বাংলাদেশ সোসাইটির ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের প্রতিবাদ নয়ন-আলী পরিষদের : নির্বাচন কমিশনের একগুয়েমী মনোভাবের কারণে প্রার্থী-ভোটাররা ক্ষতির সম্মুখীন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে মাননীয় আদালত কতৃক নির্বাচনের উপরের নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনের আপীল খারিজের পর বাংলাদেশ সোসাইটির ব্যানারে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন নয়ন-আলী পরিষদ। নয়ন-আলী পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়রম্যান আবু নাসের ও সদস্য সচীব বাবুল চৌধুরী এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, ২১ অক্টোবর রোববার বাংলাদেশ সোসাইটির অনুষ্টিতব্য নির্বাচনের উপর কুইন্স সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারকের দেয়া নির্বাচনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর উক্ত নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশন কতৃর্ক দায়েরকৃত আপীল মাননীয় আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের এই ব্যর্থতাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সোসাইটির ব্যানারে তড়িঘড়ি করে সাংবাদিক সম্মেলনের আহ্বান করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে আমাদের দেখার সুযোগ হয়েছে। উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামাল আহমেদ জনি যে বক্তব্য উপাস্থাপন করেছেন তা সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন, অমূলক, এবং বাংলাদেশ সোসাইটির ২৭,৫১০ জন ভোটারদের সাথে প্রতারনা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমরা তাদের সকল বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছি এবং উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
লিখিত বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, আমরা সকলে জানি নৈতিকভাবে এবং সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন সম্পুর্ণ নিরপেক্ষ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট বডি। বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান কার্যকরী পরিষদের বেশীরভাগ সদস্য রব-রুহুল পরিষদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ নিজেও রব-রুহুল পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম মুখপাত্র। কামাল আহমেদ রব-রুহুল পরিষদের বেশীরভাগ প্রার্থী ও উক্ত পরিষদের পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান বোরহান সাহেবকে নিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটির ব্যানারে আয়োজিত উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণ উপস্থিত হয়ে একটি প্যানেলের বিরুদ্ধে যে সকল অসত্য, বানোয়াট বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তাতে এই জনি কমিশন কতটুকু নিরপেক্ষ তার বিচারের ভার বাংলাদেশ সোসাইটির সম্মানিত সকল সদস্যদের উপর ন্যস্ত করলাম। জনি কমিশন ২ জন সদস্য প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন এবং নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্যের নির্বাচনে অংশগ্রহনের মনোনয়ন বৈধ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে উক্ত ২ জন সদস্য প্রার্থী ও নয়ন আলী পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন, কার্যকরী পরিষদ ও ট্রাস্টী বোর্ডের সদস্যদের মাধ্যমে সামাধানের চেস্টা করেও সভাপতি কামাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দীকির অসহযোগিতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। উক্ত দুই প্রার্থী আর কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে অন্য একজন সাধারণ সদস্যকে নিয়ে মাননীয় আদালতের শরনাপন্ন হন। মাননীয় আদালত তাদের আবেদনের যুক্তিকতা বুঝতে পেরে তাদের নাম নির্বাচনী ব্যালটে কেন সংযুক্ত করা হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্য মহিউদ্দীন দেওয়ানের নাম ব্যালট থেকে কেন বাদ দেয়া হবে না মর্মে শোকজ করে ২১ তারিখের নির্বাচনী কার্যক্রমের উপর স্থগীতাদেশ প্রদান করেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন উক্ত নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করেও ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা নয়ন-আলী পরিষদ নির্বাচন কমিশনের শত অনিয়ম সত্বেও ১৭ জন প্রার্থী নিয়ে ২১শে অক্টোবর রোববারের নির্বাচনে অংশনেয়ার জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম কিন্তু মাননীয় আদালতের আদেশের প্রতি সম্মান প্রর্শণ করে সকল ধরনের নির্বাচনী কর্মকান্ড স্থগিত রেখেছি। অপরদিকে রব-রুহুল পরিষদ মামলার অন্যতম বিবাদী সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদকে নিয়ে পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণার নামে নয়ন-আলী পরিষদের বিরুদ্ধে বিষেধ্গার করছেন, যা আদালত অবমাননা বলে আমারা দৃঢ ভাবে বিশ্বাস করি।
বিবৃতিতে তারা বলেন, এখানে আরো উল্লেখ্য যে, সাংবাদিক সম্মেলনে সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ তার বক্তব্যে মাননীয় বিচারককে নিয়ে যে ঔদ্ব্যত্বপূর্ণ কথা বলেছেন তা সত্যিই দু:খজনক। বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি একজন বিচারককে পাগল কিংবা পারিবারিক সমস্যায় জর্জরিত বলে যে মন্তব্য করেছেন তাতে এদেশের পুরো বিচার ব্যবস্থা ও বাংলাদেশী কমিউনিউটিকে অসম্মানিত করেছেন। আমরা তার এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি মামলার একজন বিবাদীর এধরনের বক্তব্যে আদালত অবমাননা হয়েছে। আমরা কামাল সাহেবের এই বক্তব্য প্রত্যাহারের জোর দাবী জানাচ্ছি পাশাপাশি তার বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার অনুরোধ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা মনে করি আইন সবার জন্য সমান। যে ২ জন সদস্যের প্রার্থীতা বাতিল করে জনি কমিশন যে অন্যায় করেছেন মাননীয় আদালতের রায়ের মাধ্যমে তারা তাদের প্রার্থীতা ফেরত পাবেন এবং কমিউনিউটির সেবা করার সুযোগ পাবেন।
বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনের একগুয়েমী মনোভাবের কারণে সকল প্রার্থী ও ভোটাররা যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে তার জন্য নির্বাচন কমিশন সকল প্রার্থী ও ভোটারদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন এবং তাদের আবেগী ও একগুয়েমী মনোভাব পরিহার করে একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন উপহার দিয়ে সকল ভোটারদেরকে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করবেন।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!