দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কমপক্ষে ৫০১ জন ভোটারের প্রয়োজন। কিন্তু ব্রঙ্কসে ভোটার সংখ্যা ৪৬৯ জন। তাই ব্রঙ্কসে কোন ভাবেই কেন্দ্র দেওয়া সম্ভব নয়। সকলের অবগতির জন্য বিয়টি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV