Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ হচ্ছে বোয়িং-৭৭৭:কিন্তু ল্যান্ড করতে পারবে না আমেরিকা ও ইউরোপে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 58 বার

প্রকাশিত: September 22, 2011 | 1:35 AM

 

নাশরাত চৌধুরী: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ হচ্ছে অত্যাধুনিক দু’টি উড়োজাহাজ বোয়িং-৭৭৭-৩০০ ইআর। এর একটি ২৩শে অক্টোবর বিমানের বহরে যুক্ত হবে। অপরটি যোগ হবে নভেম্বর মাসে। উড়োজাহাজ সঙ্কটে থাকা বিপর্যস্ত বিমান বহরে দু’টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলেও বিমানের জন্য কোন সুখবর নেই। কারণ এ দু’টি দিয়ে কোন রুটে ফ্লাইট পরিচালিত হবে তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বিমানের পরিকল্পনা ছিল নতুন উড়োজাহাজ দিয়ে নিউ ইয়র্ক রুটে ফ্লাইট চালু করার। এছাড়া, ইউরোপেরও বেশ কয়েকটি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো ক্যাটিগরির দিক থেকে দুই নম্বরে থাকার কারণে এদেশের উড়োজাহাজ আমেরিকা ও ইউরোপের বিমানবন্দরগুলোতে ল্যান্ড করতে পারবে না। মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোন বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ নামতে হলে আগে তাদের বিমানবন্দরের ক্যাটিগরি ১ নম্বরে উন্নীত করতে হবে। এটা করতে না পারলে তারা নিউ ইয়র্কে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে না। এদিকে ইউরোপের রুটে বিমানের উড়োজাহাজ চলছে শর্ত সাপেক্ষে। বেশ কয়েক বছর আগেই তারা জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরানো উড়োজাহাজগুলো ইউরোপে চলাচল করতে দেয়া হবে না। বিমান অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে লন্ডন রুটটি চালু রেখেছে। সূত্র জানায়, বিমানে নতুন উড়োজাহাজ আসছে এ নিয়ে যেখানে আনন্দ উল্লাস করার কথা কিন্তু তারা তা করতে পারছে না। নতুন উড়োজাহাজ আসার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। কারণ ওই দু’টি উড়োজাহাজের জন্য এখনও কোন রুট ঠিক করা সম্ভব হয়নি। রুট ঠিক হোক কিংবা না হোক তা দিয়ে বিমানের কোন আয় হোক বা না হোক যেদিন থেকে উড়োজাহাজ বহরে আসবে এরপর থেকে প্রতিমাসে বিমানকে কিস্তি দিতে হবে ১৫০ কোটি টাকা করে। আয় না হলে প্রতিমাসে বিমানের জন্য এ কিস্তি দেয়া কঠিন হবে। বিমানের এমন কোন আয়ের পথ নেই যেখান থেকে অতিরিক্ত ৩০০ কোটি টাকা করে কিস্তি দেয়া সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, বিমান বহরে নতুন উড়োজাহাজ যোগ হলেও এতে লাভ করা যাবে না। কারণ বিমানকে যে পরিমাণ কিস্তি শোধ করতে হবে এ জন্য বিমানকে বর্তমানের চেয়ে আগামী মাস থেকে অতিরিক্ত আয় করতে হবে মাসে ৩০০ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে নতুন উড়োজাহাজের অন্যান্য খরচতো আছেই। এসব খরচও ওই উড়োজাহাজ থেকে আয় করতে হবে। বিমানের ওই কর্মকর্তা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের রুটে ওই উড়োজাহাজ চালিয়ে লাভ করা যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন বিমানের জন্য অভিজাত ও লাভজনক রুট চালু করা। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিউ ইয়র্ক রুট। এ রুটটি চালু করা গেলে বিমানের প্রেস্টিজও বাড়তো সেই সঙ্গে বাড়তো আয়ও। বিমানের এতদিন যে সব উড়োজাহাজ ছিল ওই উড়োজাহাজ নিউ ইয়র্কে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণ করানো সম্ভব ছিল না। যে কারণে বিমান বার বার বন্ধ থাকা নিউ ইয়র্ক রুট চালু করার চেষ্টা করলেও পারেনি। বিমানের নিউ ইয়র্ক রুটের ক্ষেত্রে বড় বাধা ছিল উড়োজাহাজ। এখন সেই সমস্যা নেই। এখন উড়োজাহাজ আসছে তবে সেখানে নিউ ইয়র্ক রুট চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। আমেরিকা ও ইউরোপের সিভিল এভিয়েশন থেকে প্রায় দুই বছর ধরে বার বার তাগিদ দেয়া হচ্ছে কিন্তু তা করা হয়নি। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে বার বার বলা হয়েছে তারা বিমানবন্দরের ক্যাটিগরি উন্নীত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এদিকে সিভিল এভিয়েশনের পরিকল্পনা বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে শুরু করে সবদিকেই ক্যাটিগরি ১-এ উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কাজ চলছে। সমপ্রতি এ নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় ও এ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন। সেখানে তারা আশ্বাস পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণ করতে পারলে তারা ফ্লাইট চালু করতে পারবেন। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে শর্ত পূরণের জন্য ছয় মাস সময় চেয়েছে।
মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ